পিচ্চি মামাতো বোন যখন বউ – PART 2 । বাসর রাতে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প | রোমান্টিক প্রেম ভালোবাসার গল্প

 

Table of Contents

              বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


*হ্যালো বন্ধুরা আমি এই পোস্টে আপনাদের কে একটা সুন্দর বাসর রাতে বিয়ে রোমান্টিক গল্প দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসা প্রেমের কাহিনী রোমান্টিক মিলনের গল্প শোনাতে চাই । আমি আপনাদের প্রথম রাতের অভিজ্ঞতা বা রোমান্টিক প্রেমের ফুলশয্যার গল্প শুনাতে চাই । তো শুনতে থাকুন ।বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প বা  বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প শুনতে থাকুন ৷

 আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ । যদি part 1 টা না দেখে থাকেন তাহলে CLICK HERE রোমান্টিক ভালোবাসার রাত এর PART 2 ছোট গল্প শুনাতে থাকুন। প্রথমে যান Part 1 টা দেখে আসুন ।



 মা:– ভাবনা তুমি যেয়ে খাটে বসো রাহুল একটু বাইরে আয় তো | 

রাহুল:– হ্যাঁ বলো কি বলছিলা ।

মা:– তুমি এটা ভালো করে জানো যে তোমার এখন অনেক বড় তাই তাই আমাকে তোমাকে নতুন করে কিছু বলে দেওয়ার কথা নয়। তুমি অনেক বড় হয়ে গেছো তবে মনে রেখো ভাবনা কিন্তু এখনো অনেক ছোট তাকে সব বুঝিয়ে পরিয়ে নিতে হবে তোমাকেই।

রাহুল:– হ্যাঁ আমি এটা তো বুঝলাম আর কিছু বলবে।

মা:–আমি এটা জানি যে আমি জোর করাতে তুমি ভাবনা কে বিয়ে করেছে অবশ্য আশা করবো যে ভাবনা তোমার থেকে কোন ধরনের কষ্ট না পাক ওকে সুখে রাখার দায়িত্ব তোমার এবার যাওয়ার সময় ভাবনা তোমার সাথে যাবে আর ওর ইস্কুলের সব আমি রেডি করে রেখেছি এখন যেতে পারো তোমার ঘরে ।

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রাত,রোমান্টিক বাসর রাত,বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক গল্প বিয়ে,বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প,বাংলা রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক বাসর রাত,

বাসর রাতে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 

রাহুল:– ওকে নিয়ে যেতে হবে মানে আম্মু তুমি জানো না আমি একটা কোম্পানিতে কাজ করি  । ওর ওখানো সেরকম বুদ্ধি হয়নি যে আমি ওকে একা বাসায় রেখে কাজে যেতে পারবো।

মা:– ওসব তোমরা বুঝবে বিয়ে করেছো এতদিন পরে বাড়ি আসছো কখনো মেয়েটার খোঁজ নিয়েছো মেয়েটা কেমন আছে কি করছে মেয়েটা এরকম কখনো মনে না হোক যে তোমার সাথে বিয়ে দিয়ে আমি মেয়েটার অনেক বড় ক্ষতি করেছি যে তার মনে হয় যে তোমার সাথে বিয়ে না করে থাকায় ওর ভালো ছিল যাওয়ার একটাও কথা নয়।

রাহুল:– তারমানে তোমরা সবাই রেডি হয়ে আমাকে এখানে নিয়ে এসেছো।

মা:– তোকে তোর ঘরে যেতে বললাম না যা এখান থেকে ভাবনা তোর জন্য অপেক্ষা করছে।

রাহুল:– চলে আসলাম রাগে গজগজ করতে করতে রুমে।

 ভাবনা:- রাহুল দা রাহুল দা কি হয়েছে তোমার।

 রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 


রাহুল:– এই মেয়ে আর একবার দাদা বললে তোর মুখ ভাঙ্গা ফেলে দেবো ।  কি বলবি বল?

 ভাবনা:- এ্যা এ্যা রাহুল দা তুমি আমাকে বকছো ? আমি পি্সিকে বলে দিব এখনি? দাড়াও…

রাহুল:– পিচ্চি মেয়েটা দেখছি কিছুই বোঝে না বলতে যেতে লাগল আমি নিজেকে শান্ত করে ওর হাতটা টেনে ধরি সরি তুমি বল কি বলবি?

 ভাবনা:- তোমায় প্রণাম করবো কিন্তু তুমি তো পা উঠিয়ে বস আছো একটু দাড়াও না।

 রাহুল:– আমি মুচকি হাসি। তারপর দাঁড়ালাম এবার কর যতক্ষণ ইচ্ছা।

 ভাবনা:-  তুমি উঠবা না।

রাহুল:–  ধরে উঠলাম কে বলেছে এগুলো তোকে কে  করতে বলেছে ।

  ভাবনা:- ফুপি বলেছে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে।

রাহুল:– আর কিছু বলেছে তোকে?

  ভাবনা:- না শুধু করতে বলেছে আজ আমাদের বাসর রাত। তুমি যা বলবে সব যেন শুনি আর আমাকে বকলে ফুপিকে বলে দিতে বলেছে।

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রাত,রোমান্টিক বাসর রাত,বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক গল্প বিয়ে,বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প,বাংলা রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক বাসর রাত,

 ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প 


 রাহুল:– হুম,যা যেয়ে ঘুমিয়ে পড়ো আমিও ঘুমাবো আর মোটেও ডিস্টার্ব করবি না ।  আমি অনেক ক্লান্ত আছি আমি শুয়ে পড়ে দেখি সেও শুয়ে পড়েছে ।   বলছি যে এই শাড়ি পড়ে ঘুমাতে পারবি তুই যা চেঞ্জ করে আয় এমনিতেই এটা নিয়ে নড়তে পারছিস না ।

  ভাবনা:- আচ্ছা যাচ্ছি ।

 রাহুল:– শোন ওই দারা এতক্ষণ তোর ফুফু মানে আমার মাদার ইন্ডিয়া ঘুমিয়ে পড়েছে তাই এটা রেখে দে পরে পরিছ। এখন যা যেটা সব সময় পরিস সেটা পড়ে চলে আয়। আমি ওকে না বলে চকোলেট বক্স টা ওর শোয়ার আর জায়গায় রেখে দিলাম । তারপর আমি চোখ বন্ধ করে কি করে সেটা দেখার জন্য ওয়েট করছিলাম। ভাবনা ফ্রেশ হয়ে এসে সকলের দেখে খুশীতে লাফাতে লাগলো। আমি এক চোখ অল্প একটু খুলে দেখতে থাকি ও তাকাতেই চোখ বন্ধ করে নি শুনতে পাচ্ছি পিচ্চি একা একা কি বলছে।

 ভাবনা:- আর রাহুল দা টা খুবই ভালো। প্রতিবার আসার সময় আমার জন্য চকলেট আর  কেক নিয়ে আসে । কিন্তু আজকে তো এসে কিছুই দেয়নি ভেবেছিলাম এবার বউ হয়েছি বলে ।  সেই জন্য মনে হয় কিছু আনতে নেই । কিন্তু না এনেছে ।  ইস বড় রাহুলদা টা তুমি অনেক ভালো অনেক ভালো । 

 বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 


রাহুল:– আমি মনে মনে হাসছি ।  কি টাইটেল তার কাছে আমার বর রাহুল দা  । হ্যাঁ হ্যাঁ । ভাবনা পাশে এসে শুয়ে পড়ে । আমি ওর কোমরে হাত দিয়ে কাছে টানন দিতে ওহুড়মুঢড় করে উঠে বসে আমি ভাবছি ভুল করেছি কিছু? আমি উঠে বসি ।

  ভাবনা:- রাহুল দা  তু তু তুমি ধরছো কেন আমায় ? আমার কাতুকুতু লাগছে । 

রাহুল:– আমি কোল বালিশ ছাড়া কিন্তু একটুকুও ঘুমাতে পারিনা আর আজ তুই আমার কোলবালিশের জায়গায় শুয়ে আছিস তাই তোর আমার আজ থেকে কোলবালিশ হতে হবে বুঝেছো। 

 ভাবনা:- এ্যা

রাহুল:– হ্যাঁ ‌। বলে ওকে জোর করে টেনে ওর পিঠ আমার বুকের সাথে লাগিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ি ।  আরো ও নিজেকে ছুটানোর জন্য অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়ে। 

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রাত,রোমান্টিক বাসর রাত,বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক গল্প বিয়ে,বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প,বাংলা রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক বাসর রাত,

 ভাবনা:- ও রাহুল দা আমাকে ছাড়ো না আমার কেমন জানি লাগছে । 

রাহুল:– তোকে বললাম না ডিস্টার্ব করবি না এখন চুপচাপ ঘুমোও। 

 ভাবনা:- আরে এভাবে তো আমার ঘুম আসেনা । 

রাহুল:– না আসলে নাই আমার কাছে ঘুমাতে বলে আমার কোলবালিশ হতেই হবে টুনি তোমাকে । 

ভাবনা:- হুম।

 রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প 

রাহুল:– আমাদের এখন বিয়ে হয়েছে তোকে এখন অনেক কিছু করতে হবে বুঝেছিস।

 ভাবনা:- আমাদের এখন বিয়ে হয়েছে কই আমাদের তো সেই কবে বিয়ে হয়েছে।  তুমি চলে যাওয়ার অনেক আগে।

রাহুল:– আমি মনে মনে বলি হে ভগবান কারে কি বোঝাতে চাইছি তারপর হ্যাঁ আমাদের সেই কবে বিয়ে হয়েছে আর বিয়ে হলে কি কেউ স্বামীকে ভাইয়া(দাদা ) বলে বল?

 ভাবনা:- তুমি তো আমার দাদা হও।

রাহুল:– দেখেছিস কখনো তোর মা কখনো তোর বাবাকে দাদা বলে ডাকে?

 ভাবনা:- নাহ বলেনা তো ।

রাহুল:– আমার মা বাবাকে কোনদিন দাদা বলে ডাকে তাহলে তুই তো আমার পিচ্চি বউ আমাকে কেন দাদা বলে ডাকছিস?

 ভাবনা:- আরে তোমার মত না পিসি আর পিসা ভাইয়া হয় না তুমি তো আমার ভাইয়া হও ?

 রাহুল:– হাই ভগবান কাকে কি বুঝাতে চাইছি বলছি যে দাদা  হই বা আর যাই হোক তুই আমাকে দাদা বলে ডাকতে পারবে না ।

 ভাবনা:-  তাহলে তোমাকে কি বলে ডাকবো রাহুল দা।

রাহুল:–  তোর কি আমাকে দাদা বলে না ডাকলে শান্তি নেই আমাকে হয় শুধু রাহুল বলবি না হয় কিছু না আর একেবারে ভাইয়া বললে তোর মুখের মেরে থোবরা চেঞ্জ করে দেব । 

 ভাবনা:- না না আর তোমাকে দাদা বলে ডাকবো না কিছুনা!

রাহুল:– কিছু না মানে কি ?

 ভাবনা:- আরে তুমি তো বললে রাহুল আর না হলে কিছু না ডাকতে ? রাহুল বলে কি ডাকা যায় তুমি আমার থেকে কত বড় । তাই তো কিছু না বলে ডাকছি ।

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রাত,রোমান্টিক বাসর রাত,বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক গল্প বিয়ে,বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প,বাংলা রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক বাসর রাত,

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প

রাহুল:– হে ভগবান তুমি আমাকে কার কপালে ফেললে।  এই শোন  আমাকে শুধু আর শুধুমাত্র রাহুল বলে বলবি না হলে অন্য কোন নামে ডাকবেনা । নাম ছাড়া কথা বলবি ।  আজকের পর থেকে ভুলে যাবে তোর রাহুল নামে কোন ভাইয়া ছিল একটা ও। 

 ভাবনা:- ভুলে যাব কি যে বলোনা তুমি?

রাহুল:– হুমম যাবি ?

 ভাবনা:- কিন্তু তুমি তো আছো তাহলে ভুলবো কি করে আমাকে বলে দাও?

রাহুল:– উফফ তোকে কিছু দিয়ে বোঝা যাবেনা তুই পিচ্চি মেয়ে একটা । 

 ভাবনা:- কেন কি করবা আমাকে দিয়ে?

রাহুল:–  তুই সত্যিই কি এত ভোলা নাকি না একটিং করছিস ক্লাস টেন এ পড়িস তো তোর কথা শুনে মনে হচ্ছে না এতটা ডাফার কেউ কি করে হতে পারে ? আমি তো বুঝতে পারছি না। 

 ভাবনা:- তুমি আমায় ডাফার বলছো ?😌😌😌

রাহুল:–ওই এদিকে ঘোর।  বলে ওকে আমার দিকে ঘোরালাম কি চাস কি তুই ? তোকে সামান্য একটু কথা বলছি আর তুমি সেটাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস বল দেখি ?

ভাবনা:-  তো তুমি এত রেগে কথা বলছো কেনো ? আ আমি কি বলেছি ?

       তে বাসর রাতে এই রোমান্টিক গল্পটি আপনাদের কেমন লাগলো নিচে কমেন্ট জানাতে কিন্তু ভূলবেন না । পরবর্তী PART 3 দেখতে ভূলবে না । 

আগের Part 1 দেখতে ভূলবেন না । 

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment