মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প | PART 3

Table of Contents

*হ্যালো বন্ধুরা আমি এই পোস্টে আপনাদের কে একটা সুন্দর মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প বাসর রাতে বিয়ে রোমান্টিক গল্প দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসা প্রেমের কাহিনী রোমান্টিক মিলনের গল্প শোনাতে চাই । আমি আপনাদের প্রথম রাতের অভিজ্ঞতা বা রোমান্টিক প্রেমের ফুলশয্যার গল্প শুনাতে চাই । তো শুনতে থাকুন ।বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প বা  বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প শুনতে থাকুন ৷

  রোমান্টিক ভালোবাসার রাত এর PART 3 ছোট গল্প শুনাতে থাকুন। 

 মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


রাহুল:– দেকছি ভাবনা ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে যাচ্ছে তাই নিজেকে একটু শান্ত করলাম দেখো পিচ্চি বউ আমার আমি তোমার এখন স্বামী আর স্বামীকে কেউ দাদা বলে ডাকে ডাকলে যে পাপ হয় আর এই পাপ ভগবানও ক্ষমা করবে না তাহলে আর এখন তুই যদি চাস আমি মরে যাই তাহলে ডাক  ভগবান কে বলব যে বউ কথা শুনে নেই আমার কথা তাই মরে গেলাম বলবো ‌।

 ভাবনা:– না না কখনো আমি আর তোমাকে দাদা বলে ডাকবো না তুমি মরবা না? আমি সত্যি বলছি আর তোমাকে দাদা ডাকবো না ।
রাহুল:– ভালো মেয়ে(কপালে একটা চুমু খেয়ে)
 ভাবনা:–ছি ছি তুমি আমার কপালে এটা কেন করলে ?
রাহুল:–  বড্ড বেশি বকছিস কিন্তু তুই মা বলেছে না আমি যা তোকে করতে বলব মন দিয়ে শুনবি আর তাহলে এগুলো কম বেশি হবে? আর তোর শুনতে হবে।
ভাবনা:– তুমি আমার দাদা আর তুমি আমাকে চুমা দিলে ?

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রাত,রোমান্টিক বাসর রাত,বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক গল্প বিয়ে,বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প,বাংলা রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক বাসর রাত,

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

রাহুল:– আর একবার যদি বলেছ তাহলে ….. তাহলে আমি মরে যাব কিন্তু। 

ভাবনা:– না না বলবো না আর তুমি এমন কেন করছো।
রাহুল:–  হ্যা শোন আর তুই কাল থেকে আমার মা-বাবাকে তুই আর পিসি পিসা বলবে না।
ভাবনা:–তাহলে ?
রাহুল:– তাহলে আর কি তুই বুঝিস না পিচ্চি মেয়ে একটা মা বাবা বলে ডাকবি।
ভাবনা:– আচ্ছা যা বলবা তাই শুনবো । তুমি শুধু মরো না ।
রাহুল:– ঠিক আছে তাহলে তুমি এখন ঘুমিয়ে পড়ো । কিছু সময় পর…
ভাবনা:– দাদা… ছি ছি দাদা না ভাইয়া না শোনো না?
রাহুল:– কিছু সময় হয়ে যাওয়ার পর এবার আমার কান্না করা অবস্থায় এত সময় কি বোঝালাম ? বল কি হয়েছে তোর?

ভাবনা:– বলছি আমাকে একটু ছেড়ে দাও তুমি এভাবে ধরে থাকলে আমার ঘুম আসছে না যে!
রাহুল:– ঘুম আসছে না আসলে তাই নয় তবে আর একবার “, ভাইয়া না ” ভাইয়া না” ডাকলে তোরে মেরে ফেলাবো পাজি মেয়ে কোথাকার মজা করছিস আমার সাথে?
ভাবনা:– তো তোমাকে কি বলবো তুমি তো বললা ভাইয়া মানে দাদা না বলতে ? বলা যাবে না? 
রাহুল:–বলবি ওগো শুনছো একটু ছাড়ো না আমার এই এইরকম ধরে ঘুম আসছেনা এভাবে ডাকবি বুঝেছিস তোর মা তোর বাবাকে কিছু বললে বলে ওগো শুনছো বলছি যে এরকম ধরনের কিছু জিনিস নিয়ে আসবে এখন ঘুমা গুড নাইট!

রোমান্টিক গল্প, রোমান্টিক মিলনের গল্প, ভালবাসার গল্প 18+, ভালবেসে বিয়ে করার গল্প, বৌকে ভালোবাসার গল্প,

রোমান্টিক প্রেমের গল্প

             সকাল হয়ে গেলো
             
রাহুল:– সকালে কানে কি যেন একটা শব্দ হইলো আমার ঘুম ভাঙলো । দেখি ভাবনা আমার কাছে এসে দাঁড়িয়ে ডাকছে আমাকে?
ভাবনা:– ওগো শুনছো ও গো শুনছো পিসি ছি… ছি… মানে মা । ওঠো ওঠো মা তোমাকে ডাকছে । 
রাহুল:– চোখ খুলে মুচকি হেসে দিলাম।  হ্যাঁ হ্যাঁ ! আচ্ছা মা ডাকছে আমাকে?
ভাবনা:– হ্যাঁ ডাকছে তো তোমাকে  ! আমাকে বলেছে তোমাকে ডেকে দিতে।
রাহুল:– আমি ওর কোমর ধরে একটানে নিজের কাছে নিয়ে আসে পাশে শুয়ে ওর গলায় মুখে গুঁজে দিই এত সকালে কেন ডাকছিস জানিস না আমি দেরি করে উঠি মা তো বলবেই তাই বলে তুই আমাকে ডাকবি?
ভাবনা:–আ আ আমি স সত্যি বলছি । পিসি …ম মা ডেকেছে । ব বলেছে ।ত তোমাকে একটু ডেকে দিতে ?
রাহুল:– আমি জানি ভাবনার অসস্থি হচ্ছে আমি ওর এতটা কাছে থাকায় । কিন্তু ওকে এভাবে দেখে ইচ্ছে করছিলো।  জড়িয়ে নিতে ।  তাই কাছে নিয়ে নিলাম।  তা তো বুঝলাম । তাই এত সকালে গোসল করেছিস কেন তুই?
ভাবনা:– ত তুমি ছাড়ো আমাকে আমার কেমন যেন লাগছে।
রাহুল:– না ছারব না এভাবে বল এত সকালে গোসল করেছিস কেন?
ভাবনা:–আমি করতে চাই নি । মা জোর করে করিয়ে দিয়েছে।  বলেছে সকালে নাকি গোসল করতে হয়। 

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প

রাহুল:– এমনি এমনি আর বলেনি নিশ্চয়ই কি জানতে চাওয়ার পর বলেছে রুম থেকে বেরোনোর পর কি কি জানতে চাইছে বলতো।
আমি যখন রুম থেকে বেরিয়েছিলাম। তখনই মার কাছে যাই ।  তখন মা জানতে চাইল কাল রাতে কি তুমি আমার কাছে এসেছিলে? আমি বলে দিয়েছি হ্যাঁ।  তারপর পিসি ম..টুক্কু  মা জানতে চেয়েছে সকালে কি আমি স্নান করেছি ?  বলেছি না । অমনি মা কে ধরে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিলো বললো গোসল না করে কিছু না করি । 
রাহুল:– মনে মনে আমি গাধী মেয়ে একটা কাছে আসার মানে বোঝো না কোন আর মা গোষ্ঠীর বলি আমাকে কি মনে করে হ্যাঁ প্রথম দিনই তাদের বলদা মেয়েকে আমি বুদ্ধিমতী বানিয়ে ফেলবো । ধ্যাঁ সবাই কি ভাবছে বাইরে গেলে ?  আজ বাড়ি যাব না ।  নিশ্চয়ই আমায় দেখে মুখ চেপে হাসবে?
ভাবনা:– এখন ছেড়ে দাও ভা…. ওগো।
রাহুল:– উফ ছাড়তে পারে যদি একবার তোর ঠোঁটটা স্পষ্ট করতে দিস । 
ভাবনা:– ছি ছি কি তুমি এত খারাপ কেন।
রাহুল:– হুম আমি খুব খারাপ বলে টিপ করে ওর ঠোঁটের উপর একটা চুমু খেয়ে ছেড়ে দিই । 
ও লজ্জায় দৌড়ে পালাই।  আর আমি মনে মনে ভাবছি কিছুই বোঝে না ? নাকি আমাকে বলদ বানাছে না তো ।  যদি না বোঝে তাহলে লজ্জা পেলো কেন ?  আচ্ছা আমি এতদিন খোঁজখবর নেয়নি সেই শোধ নিচ্ছে না তো কেমন জানি একটা ঘাপলা আছে মনে হচ্ছে ? 
দু’দিন পর নিজেদের বাড়িতে ফিরে আসি । আমি মা-বাবা ভাবনাসহ ‌  বাড়িতে এসেও একই অবস্থা বারবার মা বাবার সামনে এমন কথা বলে লজ্জা আমি তাদের সামনে থাকতে পারি না ।  গত রাতে কথা বলি …..

ভাবনা

পিচ্চি বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

ভাবনা:– হুম বলো ভাইয়া  টুক্কু ছি …ওগো । 
রাহুল:– সে কাপড় গোছাতে ব্যস্ত থাক তোকে আর কষ্ট করতে হবে না । 
 ভাবনা:–সত্যি আমাকে আর কাপড় গোছাতে তো হবেনা?  তোমাকে ধন্যবাদ আমার ও ইচ্ছে করছিল না কিন্তু মা বাড়ি থেকে আসার সময় বলে দিয়েছে ।  আমি বলে কিছুই করি না নিজের কাজটা অন্তত যেন করি তাই ? আমার কাপড় গুলো গোছাচ্ছিলাম এগুলি তুমি করে দিবে তাহলে … 
রাহুল:– একটু দম ছেড়ে নেই বউ একসাথে এত কথা বললে দম আটকে যাবে যে আমার । আর তোকে কাপড় গোছানো কষ্ট বলে বলেনি । বলেছি যে  কষ্ট করে আর ভাইয়া থেকে ওগো বলতে হবেনা বুঝেছো।
 ভাবনা:– ও তাই বুঝি ! কোথায় ভাবলাম আমাকে আর ভাবলাম কাপড় গোছাতে বলবে না ।
রাহুল:– আমি ওর পিছে যে জড়িয়ে ধরে আদুরে গলায় বলি ঠিক আছে কাপড় গোচাতে ইচ্ছে না করলে করার দরকার নাই কাজের লোককে দিয়ে করাবে এখন আমাকে একটু আদর করে দে?
ভাবনা:– ছি ছি তুমি এসব কি বলছো ?
রাহুল:– হুম হ ঠিকই তো বলছি তুই না করলে আমি করছি বলে ঘুরিয়ে আমার দিকে ফেরায়  । এর কোমরটা  আমার সাথে মিশিয়ে নিন তারপর যখন ঠোটে চুমু দিতে যাব তখন মা এসে নক করে দরজা খুলে দেই ।
মা আসো কিছু বলবা?

 রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী 

 মা:– হ্যাঁ বলব ভাবনা কাছে কাজ ছিল ভাবনা কোন কিছু করছিস?
ভাবনা:– হ্যাঁ করছিলাম তো ভাইয়া …. থুক্কু ওগো আমাকে আদর করছিলো। 
রাহুল:– মায়ের স্বাভাবিক কথায় ও যে এমন টা বলবে আমি বা মা কেউই কল্পনা করতে পারি নি। মা মুখ চেপে হাসতে লাগলো। আর আমি কি করি বলেন তো লজ্জায় দ্রুত বাহানা কাটিয়ে বাটরুমে ঢুকে পরি । তার পর বাটরুম থেকে বেরিয়ে দেখি মা চলে গেছে । আমাকে আবার কাজে ফিরে যেতে হবে বলে মার কাছে গেলাম। 
 মা:– দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? ভিতরে আয় তোর ট্রেন কয়টায় ?
রাহুল:– মা বলছি যে তুমি তো দেখছো ভাবনা কেমন? ওকে নিয়ে গেলে ওর বিপদ হতে পারে তো। একলা না জানি কি করে বসবে ? ও মা ভাবনা তোমার কাছেই থাক না । আমি ছুটি তে এসে বেড়িয়ে যাব । কথা দিচ্ছি এবার থেকে ভাবনার খোঁজ খবর নিব। 
 মা:– নাহ আমি তোর কোন কথা শুনতে চাই না । … আর তোর থেকে ভাবনার কথা আমি বেশি চিন্তা করি । তাই ওর কোথায় বিপদ বেশি কম আমি ভালো করেই জানি । ওকে নিয়ে যা তুই ও তোকে ওর ভূল ধরার কোনো সুযোগই দিবে না দেখে নিস। 
রাহুল:– মা তুমি এই সব জানার পরেও কি করে বলছো এসব? ও এখনো ছোট । ওর বয়সটাই শুধু বেড়েছে । তুমি কি বুঝতে পারছো না ?
 মা:– আমি সব বুঝি সেজন্য তোকে বলছি নিয়ে যা । 
রাহুল:– মা তোমাকে এত করে বললাম তুমি বুঝতেছো না । আমি ওকে নিয়ে যাব কিন্তু ওর কিছু হলে তুমিই দ্বায়ী হবে । আমি তোমাকেই দ্বায়ী করবো । বলে রাগ করে বেরিয়ে এলাম । কারণ ভাবনা কে আমিও চাই নিয়ে যেতে । কিন্তু ও যেমন বোকা ওর সাথেই সব সময় একজন কে লাগবে । আর ওকে বাচ্চাদের মতো ট্রিট করবে । কি করে এই পিচ্চিটা যে কি করে মানুষ করবো আমি?
অবশেষে সবার থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম আসার সময় ভাবনা কিন্তু একটু কোন কান্নাকাটি করল না খুব খুশি হলাম । এটাই আমি আশা করেছিলাম শুধুমাত্র অবাক হয়েছিলাম যে কাল রাতে যখন মার কাছে ঘুমানোর বায়না ধরেছিল আমিও আর বারণ করলাম না  কারন আজকে চলে যাব তাই অনুমতি দিয়েছিলাম । 

 রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 

রাহুল:– অদ্ভুত ব্যাপার হলো পিচ্চিটা আজকে অনেক শান্ত হয়ে আছে ।ওর এরকম চুপচাপ কমই থাকে । আলাদা একটা কেবিন নিয়েছে ট্রেনে ।  ওকে নিজের দিকে টেনে বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে  বুঝতে পারছি ওর মন খারাপ আমি ধরতে কান্না করে দেই  । আমি মনে মনে ভাবছি  বাড়ি যাব তা বলতে না বাইনা ধরে বসে ।
অ্যা অ্যা কান্না ।  
এই পিচ্চি কাঁদছিস কেনো?  তুই আসার সময় তো বেশ খুশি খুশি ছিলি দেখ কান্না করিস না আমরা আবার কিছুদিন পর আসবো ।  বাসার সব রেডি করে রাখিয়ে ছিলাম একটা ফ্রেন্ড কে ফোন করে বলেছি কাল থেকে কাজের লোক চলে আসবে । ঘরটা একটু বোঝানোর দরকার  ।  তবে ভেবেছি খাবার কিনে আনি আগে ওর নিশ্চয়ই ক্ষুধা লেগেছে ।  পরে সব করা যাবে পিচ্চিটা সব ঘুরে ঘুরে দেখছি কোন আকাম করিস না যেন প্লিজ আমি যাস্ট যাব আর আসবো।  আমি বাইরে থেকে লক করে যাচ্ছি ঠিক আছে। 
ভাবনা:– হুমমম….

 ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প 

রাহুল:–বাইরে থেকে খাবার নিয়ে এসে দেখি দেখামাত্রই আমি অবাক কারণ তুমি একবারে গ্রামের মতো মাজায় কোমর বেঁধে কাজে লেগে পরেছে এটুকু সময়ের মধ্যে প্রায় ঘরটাকে একটা সুন্দর ঘরে পরিণত করেছে। 
ভাবনা:– ও তুমি এসে গেছো?  দেখো সব গুছিয়েছি একটু বাকি আছে কেমন হয়েছে বলো? আর যে এই লিষ্ট টা  নাও এই জিনিসগুলো নাই কমন সব সময় লাগবে এগুলি এনে দেবে প্লিজ ।

রাহুল:– ট.. ট.. টু মি তুই এইসব করেছিস? তুই এসব ও করতে জানিস?
ভাবনা:– হুমম !কেন হয়নি নাকি।
রাহুল:– আমি খাবারের প্যাকেট টা খাটে ফেলে ওকে জড়িয়ে ধরি। এই শোন সত্যি কি তুই এইসব করছিস সত্যি করে বলতো?
ভাবনা:– কেন হয়নি কিছু কি ভুল হয়েছে?
রাহুল:– উহু সবই তো ঠিকই আছে আর একজন রুচিসম্পন্ন মানুষের মত হয়েছে । উম্মাহ (আমার পিচ্চিটা সত্যি কবে এত বড় হয়ে গেছে আমি বুঝতে পারিনি মা এই জন্যই বলেছিল আমাকে যে তোর কোনো ভুলই আমি ধরতে পারবো না)। 
কি সব বলছো ভাইয়া টুকু ওগো ।

মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

রাহুল:–উহু কিছুনা  ‌। চল খেয়ে নিবি রাতে টুনি…. মানে পিচ্চি বউ…. ও আমার পিচ্চি বউটা আর কত সময় এভাবে চোখ বেধে বসে থাকবো তাও আবার বাথরুমে? আসলে গত এক ঘন্টা ধরে ভাবনা আমার চোখ বেঁধে বাথ রুমে বসিয়ে দিয়ে গেছে শুধু চোখ নয় হাত বেঁধে দিয়েছে যাতে করে চোখ বাঁধন খুলতে না পারি কেন যে করেছে বলছে না বলছে তার কি কাজ আছে আর হয়ে গেলে সে আমাকে বলবে। 
ভাবনা:– হয়ে গেছে গো আসছি একটু অপেক্ষা করো।
রাহুল:– বলেছে সে  এসে আমাকে বাধা অবস্থায় বেরিয়ে নিয়ে আসে ।  হাত খুলে দেয়।  চোখ খুলি ?
ভাবনা:– না না আর একটু ওয়েট করো?
রাহুল:– আরে আরে কি করছিস আমার শার্ট খুলছিস কেন?
ভাবনা:– চুপপপপ
রাহুল:– বাও বাও ! এইরপ কোথায় ছিল এতদিন ? তোর বাসায় আসতেন আস্তে কেমন পরিবর্তন হয়ে গেছিস ।  তোকে আমি চিনতে পারছি না টুনি ?
ভাবনা:– হুম হয়ে গেছে এবার আস্তে আস্তে চোখ টা খুলতে পারো? 

রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প

রাহুল:– আমি চোখ খুলেই অবাক আমার মনে হচ্ছে আমি স্বপ্ন দেখছি কারণ আমার বেডরুম টা পুরো বিভিন্ন কালারের বেলুনে ভরে আছে চারপাশে লাইট সব বন্ধ রুমের চারপাশে সুন্দর করে মোমবাতি দিয়ে সাজানো আমি চোখ ঘুরিয়ে ঘরে ভাবনা দিকে চোখ যায় পিছে ফিরে দাঁড়িয়ে আছে চুল থেকে পানি ঝরছে টপটপ করে । 
আমার নিজের দিকে তাকাতেই চোখ কপালে ইস মেয়েটা আমার শার্ট খুলে ফেলেছে আমি ধীর পায়ে ওর দিকে যাই ঘাড়ে হাত রেখে সামনে ফেরাতেই ফিক করে হেসে দেয় হা হা হা এটা কি পরেছিস ?
ভাবনা:– তো কি করব আমি পড়তে পারি না কি যেমন পেরেছি তেমনি পড়েছি । 
রাহুল:– হুমম এইভাবে তোকে খুব সুন্দর লাগছে টুনি। 

রোমান্টিক বাসর রাত

ভাবনা:– লজ্জায় মাথা নিচু করে নেয় । ,😜😜😜😜সত্যি ?
রাহুল:– হুম । আসলে ও আমার দেওয়া সেই শাড়িটা পরেছে তবে পেচিয়ে পেচিয়ে রেখেছে । এইসবের মানে কি? এইসব কি করেছিস ‍?‌
ভাবনা:– কেন  বাসর ঘর 😜😜🤗🤗সাজিয়েছি ।  আমাদের তো এটা বাকি আছে তাই না?
রাহুল:– (চোখ বড় বড় করে) কি?
ভাবনা:– হুমম। আর আমি সবই বুঝি জানি । বিয়ের পরে ফেলে আসছিলা ।  আমি কিছু বুঝিনা সেজন্য ?  তাই সব শিখে নিয়েছি আর সব জানিও । 
রাহুল:– আচ্ছা । তুই কি কি জানিস ?
ভাবনা:– ওই যে যা শিখেছে তাই ভাইয়া.য়ায়া….?
রাহুল:– অমনি না ? অমনি মুডটা নষ্ট করে দিলি ? তো তবে রে দেখাচ্ছি মজা । বলে যখন ধরতে গেলাম ও দৌড় দিতে যেয়ে শাড়িতে বেঁধে উল্টে পড়ে যায় খাটে তাও আবার আমাকে নিয়ে । তারপরে বাকিটা ইতিহাস । ……❤️❤️❤️❤️❤️😘😘😘🤓🤓🤓🤓😜😜.   

পরবর্তী PART 1 দেখতে Click here

পরবর্তী PART 2 দেখতে Click here

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment