বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প – বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ 2022

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ 2022 . তো বন্ধুরা পিচ্চি বউয়ের বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প টি পড়ে থাকুন । নতুন বিয়ের রোমান্টিক গল্প বিয়ের পরে দিন কি করে বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ তা এই গল্পটা শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন ।

বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প

বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প
বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প

এই নাও টাকা তুমি এবার বাড়ি ভাড়াটা দিয়ে এসো, আমি রওনা দিচ্ছি অফিসের কাজের জন্য ।
আমাকে টাকা দিয়ে আসতে হবে কেন মেয়ে দেখো তো গিয়ে দেখা করে আসতে পারো বাবার সাথে তুমি ।


একেতো আমি শ্বশুর বাড়িতে ভাড়া থাকি সেখানে মানুষের জ্বালায় অর্ধেক জ্বলে যায় তার উপর সাতসকালে তার কাছ থেকে নে মানুষ বলবে কি টাকা নিতে গিয়েছি ।


তুমি চুপ করো তো মানুষের এসব বকবকানি শুনলে কান পচে যাবে কে বলে তোমায় ? যাদের খেয়েদেয়ে কাজ কাম নেই তাদের এইসব সাধ হয় এখন তুমি রওনা দাও অফিসে দেরি হয়ে যাচ্ছে আমি গিয়ে ভাষা গুলো বাসনগুলো ধুয়ে ফেলি কাজের মাসি কাজগুলো হিসাব মতন বুঝিয়ে দেবো । ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )


আমি কিভাবে যাব।
কিভাবে যাবে মানে ? ছেলে প্রতিদিন যেভাবে কাজে যায় সেই ভাবে যাবে । গাড়ি নিয়ে যাবে রিস্কা দিয়ে যাবে যেভাবে চায় সেভাবে যাবে ।
না আমি যেতে পারব না । তোমায় ছাড়া আমার মন যেতে চায় না । চলো তোমায় একটা ব্যাগে ভরে অফিসে নিয়ে যায় । কাজের ফাঁকে ফাঁকে তোমায় দেখে মন জুড়াবো ।


অনেক হয়েছে তোমার নাক আমি এবার যাও তো বাপু এমনিতেই তোমার বস অনেক কিপটে । মাসের শেষ হয়ে গেলেও দেরী করে বেতন দেয় । এখন সুযোগ পেলে আরো ভেজাল বাধাবে ।

আমি আইসির মুখটা আলতো করে স্পর্শ করলাম ধীরে একটা চুমু খেয়ে রওনা দিলাম দরজা থেকে জুতা পরতে পরতে বললাম । তুমি কিন্তু আমার আমার ন্যায্য পাওনা দাওনি । ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )


আমি ওর কথা মন দিয়ে শুনছি হাতের ব্যাগটা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওর পাশে যেতেই বললাম একটা মানুষকে জুতো পরতে দেখতো কি কারো ভালো লাগে ? আমার লাগে ! ওর সবকিছু আমার ভালো লাগে ভালো মন্দ সবটাই আমার প্রিয় ।


আমি তখন উঠে দাঁড়ালাম আইওসির হাতে হতে ব্যাগটা নিয়ে আয়ছি আমায় জড়িয়ে ধরল আমি কিছু বলার আগেই আমার মুখটা চেপে ধরল সে ।
আমি তখন তাকে ফিসফিস করে বললাম আমি তোমায় বড্ড ভালোবাসি ।

আমি এক গাল হেসে দিলাম তার কণ্ঠে লুকিয়ে থাকা সংকোচ বা লজ্জা মিশ্রণে খুব অপরূপ হয়ে উঠেছে শব্দটি আমি আলতো হাতে জড়িয়ে নিলাম আর নিজেও বললাম । আমি তোমার তার চাইতেও বেশি ভালবাসি ?

বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ

বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ
বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ


যতক্ষণ না আমি ওকে ছাড়ছি গো আমায় ছাড়বে না ও আমায় বেশ ভালো করে জানা আছে তাই নিজে থেকে ভালোবাসার পর্ব সংক্ষিপ্ত করে ছাড়িয়ে দিলাম নিজের তার বাহুতে এই যে মিস্টার বেকার হওয়ার ইচ্ছে আছে নাকি ? এমনিতেই মানুষ আপনাকে ঘরজামাই বলে চাকরি বলতে তো প্রতিষ্ঠানিক ভাবে আপনি ঘরজামাই হয়েই আছেন । যান যান কাজে যান এখন ।
হ্যাঁ হ্যাঁ তোমার জান আমি আর আমার জান তুমি ।


আপনার অনেক হয়েছে এসব রংতামাশা তখন আমি ওনাকে ঢাকা করে বের করে দিলাম নিজেকে কিছুক্ষন চেয়ে রইলাম তার মায়া মাখা মুখে । আচ্ছা ছেলেদের কি এত মায়াবী তখনও মানায় আমি জানিনা তবে তার মায়ার মুগ্ধ হয়ে গেছি । আমি তাই আমাদের সম্পর্ক মায়ার স্থান অনেক উপরে । ( বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ )

এতক্ষণ যাকে দেখলেন তার পরিচয় আবার আলাদা হবে দিতে হবে বলে আমার মনে হচ্ছে না আমার পরিচয়টি আলাদাভাবে দেওয়া খুব প্রয়োজন নয় তো অন্যদের মতো আপনারাও আমাকে ঘর জামাই বিবেচনা করে ভুল করবেন । তো চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ।


আমি শিবু আমার বাবা ও মা একটি শহরে বসবাস করে । সেখানে আমি বড় হয়েছি তবে লেখাপড়া শেষ করে আমার মন মাতৃভূমি খুঁজে নিয়ে এলো আমার এই একটি গ্রামে । গ্রামে আসার পর আমি অনেক কিছু পেয়েছি এবং ভালোবেসেছি তার মাঝে সর্বোত্তম হলো এই আয়ুশি ।


আয়ুশির প্রেমে আমি পড়েছি এই বাড়িতে থাকাকালীনই । অন্যান্য ছেলেদের মতো ব্যাচেলার হিসেবে বসবাস করায় আমার সব সময় জুড়ে ছিল বাড়িওয়ালার এই মেয়ে । এই মেয়ে রূপের চেয়ে গুণের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি । দেশ-বিদেশে আমি অনেক নারী দেখেছি । তবে আয়ুশির মত একজনকে পাইনি তবে প্রেম করার সুযোগটা আমি পাইনি শাসনে বড় হয়েছে তাই প্রেম করার সাহস তার মাঝে না পেয়ে সরাসরি বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায় । আমরা তবে এই কঠোর পিতা প্রতি আয়ুশির ভালোবাসায় ফেরাতে পারিনি অন্য কোথাও । ( বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ )

তাই নিজের শ্বশুর বাড়িতে ভাড়া দিয়ে থাকি আমরা এবং গড়ে তুলি আমাদের এই ছোট্ট একটা সংসার যার সব আমার সব সময় ছিল আজ ফিরতে রাত হয়েছে এই কষ্টের চাকরি করতে আমার আর ভালো লাগেনা অপরদিকে আয়ুশি ঘুমায়নি । আমার জন্য অপেক্ষা করছেন এতটা সময় ধরে । এখন খুব খুব করে খাচ্ছে রাতের খাবারটা । যেন কয়েকদিন পর ছিল সে ‌।


তুমি খাবারটা খেয়ে নাও । তোমার খাবারের তুলনায় আমার অফিসের এই বিরক্তিকর কাজের কোন মূল্য নেই । বাবাকে টাকাটা দিয়েছ কি ?
হুম দিয়েছি ! বাবা বলল ওই ফার্মের মুরগি টা কেন এলোনা ?
তাইতো তাকে আর আমাকে ভালো লাগে না আমার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একটু কম । সেই জন্য যেখানে তিনি শোক করবে উল্টো তিনি সারাক্ষণ আমার মজা উড়ায় ।

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী, রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প, ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প , স্বামী স্ত্রীর রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, বউ এর সাথে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, বাংলা রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, ভালবাসার রোমান্টিক গল্প, রোমান্টিক প্রেমের ছোট গল্প, রোমান্টিক গল্প ভালোবাসার গল্প,
রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


তুমি আমার বাবাকে এভাবে বললে কেন ? তাকে কি বাবা বলতে খুব কষ্ট হয় ?আমি এখনই বাবার বাড়ি চলে যাব ।
এইযে থাক বাপকা বেটি ! ওই সবের প্রয়োজন নাই কাল আমার ছুটি আছে । কোথায় ঘুরতে যাব ভেবেছো ?
হুম,পার্কে যাবো । বাবা বলল তার নাকি কই কয়দিন হাটার প্রয়োজন ওজনটাও বেশি হয়ে যাচ্ছে তাই ।


না, বাবার সাথে আমরা যাব । এতক্ষণ ধরে বসে থাকলে তরকারির ঝোল হাতে আটকে পড়বে যাও হাত টা ধুয়ে বিছানায় যাও ‌। আমি কাজ শেষ করে আসছি ।
তোমাকে এখন কাজ করা লাগবে না । হরির মা এসে সব কাজ করবে সকালে ।

আমি সারাটা দিন তোমার জন্য শুধু অপেক্ষা করি, আর তুমি কিনা এই টুকু সময় অপেক্ষা করতে পারবে না । যাও গিয়ে শুয়ে পড়ো আমি আসছি ।
হুমম….


টেবিল পরিষ্কার করা বাকি খাবার পরিষ্কার করতে করতে আমার প্রায় 10-15 মিনিট সময় লেগে গেল তারপর আমি চলে এলাম বেডরুমে । গিয়ে দেখি শিবু বিছানায় শুয়ে আছে ব্যাকা হয়ে । আমি তার পিছনে গিয়ে শুয়ে পড়লাম । মিনমিন করে তাকে বললাম কাজের কি বেশি চাপ ? শিবু কোন উত্তর দিল না ধীরে ধীরে তাঁর কাছে যেতেই আন্দাজ ফিলাম নাক ডাকা হালকা শব্দ । কি হল আমার জন্য এতটুকুও সময় অপেক্ষা করতে পারবে না । একা একা তুমি দিব্যি নাক ডেকে ঘুমাচ্ছ কি স্বার্থপর তুমি । ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )

আজ সকালে আমার ঘুম ভেঙেছে খুব তাড়াতাড়ি প্রতিদিন আয়ুশি আমার ঘুম থেকে উঠায় । আমি অবাধ্য সন্তানের মতো কোনো সাড়া দেইনা তার ডাকে । তারপর একটা সময় সে শুরু করে চিৎকার চেঁচামেচিত। ঘুম ভাঙ্গিয়ে দেয় নিজের অজান্তে ।


আজ আমি উঠেছি তার আগে । আয়ুশি সকালের এইরূপ সিক্ত মুখ দেখতে হলে আমি প্রতিদিন উঠতে পারি ভরে । কি সুন্দর লাগছে? তারা গোছালো চুলগুলো এবং ঘুমের রাতে হারিয়ে যাওয়া মুখ খানা ।
কি দেখছ তুমি ?
আমি আমার বউকে?
আজ কোন দিকে সূর্য উঠেছে । সাজ সকালে কিভাবে ঘুম ভাঙলো মহারাজের ?

দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প

দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প
দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প


আমার ঘুম ভাঙালো তোমার রূপ ?
ওমা আমার প্রতি এত রূপ তাহলে আমার স্বামী এতদিন কি আমার রূপ আপনার চোখে পড়েনি ?
হি হি হি হি…


তুমি উঠে যাওয়া আমি রেডি হয়ে নিই । আজ হরির মা আসবেনা । রান্না করবে না বাবার বাড়ি গিয়ে খেয়ে আসি, চলো ।
না আমরা আজ কোথায় যাব না । আজ শুধু আমি আর তুমি বাসায় থাকবো একসাথে রান্না করবো খাবো সাজবো তারপর ঘুরতে যাব ।
আচ্ছা তবে আমরা ঘুরতে বাবাকে নিয়েই যাচ্ছি ।
আচ্ছা আচ্ছা যা হুকুম আপনার মহানগরী । ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )


আমি তখন উঠে দাঁড়ালাম চুলগুলো এলোমেলো ছিল ঠিক করলাম । তখন শিবুকে বললাম তুমি কি আদৌ রান্না করতে জানো ?
তুমিও পারবে না আমিও পারবো না তবে চেষ্টা করতে পারে দুজনে একদম সমান সমান ।


হায়রে আমি যেমনটা ভেবেছিলাম তাই হলো রান্নাঘরে আগুন ধরাও উপক্রম হলো । তবে আমাদের রান্না হলো না কিছু কাঁচা কিছু পাকা খাওয়া দেখতেও ভয় লাগছে। নিজের প্রতি একটু রাগ হচ্ছে ‌। দিদিরা কতবার বলেছি একটু রান্না শিখতে। খুব জেদ করে বলেছি কাউকে খাওয়াতে না পারলে কষ্ট কীসের । তবে আজ মনে হচ্ছে রান্নাটা করে ওকে চমকে দেওয়া গেলে খুব ভাল লাগত ওর মুখে একটু তৃপ্তি ও প্রশংসা শুনতে মন্দ লাগত না ।


তাহলে কি খাবার বাইরে থেকে অর্ডার করি।
হ্যাঁ হ্যাঁ, তাই করাই ভালো সময় হয়ে গেছে আবার আমাদের কেউ বেরোতে হবে ।


খাবার অর্ডার করে পেট ভরে খেয়ে রওনা হলাম আমরা । সাথে আছেন আমার শশুর মশাই সে ঠিক আমার পাশে এসে বসে আছেন । আয়ুশি খুব ভালোবেসে বাবাকে সঁপে দিয়েছেন তার জায়গাটা গাড়িটা চলতে ইচ্ছে করছে না । রাস্তা অনেক জ্যাম । হেঁটে গেলেও হয়তো দ্রুত চলে যাওয়া সম্ভব । তবে সবটা জুড়েই থাকবে আমার অপমান । তিনি অবশ্য ভালোবেসে এইসব করেন তাই মনে ধরে রাখার মত কিছু নেই এই সবে । ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )


হাওড়া বেশকিছু সময় পার করে পৌছালাম পার্কে বিশাল এই পার্কে শিশুদের তুলনায় প্রেমিক-প্রেমিকার সংখ্যা অনেক বেশি । দেখতে দেখতে হঠাৎ আমরা বিরক্ত হয়ে গেলাম তাদের মাঝে বলতে পারছি এটা শিবুরি কারসাজি । তাই রাগ করে বললাম বাবাকে ছেড়ে এখানে কেন ? আমরা তুমি না বললে আমরা পানি কিনতে যাচ্ছি ?


আমরা এখানে কিছুটা সময় কাটার পর পানি কিনে তারপর যাবো ।
চলো চলো বাবা কি ভাববে?
তুমি না বলেছিলে, পাশের লোকের কথায় কান দিতে হয় না।
ওইটা আমার বাবা ।
কিন্তু আমাদের মাঝে অন্য কেউ এলে তো সেটা আলাদা হয়ে যায় ।


তোমার সাথে আমি কথাই পারবো না । ঠিক আছে, বলো কোথায় যাবে ?
তেমন কিছু নেই এখানে তাহলে চলো তোমাকে একটা আইসক্রিম কিনে দিই ।
আচ্ছা তুমি কি আমাকে শুধু আইসক্রিম কিনে দিবে, তুমি খাবে না পরে আবার সর্দি দেখা দিবে । ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )


আচ্ছা বাবা ঠিক আছে আমাদের কথায় কথায় আরম্ভ হলো বৃষ্টি এই দিনে এমন হঠাৎ বৃষ্টি হবে আমরা কখনোই ভাবিনি’।
আমি তখন এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি বৃষ্টির পানিতে আইসক্রিম কিনা হলো না তবে এই বৃষ্টি আমার প্রিয় । অনিশ্চিত জীবনের মাঝে অনিশ্চিত এই বৃষ্টিতে খুব আকাশটা করেছে আমায় এই জগতের সকল ও নিশ্চয়তা সাথে কি আমাদের ভালোবাসা কি অনিশ্চিত থাকবে ?


আমি আইসির হাত ধরে বেরিয়ে এলাম খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে তার শুকনো মুখ চকচক করছে চোখগুলো যুদ্ধ করছে তাকিয়ে থাকার আশায় এবং তার বিভ্রান্ত মন তাকিয়ে আছে আমার দিকে ।
কি করছো তুমি এইসব পাগল হয়ে গেলে নাকি ? ( বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প )


তোমার বৃষ্টি খুব পছন্দ তাই না ? অবশ্যই আমার সাথে বৃষ্টিতে ভেজার ইচ্ছা হয়েছে তাই তোমার ইচ্ছা পূরণ করছি ।
হায়রে নিশ্চিত তুমি আজ বিছানায় পড়বে চলো চলো ।
আমি তাকে বাধা দিয়ে আমি নাচতে শুরু করলাম আবোল তাবোল নাচে হাসি পাচ্ছে তার মুখে হাসতে হাসতে পেটে খিল তুলা অব্দি আমি থাকব না ।

বেশ কিছুক্ষণ যাব থ্যাংকস এর খুব অস্থির লাগছে তবে আমার বাবার ফার্মের মুরগিটির তার কোনো স্থিরতা নেই । এখনো সে আনন্দ করেই যাচ্ছে । তার আনন্দের ভাগই হতে আমি জড়িয়ে ধরলাম তাকে । তার চোখে চোখ রেখে বললাম আমাকে কখনো ছেড়ে যাবে না আমার সুখে দুঃখে সব সময় আমার সঙ্গী হয়ে থাকবে ।


সকালে ভেবেছিলাম বাড়ি ফিরতেই আমার শরীর খারাপ হবে কিন্তু আমার জ্বর পথেই শুরু হলো । আইসি আমার বাড়ি নিয়ে এলো খুব সেবা করল বকাবকিও করল এখন আবার ফিরেছে এক বালতি পানি নিয়ে কোমরে আঁচল বেঁধে খুব কষ্ট করে টেনে আনছে বালতিটী । ( তো বন্ধুরা আমাদের আজকের বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ বাংলা গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন )


আসো আসো, এদিকে মাথা দাও । মাথা জল দিতে হবে ।
এভাবে তোমার সেবা পেলে প্রতিদিন আমি অসুস্থ হব ।
ইচ্ছা করে রব ডেকে আনলে তোমার এখানে পেলে আমি বাবার কাছে চলে যাবো ।


তুমি না আমায় বললে সুখে-দুখে তোমাকে কাছে রাখবে আমি ভেবেছিলাম তুমি আমায় ভালোবাসো ।
অবশ্যই ভালোবাসি কিন্তু তোমার এই সব পাগলামিকে না ।
হ্যাঁ কর্তা আপাতত বাসি কিন্তু পাগলামি আর চলবেনা । ভবিষ্যৎ তো আর বলতে পারিনা ।
তুমি আমায় ভয় দেখাবেনা ।
হ্যাঁ হ্যাঁ । ( তো বন্ধুরা আমাদের আজকের বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ বাংলা গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন )


তখন আমার চোখে জল চলে এলো তার কথা শুনে ।
এত নর-নারী করলে তো হবেই চোখেতে জল যাবে ই । এরপর তাকে আমি জড়িয়ে ইতিহাস গড়ে ফেললাম ।

তো বন্ধুরা বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প – বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ 2022 গল্প টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম Chhota Golpo পড়তে চাই পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

1 thought on “বিয়ের পর ভালোবাসার গল্প – বাড়িওয়ালার ছোট মেয়ে যখন বউ 2022”

Leave a Comment