চুমু খাওয়া নিয়ে ঝগড়া – আবেগি ভালোবাসার গল্প 2022

আবেগি ভালোবাসার গল্প

*হ্যালো বন্ধুরা এই গল্পটিতে আমি আপনাদের একটি ছোট্ট ছেলে একটি ছোট্ট মেয়েকে কম বয়সে আবেগি ভালোবাসার গল্প টি আপনাদের জানাবো এই নিয়ে যে তাদের পরিবারে চুমু খাওয়া নিয়ে ঝগড়া কতটা তুলকালাম হচ্ছে এই নিয়ে আজকের গল্পটি ।  তো গল্পটি শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন ।আমি এই পোস্টে আপনাদের কে একটা সুন্দর দুষ্টু মিষ্টি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প শোনাতে চাই । আমি আপনাদের প্রেমের গল্প শুনাতে চাই । তো ভালোবাসার গল্প শুনতে থাকুন ৷ রোমান্টিক ভালোবাসার রাত এর ছোট গল্প শুনাতে থাকুন।

পাশের বাড়ির বৌদির পাঁচ বছরের মেয়ে শিলা এসে আমাকে বলল-

আন্টি আন্টি তোমার ছেলে আমাকে না চুমু খেয়েছে।

এই মেয়ের কথা শুনে আমি আকাশ থেকে মাটিতে পড়লাম আমার ছেলে নাকি চুমু খেয়েছে যার নিজের বয়সে ৮ ক্লাস টুয়ে পরে আমার ছেলে প্রচুর ফাস্ট তিন বছর বয়স থেকেই ওর কথা একদম ক্লিয়ার।

সেবল প্রচুর পাকা সেটা জানতাম তাই বলে যে চুমু দেবে তাও আবার পাশের বাড়ির পিচ্চিকে কে এটা জানা ছিলনা । আমার আবার মেয়ে মানুষ নিয়ে এসেছে । আমি চিন্তিত গলায় বললাম-

শিলা মা তুমি এসব কি বলছ।

ঠিকই বলছি কাকিমা ও আমাকে চুমু খেয়েছে! তাও আবার আমার ঠোঁটে। আর আমাকে বলে সুযোগ পেলেই একটা চুমু দিয়ে যা বলে ।

আমার ছেলে ঘরে টিভি দেখতেছে এইসব কথা শুনে আমার মাথা ঘুরতেছে বাচ্চা ছেলে মেয়ে এসব কি করে আল্লাহ । সায়ন তুমিও এদিকে আসো তো দেখি –

সায়ন বাইরে এসে আমাকে দেখে মুচকি মুচকি হাসে আমি ওর দিকে রাগান্বিত অবস্থায় তাকিয়ে-

মা তুমি আমাকে ডেকেছো।

চুমু ,চুমু নিয়ে উক্তি,চুমু খাওয়া,আবেগি ভালোবাসার গল্প,

আবেগি ভালোবাসার গল্প

তুই নাকি শীলাকে চুমু খেয়েছিস । তুই এসব করিস কিভাবে পাশের বাসার মেয়েকে চুমু খাওয়ার শিক্ষা দিয়েছে তোকে আমি।  তাও তোর বয়স কত বলতো আমাকে শুনি।  কে তোকে এইসব শিখিয়েছে ।

এহ্হ আমি একাই চুমু দিয়েছি নাকি ছিলাম তো আমাকে জড়িয়ে ধরেছে তাই বলেই তো আমি ওকে চুমু দিয়েছি। তুমিও তো আমাকে জরিয়ে ধরে একটা চুমু দাও । আমিও তো তোমাকে জড়িয়ে ধরে একটা চুমু দিয়ে দিয় । তখন তো কিছু বলোনা ।

হায় আল্লাহ এইসব শুনে আমি মরে কেন গোলাম না পাশ থেকে আমার সুপুত্রের গুণধর পিতা এসেছে বলে উঠলেন –

সাব্বাস বেটা এই না হলে বাপের বেটা । প্রদীপ চৌধুরীর ছেলে বলে কথা জড়িয়ে ধরলে চুমু তো খেতেই হবে। রাইট পাপা? বংশের প্রদীপ তো তোকে উজ্জ্বল করতে হবে বাবা !

তখন সায়ন উত্তর দিলো এস পাপা!

চুমু 

পিতা পুত্রের কথা শুনে নিজেকে মনে হচ্ছে যে দুবরি ঘাস এর দড়ি বানিয়ে আত্মহত্যা করি ।  ইতিমধ্যে শিলার মা বাবা চলে এসেছে।  তাদের মেয়ের চুমু খাওয়ার বিচার চাইতে।

এইযে বৌদি আপনার ছেলে আমার মেয়ের চুমু খেয়েছে কেন? জানতে চান ওর কাছে?

তখন সায়নের বাবা বলে উঠলেন ভাবি আপনার সুকন্যাও আমার পুত্রকে জড়িয়ে ধরেছে তার বেলায়।

দেখুন ভাই আমার মেয়ে ছোট না বুঝে তাই, আপনার ছেলেকে জড়িয়ে ধরেছে আপনার ছেলে কি কচি খোকা ও আমার মেয়েকে চুমু খেলো কেন বলেন দেখি?

আপনার মেয়ে ছোট সেটা তো বুঝলাম তার আমার ছেলেকে বুড়ো হয়ে গেছে নাকি । না হয় চুমু খেয়েছে তাতে কি হয়েছে?

সায়নের বাবার এই কথা শুনে সাথে সাথে সবাই রেগে গেল। ওরা সবাই আর সায়নের বাবা একা সেকি ঝগড়া ।

আমার স্বামী ঝগড়াটে আমি জানতাম তাই বলে এইভাবে মেয়েদের সাথে ঝগড়া করবে এই যে আমি ভাবতেও পারছিনা আমি নিরবে শুধু দেখে যাচ্ছি আমার ভীষণ কান্না পাচ্ছে । এক পর্যায়ে আমার ছেলে জোরে বলে উঠলো-

সবাই একবার থামবেন তো সবাই চোখ আমার কথা শুনুন।

চুমু খাওয়া

এবার সবাই সায়ন দিকে তাকাল খুব আগ্রহ নিয়ে চেয়ে আছে সায়ন আবার বলল –

আমি শিলাকে ভালোবাসি ওকে দেখলে আমার শুধু চুমু খেতে ইচ্ছে করে শিলাকে আমি অনেক বলেছি ওকে আমি ভালোবাসি কিন্তু ও আমাকে বলেছে আমরা শুধু বন্ধু তাই ওকে জোর করে চুমু খেয়েছি বেশ করেছি।

এই কথা শোনার পর আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলামনা ধক করে ফ্লোরে বসে পড়লাম এই আমি কেমন ছেলেকে জন্ম দিলাম রে বাবা সায়ন আবার বলে উঠল শিলার বাবা-মা কে উদ্দেশ্য করে!

আন্টি আঙ্কেল আপনারা রাজি থাকলে আমি শীলাকে বিয়ে করতে চাই।

এবার আর আমি কান্না আটকে রাখতে পারলাম না গড়িয়ে পড়ে গেল । আমি ছেলেকে বললাম”-

বাপ, আমার তুই তো নিজেই ফিডার খাই তুই আবার বিয়ে করতে চাস। বউরে কি খাওয়াবি শুনি ।

আমার এইরকম কথা শুনে আমার স্বামী বলে উঠল তুমি চিন্তা করো না নিলা আমি আরও একটা ফিডার কিনে আনব তুমি ছেলে আর ছেলের বউকে একই সাথে ফিডার বানিয়ে দিবে । আর ভাবি আপনারা বিয়ের ব্যবস্থা করুন আমি শীলাকে তাড়াতাড়ি পুত্রবধূ করতে চাই আমার একমাত্র ছেলের ইচ্ছে বলে কথা।

এ কথা শোনার সাথে সাথে ভাবী আমাকে বললেন যে-

এই যে ভাবি কি বলছেন ভাইয়া !সেকি পাগল হয়ে গেল?

আমি কিছু উত্তর দেওয়ার আগেই আমার গুনা তার স্বামীর জবাব দিলেন?

 একটা চুমু দিয়ে যা

আরে ভাবি চুমু খাওয়া কি এমন ব্যাপার আমিও তো কত মেয়েকে চুমু খেয়েছি জীবনে তারা তো বাড়ি বয়ে নালিশ করতে আসে নাই তবে আমার ছেলের সাথে আপনার মেয়ের আজই বিয়ে দিব । আমার ছেলের ভালবাসার দাম আছে না?

এবার আর সহ্য করতে পারলাম না আমি উঠেই আমার স্বামীর কলার ধরে বললাম-

তুমি তো আমাকে বলেছিলে আমি তোমার প্রথম ভালোবাসা তাইলে তুই অন্য মেয়েদের চুমু খাইলি কেমন করে! হে ভগবান আমি কার পাল্লায় পড়লাম?

তোমাকে আমি মিথ্যে বলেছিলাম তুমি প্রথম ছিলে না আগে আরও ছয় সাত জন ছিল ‌।

আমাদের এইসব কথা শুনে ভাবীরা ছেলেকে নিয়ে চলে গেল আর বলে গেল পাগল এর দলের কাছে আমরা এসেছি চুমুর বিচার চাইতে।

এইসব কথা শুনে তো আমার মেজাজটা একদম খারাপ হয়ে গেল রাগে থর থর করে কাঁপছে কান দিয়ে গরম ধোঁয়া বেরোচ্ছে। সায়নের বাবা কে রেগে চিৎকার করে বললাম-

তুই থাক, বাপ ছেলে মিলে তোদের চুমু নিয়ে আমি এক্ষুনি বাপের বাড়ি চলে যাচ্ছি ।

এইযে লক্ষ্মী বউটা আমার দাড়াও কোথায় যাচ্ছ ।

তখন সায়ানের বাবা আমার কাছে এলো।

ধপাশ করে সায়ন এর বাবা আমাকে একটা চুমু দিল ‌।

তাও আবার ঠোঁটে , এবার আপনারাই বলুন তো আমি কার কাছে বিচার চাইতে যাব বউয়ের সাথে ঝগড়া করার পরেও কি নয় নির্লজ্জ বর আমার নিজের ছেলের সামনে চুমু খাচ্ছে।

তো বন্ধুরা আমাদের এই চুমু খাওয়া নিয়ে ঝগড়া এই গল্পটা আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন । আর এই আরো নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment