এক বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প -বিয়ের পর কি ভালবাসা কমে যায় 2022

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে বিয়ের পর কি ভালোবাসা কমে যায় এক মেয়ের বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প খুব ছোট কাহিনী 2022 । এক বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প আপনারা জানতে পারবেন এই খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্পতে । তার পর মেয়েটি কি করলো তা দেখতে থাকুন তো বন্ধুরা আমাদের chhota golpo ওয়েবসাইডে আপনাদেরকে স্বাগতম । দেখতে থাকুন এই জীবন কাহিনী কষ্টের গল্প টি আর অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প

কষ্টের গল্প, বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প, বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প, জীবন কাহিনী কষ্টের, খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প, ভালোবাসার গল্প কষ্টের, কষ্টের প্রেমের গল্প, কষ্টের লেখা গল্প, কষ্টের গল্প কাহিনী, জীবনের কষ্টের গল্প, কষ্ট জীবনের গল্প, কষ্টের কাহিনী, প্রবাসীদের কষ্টের গল্প, অনেক কষ্টের প্রেমের গল্প, কষ্টের গল্প ভালোবাসার, প্রেমের কষ্টের গল্প,
বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প

যে হাত দিয়ে কাজ করলে কষ্ট হয় সে হাত থাকার থেকে না থাকলেই ভালো ।
শাশুড়ি তেমন কথায় হাতের যন্ত্রণা থেকে ভিতরের যন্ত্রণা বেশি হতে লাগল সকালে আলুর ভর্তা করার সময় ঝাল গুড়ো করেছিলাম তারপর থেকে হাতটা ধরতে শুরু করলো ছোটবেলা থেকে আমার এমন সমস্যা আছে একটু ঝাল লাগলে আমার হাত জ্বলতে থাকে ।

তখন ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি এনে তাতে হাত ঢুকিয়ে রাখলাম ঘটনাটা চোখে পড়ে আমার শাশুড়ি তার পর থেকে আমাকে তিনি নানান কথা শোনাতে লেগে করলেন তখন আমার দেওর অরুণ এসে বলল…

আহা মা এত চেঁচাচ্ছ কেনো ? হাত জ্বলতেই পারে পারলে সাহায্য করো না পারলে চুপ থাকো। তবু অশান্তি করোনা ।
তখন রাগান্বিত স্বরে আমার শাশুড়ি মা বলে উঠলেন…


আমি কথা বললেই তো শুধু শুধু অশান্তি হয় সাহায্য দরকার সেটা বললেই তো হয় এরকম নাটক দেখানোর তো দরকার নেই । আহ্লাদী হাত, মরিচা ধরতে পারে না । আগে তো মানুষ মরিচ বেঁটে তরকারির রাধতো তাদের তো কিছুই হতো না । এখনকার মেয়েদের যত সমস্যা ।( বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প )

মা সবাই সবকিছুতে ঠিকঠাক না এই যে তুমি যেন আমাদের কখনো বেগুন ভেজে খাওয়াতে না তেলে বেগুন দিলেই তেলচিটে তোমার হাত পড়ে যেত সব সময় ।


অরুণের এই সব কথাই চুপ করে গেল শাশুড়ি মা অরুন আমার পাশে এসে দাঁড়ায় আমি তাকালেই বলে ওঠে…
কই দেখি ভাবি তোমার হাতের কি অবস্থা?
সমস্যা নেই ঠিক আছে তুমি ভার্সিটিতে যাও নাতো তোমার ক্লাস মিস হবে ।
না ভাবি আজ যাব না আজ ছুটি?

বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প

কষ্টের গল্প, বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প, বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প, জীবন কাহিনী কষ্টের, খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প, ভালোবাসার গল্প কষ্টের, কষ্টের প্রেমের গল্প, কষ্টের লেখা গল্প, কষ্টের গল্প কাহিনী, জীবনের কষ্টের গল্প, কষ্ট জীবনের গল্প, কষ্টের কাহিনী, প্রবাসীদের কষ্টের গল্প, অনেক কষ্টের প্রেমের গল্প, কষ্টের গল্প ভালোবাসার, প্রেমের কষ্টের গল্প,
বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প


আজকে তুমি রান্না করছো যে কাজের খালাটা আজকে আসেনি ?
কাজের খেলাটা ছুটিতে আছেন একজন ছুটা বুয়া অনেক খুঁজেও পাওয়া গেল না । এবার একটু বেশি কষ্ট হয়ে যাচ্ছে । আমার বেশ কয়েক মাস হল মা বাবাকে দেখতে যাওয়া হয় না কয়েকদিন ধরে বাবা-মায়ের জন্য ভিতরটা ছটফট করছে ‌ আজ তরুন ফিরলে বলব একবার ও বাড়ি যাওয়ার জন্য ।

তরুণের অফিসের কাজের খুব চাপ যাচ্ছে অবশ্য সব সময় এমন ব্যস্ততার থেকেই থাকে আমার সঙ্গে বসে দুই এক মিনিট কথা বলার সুযোগ ও তার নেই শেষ কবে আমরা মন খুলে কথা বলেছিলাম সেটা ভুলে গিয়েছি । আমার স্বামী তরুণকে বললাম…
তুমি কি কাজ সেরে ঘুমিয়ে পড়বে ?
হ্যাঁ।


তোমার কাজ কখন শেষ হবে ।
কিছু বলতে পারব না তবে রাত হবে অনেক তুমি ঘুমিয়ে পড়ো ।
তোমাকে কপি এনে দিই তাহলে।
হ্যা , হলে তো খুব ভালো হয়। ( বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প )


তরুণকে আমি কফি এনে দিলাম কফির মগে চুমুক দিতে দিতে সার্চে তরুণ মুখ থেকে ধোঁয়া ছাড়তে ধোঁয়া আমার দীর্ঘশ্বাসগুলো মিলিয়ে যাচ্ছে আমি এখন বিছানায় তরুণের জন্য অপেক্ষা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ি ‌। ঘুম ভাঙলে দেখি সূর্যের আলো ঝলমল করছে ।

তরুণকে দেখে তুলি নাস্তা বানায়ে নাস্তা শেষে তরুণ অফিসে ঠোঁটে আবার তারপরে সেই রাতে বাড়ি ফিরে ল্যাপটপের সামনে বসে পড়ে ওর সাথে আমার কথা বলার সুযোগও নেই ‌। অবশ্য তরুণ কখনো জানতেও চাইনা আমার কিছু বলার আছে কিনা ।
বৌমা এদিকে আসো তো।
শশুরের ডাকে রান্নাঘর থেকে সুতরাং তাদের রুমে ।

ভালোবাসার গল্প কষ্টের


কি হয়েছে বাবা কিছু বলবেন?
বৌমা আমার চশমাটা খুঁজে পাচ্ছিনা তোমার শাশুড়ি যাওয়ার পর থেকে তোমার শাশুড়িকে যে ফোন করে জিজ্ঞেস করবো চশমাটা ভুল করে নিয়ে গেল কিনা তাতে ফোনটা বন্ধ বলছে ।

হাহাহাহা বাবা চশমা তো আপনার চোখে ই।
এই দেখো মা বয়স হলে যা হয় তোমাকে রান্নাঘর থেকে ডেকে এনে শুধু শুধু কষ্ট দিলাম।
না বাবা ঠিক আছে আপনার কিছু লাগলে বলবেন এনে দিব।
না কিছু লাগবেনা এখন তুমি যাও। ( জীবনের কষ্টের গল্প )


কলিংবেলের আওয়াজ শুনে দ্রুত হেঁটে দরজা খুলে দেখি অরুণ এসেছে …
তখন তাকে বললাম কি ব্যাপার আজ এত তাড়াতাড়ি যে?
ভাবি মা কোথায়?
সে তো ননদের বাড়িতে গিয়েছে?


আপার বাসায় গেল কখন?
সকালে কেন কিছু লাগবে জরুরী দরকার?
তোমার কাছে কিছু টাকা হবে বৌদি?
কত টাকা মত?
হাজার তিনেক ! শ্রাবন্তির জন্মদিন আজ হাতে টাকা খুবই কম ।

আচ্ছা দাঁড়াও ।আমি দিচ্ছি তুমি বস।
টাকা এনে দিবি খুশিতে গদগদ হয়ে উঠল মাহির বের হওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন আমি বললাম…
আমি এক গ্লাস সরবত এনে দিচ্ছি খেয়ে যাও।
ধন্যবাদ ভাবি শরবত আর দরকার নাই ।


হন্তদন্ত হয়ে চলে গেল অরুণ । শ্রাবন্তির জন্মদিনের কথা শুনে মনে পরল আমার জন্মদিনের কথাগুলো বিয়ের প্রথম বছর গুলো তরুণ সহ পরিবারের সকলে মিলে কত আয়োজন করে জন্মদিন পালন করা হতো ‌।তারপর ব্যস্ততার কবলে আর সময় হল না তরুণের ।

কষ্টের গল্প কাহিনী

আর এখন তো তাদের মনে থাকেনা কবে জন্মদিন যায় আর আসে জন্মদিনের সঙ্গে আমাদের বিশেষ দিনগুলো তলিয়ে গিয়েছে আমাদের এত বেশি আড়ম্বরপূর্ণ জীবন যাপনে দরকার নেই যা আছে এতে সুখ আছে । আমাদের এখন দরকার দুজন দুজনাকে সময় দেওয়া ।


এই কথাটা আমি তরুণকে যতবারই বোঝাতে গিয়েছি ততবার ই ঝগড়া হয়েছে তাই এখন আর কথা গুলো তুলি না অবশ্য এখন ঝগড়া করার মত সময় তরুণের হাতে নেই । ফেসবুকের নিউজ ফিডে যখন বান্ধবীদের পরিবার নিয়ে ঘোরাঘুরি করার ছবি ভেসে বেড়ায় ।


আমার ভেতরটা তখন ভারী হয় লম্বা নিঃশ্বাস ছাড়ি । তারপর একটা মলিন হাসি দিয়ে ছবিতে লাভ রিয়েক্ট দিয়ে সুন্দর কিছু মন্তব্য করে দিই । ওরা ভাবে আমিও বেশ আছি ব্যস্ত তরুণের সঙ্গে আমার বের হওয়া হতো যখন তরুণের সহকর্মীদের বাসায় কিংবা অফিসে কোন পার্টি থাকতো । ( বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প )

আমার অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তনু সঙ্গে করে আমায় নিয়ে যেত তাকে অনেক বোঝাতাম আমিও এইসব মানানসই নাম আমার এসব ভালো লাগেনা অস্বস্তি লাগে । প্রথমে কানে না তুললেও বেশ কয়েকবার ঝগড়াঝাঁটি হওয়ার পরে এখন সব পার্টি নামক অস্তি থেকে মুক্তি মিলেছে আমার ।


শাশুড়ি তার মেয়ের বাসায় গিয়েছেন বেশ কয়েকদিন হল তাঁকে আসার জন্য বললে তিনি বাকানো কণ্ঠে বলেন…
এ বাড়ি এসে আমি কি করবো ? এ বাড়িতে আমার নাতি নাতনি আছে ভালো লাগে, ও বাড়িতে তো আমার দাদী বলে ডাকার মতো কেউ নেই ?

জীবনের কষ্টের গল্প

আমাদের বিয়ে হয়েছে সাত বছর হয়েছে এখনও অবধি আমি মা হতে পারিনি এত কষ্ট তার চেয়ে আমার ভেতরে ভেতরে আমাকেও কাঁদায় । শাশুড়ি মা হয়তো বুঝতেও পারেনা । তরুণকে অনেকবার বলেছি দুজনে মিলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য কিন্তু তরুণ কানেই তোলে না এইসব কথা ।


পরে বাধ্য হয়ে আমি একাই গিয়েছিলাম রিপোর্ট খারাপ কিছুই আসেনি সবই ঠিকঠাক ডাক্তার বললেন তরুণ কে নিয়ে আসার জন্য তুরিন যাব যাব করলেও তার যাওয়ার সময় আর হয়ে ওঠে না এখন তাই বলা ও ছেড়ে দিয়েছি ।

আমার শাশুড়ি দীর্ঘ বাচ্চা বিশ্বাস বাচ্চা না হওয়ার সমস্যা আমারই সুযোগ পেলে কথাগুলো শুনেয়ে বসেন ‌ আমি কানে তুলি না পড়াশোনার জীবনে কখনো কোনো মানুষকে কাছে ঘেষতে দেয়নি । নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছে ছিল প্রবল ।
পড়াশুনা শেষ করতে বাবা সুপাত্রের খোঁজ পেয়ে একদিন বলে বসে বিয়ের পরে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় বিয়েটা হয়ে যায় কিন্তু বিয়ের পরে প্রতিদিন আমি তরুনের প্রেমে পড়তে থাকি ।

সে ভালোবাসায় ভরিয়ে রাখত আমায় এতো ভালোবাসা পেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছেটাকে মাটি দিয়ে দিই তরুণ কথায় । তরুণ প্রতিদিন তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতো, দুপুরে খেতে আসে আমার সঙ্গে নাস্তা করেই বের হতো । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )


সারাদিন একটু পর পর ফোন দিয়ে খোঁজ নিত আচমকা ভালোবাসি বলে উঠতো মাঝে মাঝে মাঝে এসে চমকে দিত চোখ ভরা দুষ্টুমি আমার চোখে চোখ রেখে বলতো “তৃষ্ণা,” আমার ভীষণ তৃষ্ণা পেয়েছে ।

লজ্জায় লাল হওয়া আমি তখন পালাতে চাইতাম তরুণ আমায় শক্ত করে ধরে বস্তু পালানো আর হতো না আমার সময় তখন দিব্যি কেটে যেত টের পেতাম না । আর এখন সময় কাটেনা ,একটা মুহূর্ত একটা দিন মনে হয়।


পুরনো সেই মধুর স্মৃতি মনে পড়লে ঠোঁটের কোনে হাসি জেগে উঠলে পরক্ষণে বিষাদ নেমে আসে চোখ মুখ জড়িয়ে । শ্বশুর শাশুড়িকে বলে-কয়ে রাজি করানো তারপর শ্রাবন্তীকে একদিন বাসায় নিয়ে এলো শুভ বেশ হাসিখুশি মেয়েটা ।
তাকে দেখে বাড়ির সকলের বেশ পছন্দ হলো তরুণ ফিরলে বললাম…
জানো শ্রাবন্তী বাসায় এসেছিল ভীষণ মিষ্টি দেখতে মেয়েটা।

কষ্টের প্রেমের গল্প

শ্রাবন্তী কে?
তরুণকে শ্রাবন্তীর কথা এর আগে অনেকবার বলেছি কিন্তু তরুণ ভুলে গিয়েছে আর এইভাবে ভুলে যাওয়া সংসারের সব। আমি আর কথা না বাড়িয়ে বললাম তোমাকে বরণ এক কাপ চা করে দিন বাবা মা ফোন করে তরুণ কে নিয়ে খুব করে যেতে বলেছেন । তরুণ কে বললাম যাওয়ার কথা ।


তরুণ বিগত দিনের মতো বললো গাড়ি পাঠিয়ে দেবো আমি যেন চলে যাই বিয়ের পর স্বামী ছাড়া একা কোথাও গেলে লোকজন জানতে চাই বর কোথায় সে কেন আসেনি বাচ্চা কবে নিবি এখনো কেন নিচ্ছিস না ইত্যাদি ইত্যাদি । এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি আমি ।


তরুণকে ছাড়া আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব আমন্ত্রণে সব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হয় আমাকেই । সকলের সামনে জোড় করে মুখটা হাসি হাসি রেখে বোঝাতে হয় আমি বিবাহিত জীবনে খুব সুখে আছি।
তরুনের কথা জিজ্ঞেস করলে হাসিমুখে ব্যস্ততার অজুহাতে দাঁড় করাতে হয় ।

বাচ্চার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে “চেষ্টা করেছি” বলে কতবার এড়ানো যায় সমস্যা কার ডাক্তারের কাছে কেন যাচ্ছিস না এমন অনেক প্রশ্ন জঢড় হয় এখন। এখন তাই বেশি লোকজন আমার বিরক্ত লাগে ! তাই বুদ্ধি করে এড়িয়ে চলতে হয় প্রসঙ্গত এই সবে আমি এখন খুব ক্লান্ত । দিনশেষে তবুও যদি তরুণ আমায় বুঝতো । ( প্রবাসীদের বাস্তব বিবাহিত জীবনের খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প কাহিনী )


না পাওয়ার আক্ষেপ অবহেলা হাহাকার শূন্যতা চোখের জল দিনদিন সবকিছুই বিষাক্ত করে তুলছে আমাকে ভালো থাকার মিথ্যে অভিনয় আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে আমার এখন একটু বিশ্রাম দরকার তাই তরুণ এর থেকে অনুরোধ করে হলেও একটু সময় নিয়ে তরুণ কে বোঝানো দরকার ।

মেলে ধরা দরকার আমার ভেতরটা এভাবে আমি আর পারছিনা হতাশায় তলিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত । দেখতে দেখতে দশ বছর ঘনিয়ে আসছে সাংসারিক জীবনে । সংখ্যাটা দশ বলে এবার বাড়ির সবাই বেশ উৎসাহ দিন তাকে সুন্দর ভাবে উদযাপন করার জন্য তরুণ নিজে থেকেই জিজ্ঞেস করলো…


বল ,এই বিবাহবার্ষিকীতে কি চাও তুমি আমার কাছে?
আমি চাইলেই কি তুমি দিবে ?
অবশ্যই দিব বল কি চাই?
শুধু তোমায় চাই তোমার থেকে কিছুটা সময় চাই দিবে?

প্রেমের কষ্টের গল্প


তরুণ মুচকি হাসল এই হাসিটা আমি দেখি না অনেক বছর কাছে এসে বলল…
আচ্ছা ঐদিন আমি তোমার তোমার জমানো যত গল্প আছে আমি শুনবো ।
তার এই কথাগুলো বিশ্বাস হতে কষ্ট হলেও তার কথায় একটু আশ্বাস পেলাম । অবিশ্বাস করতে মন চাইলো না খুশিতে হেসে উঠলাম । তখন তরুণ বলল…
এবারের বিবাহ বার্ষিকীতে পারিবারিকভাবে কেবল পরিবারের লোকজন মিলে আয়োজন করে পালন করা হবে ।


শুনে আমারও ভালো লাগলো সবাই মিলে কতদিন একসঙ্গে বসা হয়না কথা হয়না পরিবারের সবার জন্যই সবার কত কথা থাকে শুধু সঠিক সময় টা আছে না বলেই বলা হয় না । তরুণকে ‘ভালোবাসি’ বলা হয়না কত বছর ভিতরে দূরত্ব কমাতে হবে এবার।

সব শূন্য স্থান গুলো এবার সব আস্তে আস্তে পূরণ করতে হবে এবার সত্যিই ভেতর থেকে ভালো থাকতে হবে তরুণ অনেকদিন চোখে চোখে রাখে না দুষ্টুমি করে বলেনা – তৃষ্ণা আমার ভীষণ তৃষ্ণা পেয়েছে ? বাড়িতে আয়োজন করে রান্নাবান্না হচ্ছে সবার পছন্দের রান্না আজ করা হচ্ছে । ( প্রবাসীদের বাস্তব বিবাহিত জীবনের খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প কাহিনী )

তরুণের পছন্দের সব রান্না আমি নিজে হাতে যত্ন সহকারে করলাম দুপুরে একসঙ্গে খেতে বসলো সবাই তারপর সবাই মিলে গল্পের আসর জমানো হবে ।
আজ আর শাশুড়ি মা কোন কাজে ত্রুটি খুঁজলেন না হাসি হাসি তার ।


দুপুর গড়িয়ে বিকেল কিন্তু তরুণ এলো না ফোনটাও তার মতোই ব্যস্ত সবার খাওয়া শেষ । আমার কেবল অপেক্ষা এই বুঝি এলো বলে বিকেল, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত, রাত আরও গভীর হয় । সবাই ঘুম তলিয়ে গেছে আমার কেবল অপেক্ষা চলে এলো বুঝি ।


একসঙ্গে খাবো বলে দুপুর থেকে সেই অপেক্ষা করছি আমার খিদে তাও তলিয়ে গেছে রাতের গভীরতাই ঠিক তখনই তরুণ এর ফোন তাড়াহুড়ো করে ফোনটা রিসিভ করতে গিয়ে ফোনটা ফ্লোরে পড়ে গেল তবুও ফোন কল বেজে চলছে রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বললো ….

খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প

কষ্টের গল্প, কষ্টের ভালোবাসার গল্প, কষ্টের ভালবাসার গল্প, খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প, ভালোবাসার গল্প কষ্টের, কষ্টের লাভ স্টোরি, অনেক কষ্টের গল্প, ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী, কষ্টের প্রেমের গল্প,
খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প

তৃষ্ণা অফিসের জরুরী কাজে আমি শহরে যাচ্ছি ফিরতে 2-3 দিন লাগবে ! আমার জন্য চিন্তা করো না ঘুমিয়ে যেও ।
আমার থেকে কিছু শোনার অপেক্ষা আছে তরুণের অনেক বছর পরে আজ তরুণ নিজের কথা শেষ করে আমাকেও বলার সুযোগ দিচ্ছে । অথচ আজ আমার সুযোগ চায় না ফোনটা সুইচ অফ করে দিলাম । তরুণের সহজ-সাবলীল কথাগুলো আমার ভেতরটা আগুন জ্বালিয়ে দিলো ।


স্বপ্ন ওড়ানো আগুন চোখ থেকে কপালে বাধাহীন অশ্রু বয়ে চলেছে চিৎকার করে কান্না করে গেল এক বছরে পুষে রাখা বুকের ভেতর শক্ত পাথর টা হয়তো আবার ভাঙচুর হত । আশেপাশের অন্ধকার জানিয়ে দেই আমার শূন্যতার কথা । একটু পরে ভোরের আজান হবে মসজিদে প্রবেশ করবে মুসলিমগণ ।

রাস্তাঘাটে আধো আধো আলো থাকবে সেই আলোর গায়ে মেখে আমার প্রস্থান হবে দূরে বহুদূরে 450 এখনো শহরের ঘুম ভাঙ্গেনি ঘুম ভাঙ্গেনি এবারের লোকের । চললাম আমি নতুন ব্যস্ততা ছুঁতে । এবার শুরু হোক আমার ব্যস্ততা । পেছন থেকে কেউ একজন ডাকলো…


তৃষ্ণা দাড়াও ‌….
আমি রাস্তার মাঝ পথেই দাঁড়িয়ে রইলাম পিছন ফিরে তাকানোর ইচ্ছে হল না হঠাত তরুণের কন্ঠস্বর ভেসে এলো ।
আমায় সঙ্গে নিয়ে যাও না হলে থেকে যাও তোমাকে আমার বড় প্রয়োজন ।
আমার ভেতরটা মোচড় দিলো পিছন ফিরে তাকালাম দেখি অন্ধকার কেউ নেই আশেপাশে ।

মস্তিষ্ক সজাগ হয়ে উঠে খবর পাঠাল এইসব রব আমি পথ চলতে লাগলাম বারবার মনে হচ্ছে পিছন থেকে প্রত্যাশিত সেই কণ্ঠস্বর আওয়াজ, “ভালোবাসি” ।
আমি পিছন ফিরে আর তাকাই না জানি কিছু নেই শুধু শূন্যতা মনের ভিতর শক্ত করে গেঁথে নিই । সে ফিরবে না । সে ডুবে আছে ব্যস্ততায় ।

তো বন্ধুরা বিবাহিত জীবনের কষ্টের গল্প 2022 টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম বাংলা জীবন কাহিনী কষ্টের গল্প পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

3 thoughts on “এক বাস্তব জীবনের কষ্টের গল্প -বিয়ের পর কি ভালবাসা কমে যায় 2022”

Leave a Comment