সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম – ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম – ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022 . তো বন্ধুরা এই পোস্ট টি আপনারা জানতে পারবেন যে একটা বড়লোক ঘরের মেয়ে একটা বকাটো মাস্তান ছেলে পড়ে যায় । তার বাবা জানতে পেরে এক ভালো ছেলে দিয়ে প্রেমের গল্প কাহিনী বানিয়ে অভিনয় করিয়ে ভালো বন্ধু সাজিয়ে সেই ছেলেটার হাত থেকে নিজের মেয়েকে বাঁচাতে অভিনয় করতে বলে । ইয় বন্ধুরা আপনারা যদি সব এখানেই যেনে যাবে না বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী টি শেষ পর্যন্ত দেখুন ।

সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম

সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম, ভালোবাসার গল্প কাহিনী, ভালোবাসার গল্প কথা, ভালোবাসার গল্প ছবি, প্রেমের গল্প কাহিনী, বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী, স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প কাহিনী , ভালোবাসার কিছু গল্প কথা, রোমান্টিক প্রেম কাহিনী, বাংলা প্রেমের কাহিনী,
সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম

দিপু তুমি এখন কোথায় আছো বলতে পারবে?
এখন আমি আমার বাসাতেই আছি।
তুমি কি আমার সাথে দেখা করতে পারবে।
আজকে বিকেলে আপনাদের বাসাতে যাব সোনালী আমাকে বিরিয়ানি খাওয়ার নিমন্ত্রণ দিয়েছে।
আচ্ছা তাহলে তোমার সঙ্গে দেখা হচ্ছে?
হুমম!

এবার তাহলে আপনাদের সামনে একটা পরিচয় পর্বে আসা যাক  । আমি দিপু মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে ‌।  বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ‌।  বাবা গ্রামে দিনমজুরের কাজ করে । আর আমি শহরে আছি নিজের পড়াশোনার জন্য । ( সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম)

এবার ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি হয়েছে এছাড়া পুলিশ সিক্রেট গোয়েন্দা হিসেবে অনেক কাজ করেছি এখান থেকে বেশ ভালই উপার্জন করি তবে আমার এই কাজটি সরকারি নয় ছোট থেকেই সব গোয়েন্দাগিরি প্রতি আগ্রহ ছিল আমার তাই।


আমি পুলিশ দেখলে ভাব জমানোর চেষ্টা করতাম অনার্সে ভর্তি হওয়ার সময় যখন শহরে আসলাম তখন পরিচয় হল নীরব স্যারের (পুলিশ অফিসার) তার থেকেই এই পেশায় আছি । ( সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম )


দীর্ঘ 5 বছর কাজ করে শহরে নিজেই উপার্জনে একটা দোতলা বাসা কিনেছি । একতলা ভাড়া থাকে আর এক তলায় আমি থাকি।  এইসবে কিছুই আমার পরিবার জানে না ।

ভালোবাসার গল্প কাহিনী

সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম, ভালোবাসার গল্প কাহিনী, ভালোবাসার গল্প কথা, ভালোবাসার গল্প ছবি, প্রেমের গল্প কাহিনী, বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী, স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প কাহিনী , ভালোবাসার কিছু গল্প কথা, রোমান্টিক প্রেম কাহিনী, বাংলা প্রেমের কাহিনী,
ভালোবাসার গল্প কাহিনী


বিকেল হতেই একটা সাদা কালারের শার্ট গায়ে পড়ে নিরব স্যারের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম বেশি দূরের পথ হেঁটে যেতে মাত্র 10 মিনিট সময় লাগবে আমি বেশিরভাগ সময়ই বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করি।
নিরব স্যারের পরিবারে একদম আমাকে আপন বানিয়ে নিয়েছে । নিরব স্যারের নিজের কোনো সন্তান নেই।  এইজন্য তারা আমাকে নিজের সন্তানের মতো দেখাশুনা করে ।


এইযে দিপু তোর আজকে আসতে এত সময় লাগলো কেন?
দেরি করেছে নাকি বরং আরো তাড়াতাড়ি চলে এসেছি?
হয়েছে খেতে বস ।
হুমম খেতে দাও জলদি অনেক খিদে পেয়েছে ।
(এখানে মামনি হল নীরব স্যারের বউ) ( ভালোবাসার গল্প কাহিনী )


মামনি আমাকে খেতে দিয়ে চলে গেল । নিরব স্যার মামনি কে ইশারা করে ঘরে যেতে বলল নয়তো আমার কাছ থেকে উঠবো না, খুব ভালোবাসে আমাকে একদম নিজের ছেলের মতো ‌ ।
দিপু যে কারণে তোমাকে ফোন করেছিলাম।

হুম কি বলবেন বলেন?
তোমাকে একটা কাজ করে দিতে হবে, কাজটা আমাদের ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক কোন কাজ না?
তাহলে!
আমার খুব কাছের বন্ধু মিহির … এখানকার নামকরা বড় ব্যবসায়ী ।  ওর একটা মেয়ে আছে অনার্সে ভর্তি হয়েছে এবার  । ( ভালোবাসার গল্প কাহিনী )

“তো বন্ধুরা আমাদের এই ছোট গল্প টি কেমন হয়েছে অবশ্য নিচে কমেন্ট করে জানাবেন । “

ভালোবাসার গল্প কথা


এখনও জানতে পেরেছে একটা ছেলের সাথে ওর মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে । তাই মিহির ছেলেটার সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছে ছেলেটা একটা গুন্ডা টাইপের।
ওর মেয়েকে ও বুঝিয়েছে ছেলেটা খারাপ কিন্তু ওর মেয়ে তা মানতে নারাজ ।
এখানে আমার কি কাজ ?


তোমার কাজ হল যেভাবেই হোক মেয়েটাকে বুঝাতে হবে যে ছেলেটা খারাপ ।
আমার বিশ্বাস তুমি পারবে এজন্য বেশি পরিশ্রম ও পাবে যদি সফল হও।
মেয়েটার কোন ছবি আছে আপনার কাছে ।
না এখন তো নাই তবে একটু পরে তোমাকে পাঠিয়ে দেবো!
তবে এখন আমি আছি মামনি কে বলবেন বিরিয়ানি টা অনেক অনেক ভালো ছিল। ( ভালোবাসার গল্প কথা )


খাওয়া-দাওয়া শেষ করে নিজের বাসাই তে চলে আসলাম ইচ্ছা ছিল এই মাসে একটা বাইক কিনবো কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা ছিল না অনেকদিন ধরেই কাজ ছিল না ।
আজ যে কাজ পেলাম এখন এটার কি প্ল্যানিং করতে হবে । ঠিকঠাক মত কাজ করতে পারলেই হয়তো বাইক কেনার টাকা যাবে হয়ে যাবে । এখন শুধু মেয়েটার ছবি পাওয়ার অপেক্ষা সন্ধ্যার দিকে টং করে আসলাম চা খাওয়ার জন্য । এই একটা নেশা আছে আমার।


চা খাচ্ছি এর মধ্যে মেসেজের শব্দ পেলাম, মেসেজ ওপেন করে একটা আগুন সুন্দরী দেখতে পেলাম….
এইটা আমার বন্ধুর মেয়ে তৃষ্ণা। আমি আর আমার বন্ধু তোমার কোন সাহায্য করতে পারব না।  সবথেকে বড় কথা হল যে তৃষ্ণা এবং ছেলেটাকে বুঝতে দেওয়া যাবে না যে তুমি মেয়েটার বাবার কথা মত কাজ করছেন আর কোন সাহায্য পাব না আমার থেকে যা করার নিজেকেই করতে হবে। ( ভালোবাসার গল্প কথা )


এই ছোট্ট কাজটা আমাকে অনেক কঠিন করে দিল তার ওপর মেয়ে ভয়ংকর সুন্দরী চা শেষ করে বাসায় ফিরে এলাম রুমে এসে ছোট্ট পরিকল্পনা করলাম যদি ও সফল হওয়ার চান্স একেবারেই নেই । তাও ট্রাই করার চেষ্টা তো করতেই হবে।


তারপরে শুরু করলাম তৃষ্ণা কে ফলো করা ।  আমি চেষ্টা করছি মেয়েটার সাথে প্রেমের অভিনয় করে ওই ছেলেটার সাথে ব্রেকআপ করিয়ে দিতে ।  প্রায় এক সপ্তাহ ফলো করার পর তৃষ্ণা কাছে ধরা খেলাম।
এই ছেলে এদিকে এসো….
জ্বি বলেন?
আমার পিছনে পিছনে ঘুরছেন কেন ?

ভালোবাসার কিছু গল্প কথা


কই কিছুই না তো?
আমি বেশ কয়েকদিন ধরে আপনাকে দেখছি যে আমার আশেপাশে ঘুরঘুর করছেন, কি সমস্যা আপনার?
আমার তো কোন সমস্যা নেই?
তাহলে আমার পিছে পড়ে আছো কেন?
আসলে আপনাকে আমার অনেক ভালো লাগে?


এ আর নতুন কি? আমাকে তো অনেকেই ভালো লাগে কিন্তু কিছু করার নেই আমার বয়-ফ্রেন্ড আছে?
আমি আগে থেকে জানি?
তাহোলে আমাকে ফলো করছেন কেন ,কি লাভ?
ভালোবাসার মানুষকে একটিবার দেখলেই শান্তি!
আহ কি ভালোবাসা, আমার যদি বয়ফ্রেন্ড না থাকতো তাহলে তোমার সাথে প্রেম করতাম, তোমাকে অন্য সবার থেকে আলাদা মনে হল তুমি খুব কি সুন্দর করে কথা বলো । ( ভালোবাসার কিছু গল্প কথা )

ধন্যবাদ, আমরা কি বন্ধু হতে পারি?
অবশ্যই আজ থেকে আমরা ফ্রেন্ড। আচ্ছা তুমি থাকো আমাকে যেতে হবে।
যাওয়ার আগে নাম্বার অথবা ফেসবুক আইডি কিছু একটা দিয়ে যান।
আচ্ছা আমার নাম্বারটা উঠাও…. ০১১৬৭-৫৭৮৯**
আচ্ছা তবে পরে কথা হবে।


এই মেয়ের সাথে এত সহজে কথা বলতে পারব আমি ভাবতেই পারিনি ।  বাসা থেকে এসে খাওয়া-দাওয়া করে একটা লম্বা ঘুম দিলাম । সারা দিন বিভিন্ন কাজের সময় কেটে গেল রাতে তৃষ্ণাকে মেসেজ করলাম..
কেমন আছেন! ( ভালোবাসার কিছু গল্প কথা )


কিছুক্ষণ পর মেসেজ আসলো..
ভালো আছি কিন্তু আপনি কে ?
আপনার নতুন বন্ধু আজকে সকালে যার সাথে পরিচিত হলেন সেই আমি।
মেসেজ পাঠানোর একটু পরেই তৃষ্ণা নাম্বার থেকে ফোন আসলো….

কেমন আছো তুমি?
আমি তো ভালো আছি আপনি কি করেন?
এইতো বসে ছিলাম আপনি করে বলছেন কেন? তুমি করে বলো আমি তোমার ছোট হব হয়তো।
আচ্ছা …তোমাকে বিরক্ত করলাম না তো?
আরে না এমনি ফ্রী বসে ছিলাম। ( ভালোবাসার কিছু গল্প কথা )


কেন বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলে না নাকি?
কথা খুব কম হয় ওর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে?
ওহ, আচ্ছা কাল বিকালে কি ফ্রি আছেন?
হুমম
তাহলে যদি পারেন বিকেলে মেমোরিয়াল পার্কে আসেন, দুজনে গল্প করা যাবে ।
বিকালে কটার সময়!

ভালোবাসার গল্প ছবি

ভালোবাসার গল্প ছবি


আপনার যখন ইচ্ছা আসতে পারে আমি পার্কেই সময় কাটাতে আসি।
প্রেমিকা নিয়ে আসা হয় নাকি?
না আমি আপনাকে দেখতে আসতাম।….
ইসস কত ভালোবাসা ?
হুম খাওয়া-দাওয়া করেছেন ?


হুম তুমি ?
হুম, আচ্ছা রাখি ।  আপনার বয়ফ্রেন্ড কল দিয়ে ব্যস্ত পাইলে সমস্যা হবে আপনার।
আরে সমস্যা নেই?
তবুও রাখছি….
আচ্ছা । ( ভালোবাসার গল্প ছবি )


তৃষ্ণা সাথে কথা বলে এতোটুকু বুঝতে পারলাম, মেয়েটা প্রেম করলেও তার একাকীত্ব এখনো রয়ে গেছে । একে একটু টাইম দিলেই পটানো সম্ভব।
সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া দাওয়া করে বেড়িয়ে পড়লাম ।  তৃষ্ণার বয়ফ্রেন্ড এর বিষয়ে খবর নিতে মোটামুটি খবর পেলাম তাতে কাজ হয়ে যাবে।
বিকালে পার্কে বসে বাদাম চিবাই আর কৃষ্ণার অপেক্ষা করছে জানিনা আসবে কিনা একটু পরে তৃষ্ণা’র মত কেউ আসতে দেখলাম । হ্যাঁ এটাই তৃষ্ণা ।  এসে বেঞ্চের এক সাইডে বসলো ।


কেমন আছেন?
এইতো ভালোই, তোমার খবর কি?
অনেক ভালো, নিন বাদাম খান!
ধন্যবাদ, আমি মনে হয় বেশী দেরী করে ফেললাম।
না, আমি তো ভেবেছিলাম আপনি আসবেন না মনে হয়। ( ভালোবাসার গল্প ছবি )


তুমি করে বল, আপনি শুনলে নিজেকে কেমন বুড়ী বুড়ী মনে হচ্ছে।
আচ্ছা !
অনেকক্ষণ ধরেই দুজনে বেশ গল্প করলাম মাঝে অনেক তথ্য জেনে নিলাম এরপর আস্তে আস্তে তৃষ্ণার সাথে কথা বাড়তে থাকলো মাঝে মাঝে ঘোরাঘুরি ।


এভাবে তৃষ্ণা’র মনে জায়গা করে নিয়েছি একটু একটু করে অনেক অপেক্ষায় আছি বিমানের (তৃষ্ণা বয়ফ্রেন্ড) একটা কুকর্মের মূলত একজন চাঁদাবাজ এবং ছোটখাটো মাস্তান। ( ভালোবাসার গল্প ছবি )


কিন্তু তৃষ্ণা জানে সে একটা কোম্পানিতে চাকরি করে। সে সময়ের জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি আমাকে।
একদিন সকালে বাজার করতে যাচ্ছিলাম । তখনই দেখলাম বিমান তার দলবল নিয়ে চাঁদাবাজি করছিল । সুযোগটাকে কাজে লাগানোর জন্য ফোন করলাম তৃষ্ণাকে…


হ্যালো…..
তুমি এখন কোথায়?
আচ্ছা বিমান ভাইয়া কি কাজ করে?
কোন এক কোম্পানিতে।
ও আচ্ছা দ্রুত একটু ইডেন মার্কেটে আসতে পারবে?
কেনো ?


আসলেই নিজের চোখে দেখতে পাবে।
আচ্ছা আসছি তবে।
একটু তাড়াতাড়ি আসতে হবে।
Ok. ফোনটা কেটে দিয়ে দূর থেকে একটু ভিডিও করে নীরব সার কে পাঠিয়ে দিলাম।  যাতে বিমানকে কয়েক দিন জেলে ভরে দিতে পারে এর ভিতরে তৃষ্ণার বিয়ে শেষ হয়ে যাবে ।

প্রেমের গল্প কাহিনী

প্রেমের গল্প, রোমান্টিক প্রেমের গল্প, মিষ্টি প্রেমের গল্প, প্রথম প্রেমের গল্প, বাংলা প্রেমের গল্প, দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প, দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প, নতুন প্রেমের গল্প, প্রেমের কাহিনী গল্প বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী, মিষ্টি প্রেমের সাইরি,
প্রেমের গল্প কাহিনী

তৃষ্ণা রিস্কা থেকে নেমে বিমানের কাছে গেল । তারপর কি কথা হলো জানিনা তারপর মনে হয় তৃষ্ণা বিমানকে একটা চড় দিয়ে চলে গেল । একটু পরে নিরব স্যার এসে বিমানের গ্যাংকে নিয়ে থানায় চলে গেল ।
অবশেষে আমি বাজার করে বাড়ি ফিরলাম । আমার মিসন শেষ তাই সিমটা চেঞ্জ করে নিলাম যেটা দিয়ে তৃষ্ণা সাথে কথা বলতাম । শুধুমাত্র ফোনে যোগাযোগ হতো আমাদের রাতে একবার নিরব স্যারকে ফোন করলাম….
হ্যাঁ দিপু বল …


স্যার আমার কাজটা তো শেষ হয়ে গেছে এবার আমার পাওনাটা দিতে হবে বলেন । একটু এমার্জেন্সি আমার পাওনা পেয়ে গেলে । কাল একটা নতুন বাইক কিনে গ্রামের বাড়িতে যাব ভাবছিলাম।
তুমি কখন গ্রামের বাড়িতে যাবে?
সম্ভবত কাল সকালেই!


ওকে তুমি সকালে রেডি হয়ে আমার বাসায় চলে আসবে।
ওকে ….
রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে একটা স্বস্তির ঘুম দিলাম । কারণ আমার কোন আর এখন ঝামেলা নেই । তাছাড়া কালকে আমার একটা স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।


আমার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল যে একটা বাইক কিনবো । অবশ্য অনেক আগে থেকে কিনতে পারতাম । কিন্তু কেনার চেষ্টা করেনি কারণ তখন আমি বাড়ি কেনার জন্য টাকা গুলো জমিয়ে রেখে ছিলাম।
এ করুনা মহামারীর কারণে অনেকদিন গ্রামের বাড়ীতে যাওয়া হয়নি । এবার তাই বেশ কয়েকদিন বাড়ীতেই থাকবো । তারপর বাবা মার সাথে নিয়ে শহরে চলে আসবো । আমার কেনা বাড়িটা তাদের জন্য একটা উপহার হবে । ( ভালোবাসার গল্প কাহিনী )


সে পরেরদিন সকালে নিরব স্যারের বাসা থেকে নাস্তা করে আমার শখের বাইকটা কিনে ফেললাম । তারপর সোজা চলে গেলাম ‌। গ্রামের বাড়িতে গ্রামের পরিবেশ আলাদা একটা অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করে, সব পরিচিত বন্ধুবান্ধব নিয়ে এক অসাধারণ সময় কাটাচ্ছি ।
এই করতে করতেই সময় যে কিভাবে কেটে যাচ্ছে আমি নিজেই বুঝতে পারছি না । আজ একটু ঘুরতে এসেছি… শহরের দিকে বাড়িতে ফোনে তেমন নেটওয়ার্ক পায়না, তাই তেমন ফোন আসেনি । কিন্তু শহরেই আসতেই নিরব স্যারের ফোন…

হ্যালো স্যার কেমন আছেন আপনি?
আমি ভালো নেই, আজ কয়েকদিন ধরে তোমাকে ফোন দিয়ে পাচ্ছি না ।
কেন কোন সমস্যা হয়েছে আবার নাকি?
হ্যাঁ কৃষ্ণার বাবা তৃষ্ণাকে কোনভাবে বিয়ে দিতে পারছেনা , তৃষ্ণা জেদ ধরে বসে আছে বিয়ে করলে শুধুমাত্র তোমাকে করবে । তুমি নাকি তৃষ্ণাকে ভালোবাসো ?

বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী


না স্যার ! আমিতো শুধু অভিনয় করেছিলাম । ওদের ব্রেকআপ করার জন্য!
এখন কি করবো তোমার মামনি তৃষ্ণাকে কথা দিয়েছে । তোমার সাথে তৃষ্ণাকে বিয়ে দিবে আর পিছনের বাবাকেও তৃষ্ণা কে তোমার সাথে বিয়ে দিতে রাজি ।

কিন্তু স্যার আমি এখন বিয়ের জন্য প্রস্তুত না।
দেখো দিপু, তৃষ্ণা অনেক ভালো মেয়ে আজ কয়েকদিন ধরে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছে না‌ বারবার বলছে তোমাকে না পেয়ে আত্মহত্যা করবে । আমি তোমাকে অনুরোধ করছি । তুমি বিষয়টা তোমার পরিবারকে জানাও এবং তোমার মা-বাবাকে শহরে নিয়ে এসো।
আচ্ছা স্যার আমি ভেবে দেখছি।


হুমমম
ধুর উটকো ঝামেলা এসে পরল আমার ঘাড়ে । এমন হবে জানলে এ কাজটা করতাম না ‌। এখন বিয়ে করবে কে ? এদিকে নিরব স্যারের কথা ও আমি ফেলতে পারবো না।
তারপর বাড়ি ফিরে সব কিছু মা-বাবাকে জানালাম । তারপর বলল তাদের যদি মেয়ে দেখে পছন্দ হয় । তাহলে তাদের আপত্তি নেই। উনাদের কথা শুনে মনে হচ্ছিল আমি ফেঁসে গেলাম । ( ভালোবাসার গল্প কাহিনী )


তারপরের দিন মা-বাবাকে নিয়ে চলে এলাম শহরে । ফোনে নিরব স্যারের সাথে কন্টাক্ট করে । স্যার কে সাথে নিয়ে তাদের বাসায় সামনে দাঁড়িয়ে আছি । ভেতর থেকে একজন মহিলা দরজা খুলে দিলেন, হয়তো উনি তৃষ্ণার মা ।
আমরা ভিতরে ঢুকে কেবল দাঁড়িয়েছি । কোথা থেকে তৃষ্ণা এসে জড়িয়ে ধরলো ।আমাকে। কিএক্টা অবস্থা সবাই সামনে এভাবে জড়িয়ে ধরতে লজ্জা পেয়ে গেলাম । বিষয়টা বুঝতে পেরে তৃষ্ণার মা বললো….


তৃষ্ণা তুমি ওকে তোমার রুমে নিয়ে যাও আমরা তোমাদের বিয়ের ব্যাপারে কথা বলি ।
বলা মাত্রই তৃষ্ণা আমার শার্টের কলার ধরে ওর রুমে নিয়ে এসে দরজা বন্ধ করে দিলো ।

এই কুত্তা তুই কোথায় ছিলি এতদিন তোর নাম্বার বন্ধ কেন ? আমি তোকে কতবার ফোন করেছি জানিস?
আমি যেখানেই থাকি তাতে তোমার কি? ( ভালোবাসার গল্প কাহিনী )

আমার কি তাই না রে কুত্তা তোর জন্য সেদিন বিমানের আসল চেহারা দেখতে পারলাম । কত ভালবাসতাম কিন্তু ওই কুত্তা আমাকে ধোকা দিলো । তুই না আমার বন্ধু ছিলি আমাকে ভালবাসতে তাহলে আমাকে কিছু না জানিয়ে চলে গেলি কেন বল?


আমি ভাবলাম তোমার একা থাকা প্রয়োজন তাই একটু গ্রামে গিয়েছিলাম।
আমাকে বলে যেতে পারলিনা, জানিস এই কয়দিন বিমানের থেকেও তোকে বেশি মিস করেছি।
তোর সাথে যত কথা বিমানের সাথে তেমন কথা হতো না আমার । তোর সাথে কথা বলতে বলতে আমার খুব ভাল লাগতো । জানিস আমি তোকে কত মিস করেছি ?


আমাকে মিস করার কি আছে ? আমরা বন্ধু না… বিয়ের পর তো আর আমি তোমার সাথে থাকবো না ।
আমার মেজাজটা এমনিতেই খারাপ, এখন আর মেজাজটা গরম করিয়া দিও না? ( ভালোবাসার গল্প কাহিনী )


আচ্ছা হঠাৎ করে আমার জন্য এত ভালবাসা কোথা থেকে আসলো শুনি?
আমি জানিনা, তবে আমি তোমাকে হারাতে পারবো না ‌। তোমার মত এত কে রিং একটা বর থাকলে আমার আর কিচ্ছু লাগবে না, সারাদিন তোমার সাথে শুধু গল্প করবো ‌‌।
আমাদের এখনো বিয়েই হল না আর উনি এসেছে আমাদের সঙ্গে গল্প করতে?
মেরে ফেলবো কিন্তু…


মারো …
ভালোবাসি ….
হুম ….
হুম কি ? ভালোবাসি বল !
হুমম ভালোবাসি ভয়ংকর সুন্দরী …


যদিও আমি তার সঙ্গে প্রথম থেকেই অভিনয় করেছি কিন্তু তার সাথে মিশতে মিশতে ওর জন্য আমার মনেও একটা আলাদা জায়গা তৈরি হয়েছিল । ভেবেছিলাম ওকে পাবো না তার জন্য সরে এসে ছিলাম । তাছাড়া আমার প্রেমে তেমন আগ্রহ ছিল না।


এখন যেহেতু তৃষ্ণা আমাকে ওর কাছে আসার সুযোগ করে দিয়েছে । তাহলে নিজেকে দূরে রাখি কিভাবে । খুব শিগগিরই ভয়ংকর সুন্দরী কে আমার নিজের করে নিবো ।

Follow Facebook page – https://www.facebook.com/Chhota-golpo-109362014762389/
Follow instagram – https://www.instagram.com/chhotagolpo/
Follow linkedin page – https://www.linkedin.com/in/chhota-golpo-a568a6161

তো আমাদের আজকের ভালোবাসার গল্প কাহিনী টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

2 thoughts on “সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম – ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022”

Leave a Comment