বকাটে ছেলের পুলিশিনী বউ – এক শিক্ষনীয় ছোট গল্প 2022

হ্যালো বন্ধুরা আজকের গল্পটি হচ্ছে বকাটে ছেলের পুলিশিনী বউ -এক শিক্ষনীয় ছোট গল্প টি আপনাদের কেমন লাগছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন যদি চান তো অবশ্যই পর্ব 02 আপনারা দেখতে পাবেন ।

ও আমার স্বামী হয়েছে তো তাতে কি হয়েছে আমি 24 ঘন্টার মধ্যে আপনার সামনে আসামী হাজির করবো অন্যতা আমি চাকরি ছেড়ে চলে যাব ।
ঠিক আছে ম্যাডাম তাই যেন হয় তোমার উপর আমার সেই টুকুও ভরসা আছে যে তুমি আসামিকে আমার হাতে ধরিয়ে দিতে পারবে তুমি তোমার কাজে জটপট লেগে পরো ।

এস আর আপনি শুধু আমার জন্য দোয়া করবেন 24 ঘণ্টার মধ্যে আসামি যদি পাতালের লুকিয়ে থাকে । তারপরও আমি তাকে আপনার সামনে এনে হাজির করবো ।এই বলে আমি থানা থেকে বেরিয়ে আসলাম । আমি জীবনে খাগড়াছড়ি বাগান বাড়ির দিকে যাচ্ছি কারণ এই সময়ে অমিতের বাগানবাড়িতে থাকারই কথা কারন আমি জানি যখন সময় খারাপ যায় তখন সে বাগান বাড়িতে গিয়ে পার্টি দেয় । তাই ওকে ধরতে আমার ওখানে যাওয়াটা বেশ হবে । তাই আমি একমনে গাড়ি চালাচ্ছি হঠাৎ দেখলাম রাস্তার মাঝখানে অনেকগুলো লোক ভিড় জমিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ।

আমি গাঁড়ি দাঁড় করিয়ে সেখানে কি সেটা দেখার জন্য অগ্রসর হলাম সেখানে গিয়ে দেখলাম একটা বাচ্চা মেয়ের একসিডেন হয়েছে মেয়েটাকে অজ্ঞান হয়ে গেছে রাস্তায় পড়ে আছে । চার পাশে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় শত মানুষ কিন্তু কেউ বিন্দুমাত্র হেল্প করছে না । আমার গায়ে পুলিশের ইউনিফর্ম পরা দেখে লোক গুলো একদম চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে কেউ কোনো কথা বলছে না । আমি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন কে উদ্দেশ্য করে বললাম কি ব্যাপার একটা বাচ্চা মেয়ে অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে রাস্তায় পড়ে আছে কিন্তু আপনারা কেউ তাকে কোনরকম সাহায্য করছেন না যে সেখানে থাকা মানুষগুলো আমাকে আর উত্তর দিল,

Read more post – শিক্ষনীয় মজার গল্প শিক্ষনীয় গল্প


পুলিশ আপা মেয়েটাকে আমরা চিনি না আর অ্যাক্সিডেন্টের ব্যাপার,, আমরা কেউ মেয়েটাকে সাহায্য করার জন্য সাহস পাচ্ছিনা ওদের কথা শুনে আমি হতবাক একটা বাচ্চা মেয়ে অ্যাক্সিডেন্ট করে রাস্তায় পড়ে আছে ওই মেয়েটার খুব জরুরী চিকিৎসা দরকার আমি এই সব চিন্তা বাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি মেয়েটাকে টান দিয়ে কোলে তুলে নিলাম । তারপর জিপি নিয়ে বসালাম সিট বেল্ট বেঁধে দিয়ে আমি গাড়িটাকে উল্টোদিকে বেরেক করে কারণ মেয়েটাকে নিয়ে এখন যেতে তারাতারি সম্ভব হাসপাতালে যাওয়া দরকার।

বকাটে ছেলের পুলিশিনী বউ

বকাটে ছেলের পুলিশিনী বউ, পুলিশিনী যখন বউ, পুলিশীনী বউ


প্রায় আধঘন্টা মত সময় লাগলো হসপিটালে পৌঁছাতে আমি মেয়েটাকে নিয়ে এমার্জেন্সি আমার একজন পরিচিত ডাক্তারের কাছে চলে আসলাম ওনার কেবিনে এসে আমি সবকিছুই উনাকে বললাম এবং চিকিৎসা দেওয়ার কথা বললাম আমার কথামতো 5 মিনিটের মধ্যে মেয়েটা টিটমেন্ট শুরু করে দিলেন উনি আমি ডাক্তার ফরেজ রহমানের চেম্বারে গিয়ে বসে । আছি প্রায় এক ঘন্টা ধরে মেয়েটার ট্রিটমেন্ট চলছে কিছুক্ষন পর ডাক্তার উনার কেবিন থেকে আসলেন । আমি উনার কাছে মেয়েটার বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলাম উনি বললেন মেয়েটা নাকি এখন আগের চেয়ে অনেক ভাল আছেন আমি মনে মনে অনেকটা সান্ত্বনা পেলাম ।


তারপর আমি ওনার কাছে আমার মোবাইল নাম্বার দিয়ে বললাম মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে আমাকে ফোন করে জানাবেন এবং যদি কেউ মেয়েটার খোঁজে আছে তাহলে ও আমাকে ফোন করে বলতে তারপরে আমি এখান থেকে বেরিয়ে পড়ি আবার গাড়ি নিয়ে খাগ্রাছাড়ি বাগান বাড়ির দিকে রওনা হলাম । সেই ফাঁকে আপনাদের কাছে আমাদের পরিচয়টা দিয়ে দিই আমার নাম নীলিমা সবাই আদর করে নীলা বলে ডাকে । বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান আমার জন্মের পর বাবা মারা যায় তারপর থেকে মা আমার দেখাশোনা করে আর যাকে ধরার আনার জন্য যাচ্ছি ওটা আমার স্বামী অমিত তার বাবা এই দেশের একজন নামকরা বিজনেসম্যান ।

টাকাপয়সা অর্থ-সম্পদ যশ-খ্যাতি কোন কিছুর অভাব নেই ওর জীবনে আর এই নষ্ট হওয়ার পেছনে হয়তো এই জিনিসগুলো সবথেকে বেশি দামি সে এখন এই দেশের নামকরা একজন স্মাগলার । আইনের আওতায় তুলে দেওয়ার জন্য সারাদেশ এখন ওর পেছনে লেগে আছে অনেক কথা বলে ফেললাম । এবার মূল গল্পে ফেরা যাক খাগড়াছড়ি বাগানে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘন্টা মত আমার সময় লাগলো । আমি সেখানে পৌছে দেখি বারে মেইন গেট খোলা আছে আর ভিতরে সাউন্ড বক্স এর আওয়াজ শোনা যাচ্ছে তার মানে অমিত আজও এখানে পার্টি দিচ্ছে ।

যাইহোক অমিতকে আজও এখানে পাওয়া যাবে আমি খুশি মনে সেখানে ঢুকলাম আমি বাড়ির ভেতরে ঢুকে দেখি অনেক ছেলেমেয়ে নিয়ে অমিত গান-বাজনা আর মদ্যপানে ব্যস্ত এখানে সব মেয়েরা ছোট ছোট জামা পড়ে আছে ছেলেরা মেয়েগুলোকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে। ওদের সবকটাকে আজকে জেলে পুরতে হবে ওরা যাতে আমার উপস্থিতি টের না পায় এর জন্য আমি চুপিসারে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে বাড়ির মেইন গেটের সামনে তাঁরাই খাগড়াছড়ি থানায় ফোন করলাম সেখান থেকে আমাকে কিছু পুলিশ মনোনয়ন করার জন্য আবেদন করল ওরা বললো 10 মিনিটের মধ্যেই ঠিক পৌঁছে যাব আমরা ।

বকাটে ছেলে

আমি সেখানে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম আর চার দিকে চোখ রাখতে থাকুন যাতে একটা মানুষ এখান থেকে পালিয়ে যেতে না পারে 10 মিনিটের মধ্যে খাগড়াছড়ি পুলিশ এখানে এসে পৌঁছে গেল এবং বাড়ির চারদিক থেকে ঘেরাও করা হলো তারপর আমি কিছু পুলিশ নিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকলাম ।

ভিতরে ঢুকে দেখি কমেডি ডান্স করতে করতে ক্লান্ত হয়ে একটা চেয়ারে বসে আছে আমি একদম ওর সামনে গিয়ে আমার হাত থেকে পিস্তল ওর মাথায় থেকেই ওকে বললাম-এক আন্ডার অ্যারেস্ট মিস্টার অমিত ।


তখন অমিত বলল – আমি তোমার সাথে থানায় যাব এই কথাটা তুমি ভাবলে কি করে আমার মনে হয় তোমার মাথায় কোন সমস্যা হয়েছে তাই তুমি এরকম কথা বলছো আর একটা কথা কখনো ভুলে যাবেনা আমি তোমার স্বামী তোমাকে আমি চাকরি করার অধিকার দিয়েছি ঠিকই কিন্তু সেই অধিকার আমার ওপর ফলাবে সেই অধিকারটা কিন্তু তোমাকে আমি দেইনি ।

আমি তোমার বিয়ে করা বউ সেটা শুধু কাগজে-কলমে এখন আমি একজন অন ডিউটি রত পুলিশ অফিসার এবং তোমার এই পুরো বাগানবাড়ি আমার পুলিশ ঘিরে ফেলেছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া তোমার সামনে আর কোন পথ খোলা নেই আর যদি বেশি বাড়াবাড়ি করো তাহলে তোমার মত কুলাঙ্গার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করতেও আমার হাত-পা কাঁপে না । মাইন্ডেন্ড মিস্টার অমিত ।

(Tab মানে- তখন অমিত বলল ) এখানে শর্ট ভাষা ইউজ করার জন্য যাতে আপনাদেরকে গল্পটা শটে তাড়াতাড়ি বোঝানো যায় তার জন্য টিএবি ব্যবহার করা হলো ।

TAb – নীলা এসব তুমি কি করছ তুমি কি পাগল হয়ে গেছো তুমি না আমাকে ভালোবাসো আমার বুকে মাথা না রাখলে তোমার ঘুম পারে না তুমি তো বলেছিলে তুমি আমাকে নিজের জীবনের চাইতেও অনেক বেশি ভালোবাসো তাহলে আজ কেন তুমি আমাকে এরেস্ট করতে এসেছ ।

পুলিশীনী বউ

আপনার সাথে এত কথা বলার সময় আমার হাতে আর নেই মিস্টার অমিত আপনার সাথে যা কথা বলার আমি কোর্টে কথা বলব এখন কথা না বাড়িয়ে আপনি আমার সাথে চলেন তো আমি অমিতের হাতে হাতকড়া পরিয়ে বাগান বাড়ির বাইরে নিয়ে এলাম তারপর ওকে জিপে উঠে বললাম উঠলে আমি উঠলাম তারপরে গাড়ি স্টার্ট দিলাম আমি আনমনে গাড়ি চালাচ্ছি আজ সেই নীল স্বপ্নের দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে যখন অমিত আমার জীবনে এসেছিল আমাদের জীবনটা এরকম ছিল না ছিল সহজ সরল জীবনযাপন ।

পাঠক বন্ধুরা আপনাদের হয়তো বুঝতে একটু অসুবিধা হচ্ছে চলুন ফ্ল্যাশব্যাক থেকে একবার ঘুরে আসি আজ থেকে প্রায় দু বছর আগেকার কথা আমি তখন অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ি আমি তো আর আমি একই ক্লাসে করতাম তখনই পরিচয় হয় ওর সাথে আমার প্রথমত সম্পর্কটা বন্ধুত্ব ছিল কিন্তু কথায় আছে না একটা ছেলে আর একটা মেয়ে কখনো বন্ধু হতে পারেনা । আমাদের বেলা তো তার ব্যতিক্রম হয়নি আসলে অমিতকে আমার খুব ভাল লাগত । কিন্তু কথায় আছে না মেয়েদের বুক ফাটে তবু মুখ ফাটে না আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসি এ কথাটা বলতে পারিনা ।


তাই আমি সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম আর ওকে আমি ভালোবাসি সেই কথাটা বোঝানোর চেষ্টা করতে থাকলাম একসময় সফল হয় তবে ভাগ্যের বিপাকে আমার অনেক ইচ্ছা ছিল শিক্ষক তাকে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নেব কিন্তু আমার পরিবার ছিল তার বিপরীতে আমার বাবার অনেক ইচ্ছে ছিল আমি যেন পুলিশে চাকরি করি আমি আমার মাকে অনেক ভালবাসতাম আমার বাবা কোন কথাই আমি অপূর্ণ রাখতে পারতাম না। তাই বাবার মনের ইচ্ছা পূরণ করতে আমি আমার নিজের ইচ্ছা কে বিসর্জন দেই একদিন হঠাৎ করে কলকাতা থেকে দার্জিলিং এ পুলিশের ট্রেনিং এর নিতে গেলাম ।

আমার ছেড়ে যাওয়াটা এরকমই ছিল যে আমি তোকে ভুলে যাওয়ার সময় ওটাও পাইলে আমারে এভাবে চলে যাওয়াটা সে মেনে নিতে পারেনি আমি যখনই দার্জিলিং চলে যাওয়ার পর আমার কাছে কোন মোবাইল ফোন ছিল না যাতে করে আমি অমিতের সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারতাম আমি তোমাকে পাগলের মত খুঁজতে থাকে কিন্তু কোথাও আমাকে খুঁজে পায় না একসময় আমাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু ভালোবাসার মানুষকে কি এত সহজে ভুলা যায় আমাকে ভুলে যাওয়ার জন্য আমি প্রথমে সিগারেট খেতে ধরে ।

পুলিশিনী যখন বউ

তারপরে আস্তে আস্তে মদ-গাঁজার এগুলোর উপর আসক্ত হয়ে পড়ে সবকিছু মিলিয়ে অমিতের জীবন একদম অন্ধকারে চলে যেতে থাকে । একসময় অমিত মেয়েদের ওপর আসক্ত হয়ে পড়ে । এক সময় আস্তে আস্তে অমিত স্মাগলিং শুরু করে সব মিলিয়ে একসময় আইনের চোখে ধরা উপরে । কিন্তু এই সবকিছু আমার অগোচরেই ছিল আমি ট্রেনিং এ যাওয়ার এক বছর পর আমি আর পুলিশে চাকরি করি । চাকরি পাওয়ার পর আমি নিজ এলাকায় চলে আসি তারপর আমি আমার মাকে সব কিছু বলি এভাবে চলতে থাকে বেশ কিছুদিন কিছুদিন পরে মাকে অমিতের বাসার ঠিকানা নিয়ে সেখানে যায় ।


অমিতের বাবা-মার সবকিছু শুনে সাথে সাথে রাজি হয়ে যায় আমার সাথে অমিতের বিয়ে দেওয়ার জন্য আব্বু বাসায় এসে আমাকে খবরটা দিতে আমি খুশিতে নেচে ওঠে আমার মনে মনটা খুশি লাগছিল । যে মনে হচ্ছিল আমি যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি । সেদিন আমাদের বিয়ের ডেট একেবারে ফাইনাল করে এসেছিল এক সপ্তাহ পরে আমাদের বিয়ে ছিল আমাদের বাসা থেকে আসার পরে তিনি বিয়ের কেনাকাটা শুরু করে ফেলি । আমি মনে মনে যে কতটা খুশি ছিলাম সেটা কাউকে বলে বোঝাতে পারবো না এক সপ্তাহ পর আমাদের বিয়ে হয় ।

তার পরিবারসহ আমাকে ওদের বাড়িতে নিয়ে যায় আমি ড্রয়িং রুমে বসে আছি অনেকক্ষণ হলো তখন রাত প্রায় দশটা বাজে আমাকে খাবার জন্য টেবিলে নিয়ে গেল সেখানে সবাই বসে একসাথে ডিনার করলাম শুধু অমিত ছাড়া আমি নতুন বউ তাই আর কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করলাম না ডিনার শেষ করার পর ওর আম্মু আমাকে একটা রুমে বসিয়ে দিয়ে গেল রুমের চাঁদ একটা ফুল দিয়ে অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা ছিল রুমটা দেখে আমি বুঝতে পারলাম এটা অমিতের রুম ।


আজ আমাদের বাসর তাই এত সুন্দর করে সাজানো হয়েছে প্রায় এক ঘন্টার মতো হবে বাসর ঘরে একাই বসে আছি কিন্তু অমিতাচার কোন নাম গন্ধ নেই বসে থাকতে-থাকতে আমার ঘুম পাচ্ছে হঠাৎ দরজা খোলার শব্দ পেলাম আমি একটু নড়েচড়ে বসলাম । তারপর টেবিলের কাচের কিছু একটা শব্দ শুনতে পেলাম ।


আমি সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি অমিত ওর হাত থেকে মদের বোতল টেবিলে রাখল এমন একটা দৃশ্য দেখে আমার চোখ কপালে উঠে গেল অমিত মদ খাচ্ছে । এসব আমি কি দেখছি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না । অমিত একদিন সিগারেটের ধোঁয়া নাকে পৌঁছালে বমি করত, আজ আমার হাতে মদের বোতল থেকে মদের গন্ধ বেরোচ্ছে মানে অমিত মদ খেয়ে এসেছে আমি বিছানা থেকে নেমে ওর কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি মদ খেয়ে এসেছো কেন ?


TAb -হ্যাঁ খেয়েছি তো কি হয়েছে ?
তুমি এইসব তুমি কী বলছো তুমি মদ খেয়ে এসেছ আমি জিজ্ঞেস করলাম বলে তুমি আমার সাথে এরকম ব্যবহার করছ ।
TAb – তুমি আমার সাথে কোন রকম কথা বলবে না আমার মেজাজ এখন একদম গরম আছে যদি উল্টাপাল্টা কিছু বলো তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে আমি বিছানা থেকে একটা বালিশ নিয়ে সোফায় চলে আসলাম তারপর লাইট অফ করে ঘুমিয়ে পড়ি ।


অমিত তখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ল আমি খাটে শুয়ে পড়ি এভাবে চলে যায় বেশ কিছু দিন আমি অমিতকে নেশার পথ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু আমার সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় অমিত সিং এর মধ্যে আরও বেশি আসক্ত হয়ে পড়ে এই সবকিছু একদিন ওর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিয়ের এক বছর পুরণ হতে চলেছে আমি এখন এলাকার থানার স্পেক্টর এখানে বদলি হয়ে এসেছি এক মাসের মতো হতে চলল ।

শিক্ষনীয় ছোট গল্প


আরো শিক্ষনীয় গল্প পড়ুন – Click here

আমার এখানে আসার পরপরই আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওকে গ্রেপ্তার করার জন্য আমি একজন পুলিশ আমার চোখে অপরাধী সবাই সমান । সে যদি আমার জন্মদাতা বাবা হয় । তাতে আমার কোন ভয় নেই তাইতো আজ আমি বাধ্য হয়ে ওকে অ্যারেস্ট করলাম । এখন যা হয় আদালত বুঝবে বাকিটা ভগবানের উপর ছেড়ে দিলাম আমি আমার স্বামী তবে সে একজন স্মাগলার আইনের চোখে সে অপরাধি তার অপরাধের শাস্তি তাকে পেতেই হবে ।

এই যুগে ছেলেদের কাছে আমার অনুরোধ তোমরা একটা মেয়ের ভালোবাসা সেটা ঠিক আছে তুমি তার জন্য নিজের জীবনটা এভাবে নষ্ট করে দেবে না সেটা কিন্তু ঠিক নয় মেয়েটা তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে তার মানে এই নয় যে মেয়েটা তোমাকে ধোঁকা দিয়েছে এমনও তো হতে পারে মেয়েটা নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য তোমাকে কিছুদিনের জন্য ভুলে থাকার চেষ্টা করছে তুমিও তোমার ক্যারিয়ারের ফোকাশ করো মেয়েটাকে ভুলে বুঝে নিজের জীবনটা এভাবে নষ্ট করে দিওনা শুভকামনা সকল প্রেমিক ভাইদের জন্য রইল আমার তরফ থেকে ।

আশা করি বন্ধুরা যে আজকের এই বকাটে ছেলের পুলিশিনী বউ -এক শিক্ষনীয় ছোট গল্প টি আপনাদের কেমন লাগছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন যদি চান তো অবশ্যই পর্ব 02 আপনারা দেখতে পাবেন ।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment