খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প কাহিনী লাভ স্টোরি 2021

খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প কাহিনী লাভ স্টোরি

হ্যালো বন্ধুরা আমাদের chhota golpo ওয়েবসাইডে আপনাদেরকে স্বাগতম আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প কাহিনী লাভ স্টোরি । এই গল্পটা জানতে পারবেন কিভাবে একটি মেয়েকে ভালবেসে কষ্টের প্রেমের গল্প ধোঁকা দাওয়া । পরনিতি কষ্টের লাভ স্টোরি টি দেখতে থাকুন ।

প্রথমেই বলে দিই আমার নাম বিক্রম আর আমার নতুন বউ এর নাম রিয়া । কিন্তু আমার বউ এর অপর নাম স্মৃতি । কিন্তু এই নাম টা আমার একদম পছন্দ না । কারন টা এই কষ্টের গল্প সম্পূর্ণ পড়লে আপনি জানতে পারবেন । আজকের গল্পটি শেষ পর্যন্ত পড়বে আর অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন কেমন হয়েছে আজকের পর্ব টি ।

কষ্টের গল্প, কষ্টের ভালোবাসার গল্প, কষ্টের ভালবাসার গল্প, খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প, ভালোবাসার গল্প কষ্টের, কষ্টের লাভ স্টোরি, অনেক কষ্টের গল্প, ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী, কষ্টের প্রেমের গল্প,
কষ্টের ভালোবাসার গল্প

শ্বশুরবাড়ি এসে বেশ জ্বালায় পড়লাম মনে হচ্ছে । তারপর এই প্রথম শশুর বাড়ি আসলাম বিয়ের পরে কাজের চাপে আমি শ্বশুর বাড়িতে আসতে পারে নি বেশ কিছুক্ষণ হলো ছটফট করছি এই বিষয়টা আমার স্ত্রী রিয়া লক্ষ্য করলো । আমি বাসার বাইরে যেখানেই যাচ্ছি আমার সাথে শ্বশুর বাড়ির কেউ না কেউ থাকছেই ।

এই করতে করতে রাত প্রায় দশটা বেজে গেল খাওয়া শেষ করে বিছানায় গা ছেড়ে দিলাম হঠাৎ করে রুমে এসে দরজাটা বন্ধ করে দিল তার এমন আচরণে বেশ চমক আলাম। সে আস্তে আস্তে জানলাটা ও অফ করে দিলো । এখানে সবচেয়ে মজার জিনিস হলো রিয়া একটা প্যাক বিয়ার আমার সামনে দিয়ে বললো ….

কষ্টের ভালোবাসার গল্প

নাও তুমি খেয়ে নাও এখন কেউ আর আসবেনা।
তুমি কি করে জানলে যে আমি এখন মদ খাবো।
সারাদিন তো দেখলাম বেশ ছটফট করছে আর এই ঝটপট এর মানেটাই আমার ভালো করে জানা।

আমি আর তাকে তেমন কিছু আর বললাম না আমিও সেই একটা একটা খেয়ে নিলাম এমনে আমি দেখতে দেখতে দু তিন প্যাক মারে নিলাম । তারপর সে রুমে একটা স্প্রে দিয়ে জানলা খুলে দিল আর তার জন্যে নিচে বালিশ আর একটা কাথা নিয়ে শুয়ে পড়ল ।

আমি আবারও বিছানায় শুয়ে পড়লাম হঠাৎ করে মনে মনে কবিতা আউড়াতে লাগলাম । “নিজের নিয়মে বাঁচি তাই তো অন্ধকারে হাসি প্রিয়তমার সেই চিরচেনা মুখটা আজও যেন নিয়ম আলোতেই আমার ফাঁসি” । প্রায় দু’ঘন্টা পর আমার ভেতর থাকা নরোম দেহের খাদক তা হিংস্রতার রূপ নিল।

আমি রিয়ার ফোলোরে করা বিছানায় গিয়ে তাকে আলিঙ্গন করলাম তারপর আমার দেহের সমস্ত শক্তি তার চোখের কান্না দিয়ে প্রবাহিত হতে লাগল আমি একবারও তাকে জিজ্ঞেস করিনি তার সম্মতি আছে কি নাই ।

দেহ খাদক এর সমস্ত চাহিদা পূরণ করে আমি তার কাছ থেকে উঠে গিয়ে একটা সিগারেট ধরালাম আর রিয়া অশ্রুসিক্ত চোখে বাথরুমে প্রবেশ করল। পরের দিন সকালে সবকিছু যেন নরমাল।

আমরা দুজনে ভালো থাকার অভিনয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলাম।
সে আমার জন্য কত কি রান্না করছে আর আমি সব হাসিমুখে খাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবে বিয়ের পর থেকেই একদিন আমি রিয়ার সাথে বসে খাবার খাইনি ‌। একদিনো ভালোবেসে আমি তার হাতটা ধরি নি।

আমি ঠিক তার কাছে খুবই যাতে তখন এগিয়েছি যখন আমার ভিতরে থাকা খাদক তার ক্ষিদে বেড়ে যায় ।
আসলে আমি এমন টা ছিলাম না । তবে জেনে নিন আমার সেই ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী

কলেজ লাইফের সবচেয়ে দুষ্টু আর রোমান্টিক মানুষটা ছিলাম শুধু আমি। আর তাইতো কলেজের শাখা পার হতে না হতেই আমি কারো মায়ার পাগল হয়ে গেছিলাম। স্মৃতি আর স্মৃতি নামের একটা মেয়ের উপর আমি প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ অনুভব করেছিলাম ।

খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প

সেই দিন আমার ভেতরে যেন একটা শান্তি পাবে সে পুরো শহর নিশ্চুপ হয়ে গেছিল ভালবাসার ডাকপিয়ন সেদিন আমার দরজায় এসে ভালোবাসা বিলি করেছিল । খুব সংক্ষেপে আমাদের প্রেম হয়ে গিয়েছিল । স্মৃতির দেহের পারফিউমের গন্ধে আমি তীব্রতা অনুভব করতাম ।

ঠিক কতবার যে তার ঠোঁটের কার্নিশে আমি নিজেকে দমিয়ে নিয়েছি তা আমার জানা নেই। সে প্রতিবারই হাসত আমার এইসব কান্ড দেখে । তারপর একদিন নিজেই আমার ঠোটের উপরীভাগে বসবাস করা শুরু করলো ।

আমার প্রতিদিন তার ঠোটের স্পর্শ চাই আমার এমনটা হয়ে গেছিল। সে কখনো আবদার করে বসতো আমার কাছে স্বয়ং আমাকেই। আমি থামিয়ে দিতাম চাই তো এত জলদি দেহতে রূপান্তরিত হতে আমার ভালোবাসাটা ।

কেননা দেহতে আসার সাথে সাথে কারো না কারো ভালোবাসাটা কমতে শুরু করবে আর বিরক্ত ভাবটা বাড়াতে শুরু করবে ।

আমি পাগল সেখানে ছেলেমেয়েদের এই প্রেম মানে জিনা । সেখানে আমি আমাদের ভালবাসাকে পবিত্র বলে চালিয়ে দিতাম আর তার দেহের কাছে থেকে বারবার চলে আসতাম ।

ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী

কিন্তু কে জানত তার বড্ড তারা ছিল যে তাই তো আমার অনুপস্থিতে একদিন অন্য কাউকে সে ঠোঁটের কার্নিশে আসার সুযোগ করে দিয়েছিল।
আমি সেই দিন নিজ চোখে দেখেছিলাম যে অন্যকারো ঠোঁটের দিকে ধাবিত হচ্ছে। চুম্বন করার ঠিক আগেই আমি স্মৃতির গালে কষে একটা চড় মারলাম ।

সেই আমার থাপ্পড় খেয়ে ফলাফল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে রইল আর এদিক সেদিক দুলতে লাগলো । আমি বুঝে গিয়েছিলাম সে নেশাজাতীয় কিছু খেয়ে নিয়েছে ।

আমি তার সাথে থাকা ছেলেটাকে খুব মারলাম আর স্মৃতিকে রিস্কা করে তার বাসায় পৌছে দিলাম। সে রিকশা থেকে নেমে কিছু বলতে চাইছিলো । কিন্তু আমি সেটা শুনি নি ঠিক তার পরের দিন আমি টিসি নিয়ে চলে আসি সেই স্কুল থেকে । পুরনো সব রকমের যোগাযোগের মাধ্যম আমি বন্ধ করে দিয়েছিলাম।

  1. আরও পড়ুন – খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 2022
  2. দুষ্টু বউয়ের মিষ্টি অভিমানী ভালোবাসার গল্প 2022

আমি চাইনি আর সেখান ফিরতে। কেননা যে মেয়ে ঠোঁটের স্পর্শে আমি মাতাল হতাম যে মেয়েটা আর যাই হোক আমার তো আর নেই ।
এই ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরলাম । কিছুক্ষন পর আমার বউ তোমার ক্ষিধে পেয়েছে ?চলো সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে?

এখন কয়টা বাজছে?
প্রায় রাত নটা মতো তুমি আজ বিকাল থেকে রুমে শুয়ে আছো তাই আর ডাকিনি?
হুম ঠিক আছে, চলো তবে।

ওদের পরিবারের সকলের সাথে খাবার শেষ করে কিছুক্ষণ গল্প করলাম তারপরে আবার ওর রুমে এসে বসে পড়লাম ।
নিয়মমাফিক রিয়াও সব কাজ শেষ করে রুমে এসে দরজা বন্ধ করে সে ফ্লোরে শুয়ে পড়ল ।

কষ্টের গল্প

আমি বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরে বিয়ে ফুপিয়ে কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম আমি বুঝে নিলাম এটা রিয়া কান্না করছে সে হঠাৎ করে আমার পায়ের উপর হাত রাখলো আর বলতে লাগলো।

বিক্রম তোমার কি মনে আছে আমাদের বাসর রাতের কথা আমি সারা দিন কত স্বপ্ন মনে তোমার জন্য সে রাতের অপেক্ষা করছিলাম আর তুমি হাতে একটা মদের বোতল নিয়ে রুমে প্রবেশ করেছিলে। সেরাতে মাতাল হয়ে তুমি আমার সাথে এক বিছানায় শুয়ে ছিলে ।

সে রাতে আমার কান্না তুমি একটুও বুঝতে চাওনি । শুধু নিজের টাই বুঝেছিলে । সেদিন এর পর থেকে আজ তিন মাস ধরে এক দিনও আমি তোমার সাথে ঘুমায় নি । তুমি আমার সাথে একটা বাড়তি কথা বলে দেখো নি।

তুমি তার কারণটা ভালো করে জানো।
তুমি চাইলে তোমার পছন্দের কেউ থাকলে আর একটা বিয়ে করতে পারো । আমি তোমাকে কখনই মানা করবো না কিন্তু আমি ছেড়ে যাব না কেননা যাবার জন্য আমি তো আসেনি ।

কি আসেনি আর কে ছেড়ে যাবে না এ নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই বুঝলে।
আমরা কি সারা জীবন এমন করে থাকবো।
এই উত্তর ও তোমার জানা ।

অনেক কষ্টের গল্প

তার পর রিয়া আবার হাউমাউ করে কান্না শুরু করল। আর যাই হোক কান্না আমার সহ্য হয় না আমি রিয়ার হাত থেকে আমার পা টা সরিয়ে নিলাম । আর হাঁটতে হাঁটতে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালাম । সে পাগলের মত কান্না করছে তার এই কান্নার সঠিক কারণটা আমার জানা ।

রিয়া আস্তে আস্তে আমার পাশে এসে দাঁড়াল । আমি প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট মুখে নিয়ে বললাম…
তোমার সম্পূর্ণ নামটা যেন কি?

রিয়া রায় চৌধুরী ওরফে স্মৃতি রায় চৌধুরী ।
আমায় ক্ষমা করে দাও বিক্রম । আমি সেদিন আমার বন্ধুদের সাথে মজা করে ড্রিঙ্ক করেছিলাম । যার জন্য আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি ।

তুমি জানো আমি কেন তোমায় রিয়া বলে ডাকি কেন না যখনই স্মৃতি নাম ধরে তোমায় ডাকতে চাই তখনই তোমার সেই অন্য কারো দিকে নিজেকে ধাবিত করার স্মৃতিটা আমার মনে পড়ে যায়।

কষ্টের লাভ স্টোরি

আমাকে এত যেহেতু ঘৃণা করো তাহলে কেন বিয়ে করলে আমায়?
আমিতো তোমায় ভালবেসেছি আর আমি যারে ভালোবাসি । তাকে এত সহজে ছেড়ে দেব এমন মানুষ আমি না তুমি আমার রক্তের শিরায় বসবাস করতে । তুমি আমার অস্তিত্বে মিশে আছো । তাই তোমায় ছাড়া আমার বাঁচা অসম্ভব ।

তাহলে কেন আমার সাথে এমন করছো তুমি ? আমি জানি আমি ভুল করেছি আর সেই জন্য আমি এখনো লজ্জিত আছি।
তুমি আমার সাথেই বাঁচবে আবার আমার সামনে ধুক ধুক করে মরবে ।

ভালোবাসি তো তাই ভালোবাসার কথা রেখেছি আমি ।
আমাকে প্লিজ তুমি মাফ করে দাও সেদিনের ঘটনার জন্য ।

আমার জেদ এখনো কমেনি তাই মাপ এখনো করতে পারবো না । তুমি জানো আমার জেদ কেমন। তাইতো তিন বছর পর ফিরে এসে । তোমার বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছে । তারপর সব নিয়ম মেনে তোমায় বিয়ে করেছি । শুধুমাত্র এই যেদের জন্য ।

হঠাৎ করে বাইরে বৃষ্টি শুরু হল বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাচ্ছি আমরা দুজনে । রিয়া কান্না করছে আর বৃষ্টির শব্দ করে তার অস্তিত্ব জানান দিল । বৃষ্টির সাথে রিয়ার কান্নার ও গতি বেড়ে গেছে । আমি রিয়ার কান্না কখনো সহ্য করতে পারতাম না কেননা আমি তাকে পাগলের মতো ভালোবাসি

ঝুম বৃষ্টির মত আমার চোখে বৃষ্টি শুরু হল । আমি জানিনা এই বৃষ্টির কারণটা কি ? আমি এখনো যখন রিয়ার দিকে তাকায় তখন নিজেকে হারিয়ে ফেলি ? তার সেই মাদকতার দৃষ্টি এখনও আমায় পাগল করে তুলে । কেন যেন রিয়ার কান্না আমার সব জেদ মাটিতে লুটিয়ে পরল ।

কষ্টের প্রেমের গল্প

তাই সেই আগের বিক্রমের মত পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম রিয়াকে । এখন সে আরো জোরে জোরে কান্না করতে লাগল আমি তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে তার কানের কাছে গিয়ে বললাম “ভালোবাসি “।

এবার রিয়া আমার দিকে তাকালো আর আমি তার চোখের আবার নিজের বিম্ব কে আবিস্কার করলাম ।

আস্তে আস্তে তার কম্পিত ঠোঁটে নিজেকে আবার বন্দি করে নিলাম। যতই হোক সে যে আমার প্রিয়তমা তাকে কি করে ছাড়ি বলুন তো হ্যাঁ তাকে আমি খুবই বেশি ভালোবাসি । তার কান্নায় চোখের কাজল পানিতে গড়ালো ।

নিঃশ্বাস যেন বুকে চেপে ধরে আছে কঠোরে আছড়ে পড়ল। অনেক ভালবাসি তাকে সে ছাড়া এই দুনিয়ায় আমার কেউ নাই সেই আমার সব ।

কষ্টের ভালোবাসার গল্প টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের ভালোবাসার অনেক কষ্টের গল্প কাহিনী টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম গল্প পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment