মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 2022

মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প বাংলা রোমান্টিক প্রেমের গল্প ছোট কাহিনী 2021 । এই রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্পতে আপনারা জানতে পারবেন যে মামাতো বোন কিভাবে আমাকে বিয়ে করলো । তার পর ছলনা করে বিয়ে তো বন্ধুরা আমাদের chhota golpo ওয়েবসাইডে আপনাদেরকে স্বাগতম । দেখতে থাকুন এই মামাতো বোন এর প্রেম কাহিনী টি আর অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

আমাদের সাইটে আপনারা পেয়ে যাবেন চাচাতো , মামাতো, খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প তো আমাদের সঙ্গে থাকুন ।

মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কলেজে যাওয়ার জন্য যখন রেডি হচ্ছি ‌ তখন হঠাৎ প্রিয়া আপু মানে মামাতো বোন আমার রুমে এলো কিন্তু আমি আপুর দিকে তাকিয়ে মাথাটা নীচু করে ফেললাম । আপুর শাড়ি ঠিকমতো নেই ওর তলপেটের উপরে কাপড় নেই, বুকের ওপর ঠিকমতো কাপড় রাখে নাই, আপু প্রতিদিন আমার রুমে এভাবেই আছে । কারণ মামাতো বোন নাকি আমাকে ভালোবাসে আমার সামনে এসে বলল ।


কিরে তুই মাথা নিচু করে আছিস কেন?
আপু তোমাকে আমি কতবার বলবো । তুমি আমার রুমে আসলে শরীরে কাপড় ঠিক করে আসবে কিন্তু তুমি আমার কথা শোনো না কেন ।
তুই কি বুঝিস না আমি কেন তোর সামনে এইভাবে আসি । ( মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প )


প্রিয়া আপু তুমি যেটা চাচ্ছ সেটা কখনো সম্ভব নয় । আমি তোমাকে ভালবাসতে পারব না । আর সবচেয়ে বড় কথা হলো । তুমি আমার থেকে বড় তোমার একটা বিয়েও হয়েছে আব্বু আম্মু কখনো এটা মেনে নেবে না ।
কেন মেনে নিবে না বল আমার তো ডিভোর্স হয়েগেছে আর আমি তোর থেকে দু বছরের বড় তাহলে মেনে নিবে না কেন আর আমি পিসি পিসা কে বুঝিয়ে বলো ।


তারপরও আমি তোমাকে ভালবাসতে পারব না । আমার ইচ্ছে বিয়ের আগে প্রেম করবো 2ও3 বছর প্রেম করার পর আমি বিয়ে করবো ।
তাহলে তুই আমার সাথে প্রেম কর আমি তোর জন্য অপেক্ষা করতে রাজি আছি ।

ধ্যুৎ তোমার এইসব কথা আমার ভালো লাগছে না আমি গেলাম কলেজে । এই বলে চলে আসলাম নিচে আব্বুর থেকে টাকা নিয়ে বাইরে এসে বাইক নিয়ে কলেজে যেতে লাগলাম তখন আব্বু আম্মু বলল নাস্তা করে যাওয়ার জন্য কিন্তু আমি বাইরে খেয়ে নিব বলে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে আসলাম ।


অমনি আপু আমার মাথাটা খারাপ করে দিচ্ছে যেতে যেতে আপনাদের পরিচয়টা দিয়ে দিই । আমি ইকবাল এবার অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ি পরিবারে আব্বু আম্মু আর আমি আব্বু নিজের অফিস দেখাশোনা করে আম্মু হাউস ওয়াইফ । আর প্রিয়া হল আমার মামাতো বোন ‌। মামারা তো তেমন বড়লোক না । মামার মাত্র একটা ছোট্ট জুতার দোকান আছে ।


আর তার একটা ভাই আছে । তার একটা ছোট্ট বোন আছে । পিয়ার আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে বিয়ে হয়েছিল কিন্তু তার শশুর শাশুড়ী এবং জামাই কেউ ভালো না । আর গ্রামের মানুষ তো মামার সংসার চালাতে কষ্ট হয় দেখে প্রিয়া আপুকে বিয়ে দেই । পরে যৌতুকের জন্য অনেক অতাচার করতো তার শ্বশুর বাড়ির লোক ।


কিন্তু মামা মামি আমাদের জানায়নি বিয়েতে আমাদের কেউ যেতে পারিনি । কারণ আব্বু অফিসের কাজের জন্য বাইরে গেছে । আম্মু অসুস্থ ছিলো আর আমি আব্বু আম্মুকে ছাড়া কোথাও যায় না । বিয়ের পর প্রথম প্রথম ভালই চলছিল সংসার কিন্তু পাঁচ মাস যাওয়ার পর অত্যাচার শুরু করে প্রিয়া ওপর । প্রায় দুই মাস অনেক সহ্য করেছে এরপর আর না পেরে তার আব্বু আম্মুকে বলে তারপর মামা-মামীর আমাদের কাছে ফোন দিয়ে সব বলে ।

তখন আমার বাবা মামাদের বাড়িতে যাই ওখানে গিয়ে তারপর নিবি আপুকে মামার বাসায় নিয়ে আসে । তারপর ওই ছেলেকে ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দেয় আব্বু-আম্মু কিছুদিন থেকে কি আপুকে সাথে করে আমাদের বাসায় নিয়ে আসে কি আপু আমাদের বাসায় প্রায় চার মাস হয়ে গেছে আশা আব্বু আম্মুকে নিজের মেয়ের মত রাখে আর অভি আর মিরা প্রিয়ার ছোট দুই ভাই বোন তাদের পড়াশোনার খরচ এখন আব্বু চালায় ।

প্রথম দুই তিন মাস ভালই গেছে কিন্তু এই মাস ধরে প্রিয়া আপু আমার সাথে পাগলামো শুরু করেছে । সে নাকি আমাকে ভালোবাসে আমি তাকে বারবার মানা করেছি কিন্তু আমার কথা শুনে না আব্বু আম্মুর কাছে বলতেও পারি না লজ্জায় । তো যাই হোক কথা বলতে বলতে আমি কলেজে চলে আসলাম । আশা সবাই রেস্টুরেন্টে নাস্তা করে নিলাম গেট দিয়ে ঢুকে ভেতরে গিয়ে বাইক পার্কিং করে বন্ধুদের কাছে চলে গেলাম ।


তাদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে ক্লাস করতে চলে গেলাম সব ক্লাস শেষ করে । বন্ধুদের বিদায় দিয়ে বাইক নিয়ে আবার বাসায় চলে আসলাম কলিং বেল টিপে দেওয়ার পর প্রিয়া আপু এসে আবার দরজা খুলল ।


তাকে দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক খুশি আমি কোনো কথা না বলে নিজের রুমে চলে আসলাম । রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে এসে সবার সাথে খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম । তখন কি আগে দেখলাম বারবার আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে । আমি তো কিছুই বুঝতে পারলাম না আমি কিছুক্ষণ মোবাইল টিপে ঘুমিয়ে গেলাম । বিকেল বেলা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে বাইরে চলে আসলাম । বাইরে বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে আবার বাসায় চলে আসলাম কলিং বেল চাপ দেওয়ার পর এবার আম্মু এসে দরজা খুলে দিল ‌ ।

কিরে এতক্ষণ কি করছিলি তুই তোকে আমি কতবার ফোন দিয়েছি দেখ তো ।
সরি মা মোবাইলটা সাইলেন্ট ছিল তাই বুঝতে পারিনি তা ফোন করেছিলে কেন ।
তোর মামা মামি এসেছে ‌। তাদের সাথে কথা বলে রুমে যা আমি আসছি তোর সাথে কথা আছে ।

ঠিক আছে আমি ভিতরে ঢুকে দেখি মামা মামী আর আর মামাতো বোন সবাই বসে আছে আমি তাদেরকে সালাম দিলাম কিছুক্ষণ কথা বলে রুমে চলে আসলাম রুমে এসে ওয়াস রুমে চলে গেলাম ফ্রেশ হয়ে । রুম থেকে বেরিয়ে দেখি আব্বু আম্মু আমার রুমে এসেছে । আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার বাবা ? হঠাৎ তোমরা আমার রুমে কি বলবে কি কথা বলো রাখার মত হলে আমি রাখবো ।

আমরা চাই তুই প্রিয়াকে বিয়ে কর ? তুই তোর মামাতো বোন কে বিয়ে করে তোর মামাতো বোন যখন বউ বানিয়ে নে ।
আম্মু তোমরা কি পাগল হয়ে গেছো নাকি প্রিয়াকে আমি বড় বোনের মত সম্মান করি আর বড় কথা হলো । ওনি আমার থেকে বড় তোমরা কি ভাবে বললে যে আমি প্রিয়া আপুকে বিয়ে করবো ।


তখন বাবা বলে উঠলো বড় হয়েছে তো কি হয়েছে ? আমাদের তো কোন সমস্যা নেই । আর মেয়েটা বিয়ের পর অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছে মেয়েটা । আমি চাই তুই ওকে বিয়ে কর মেয়েটার ভবিষ্যতের কথা একবার চিন্তা কর আমরা চাই তাকে একেবারে এই বাড়ির বউ মানে তোর মামাতো বোন যখন বউ হিসেবে রেখে দিতে ।


বাবা এটা আমার দ্বারা সম্ভব নয় আমি কখনো কি প্রিয়া আপুকে বিয়ে করতে পারবোনা । আর আমি এখন পড়াশোনা করছি, বিয়ে করে তাকে খাওয়াবো কি ।


আমাদের কি কম আছে বাবা ! তোকে এইসব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না আমরা মরে গেলে তো সবি তোদেরকে দিয়ে যাব । তুই আমাদের একমাত্র ছেলে । তুই বাবা না করিস না আমরা তোর মামা মামিকে খবরটা দিয়ে নিয়ে এসেছি ।


আমি তাকে বিয়ে করবো ঠিকই কিন্তু আমার কাছে কখনো স্বামীর অধিকার পাবে না । সে আমাকে আমার মত চলতে দিতে হবে তোমরা কোন কিছু বলতে পারবে না আমাকে ।
সেটা পরে দেখা যাবে এখনি এই পাঞ্জাবীটা পরে নিচে আয় । কাজী সাহেব তোদের জন্য অপেক্ষা করছে। আজকেই তোদের বিয়ে হবে পরে একসময় বড় করে অনুষ্ঠান করব ।

রেখে যাও আমি রেডি হয়ে নিচে আসছি আব্বু-আম্মু পাঞ্জাবী দেখে নিচে চলে গেল আমি বিছানায় বসে ভাবতে লাগলাম এই সবকিছু করছে পিয়া আপু আমি তাকে বিয়ে করবো ঠিকই কিন্তু কখনো স্বামীর অধিকার দিব না । পিয়া আপু আমার আব্বু আম্মুকে ভুলভাল বুঝিয়েছে একটা কথা কি রিয়া আপু আমার সামনে আসলে কোন ফিলিং আছে না কেমন যেন বিরক্তি লাগে মরি মাইয়া তুই আমারে বিয়ে করতে পাগল হয়ে গেছে এবার দেখবি আমি তোরে কী করি আর কিছু চিন্তা না করে বাধ্য ছেলের মতো পাঞ্জাবিটা পড়ে নিলাম নীচে এসে দেখি আপু সুন্দর একটা শাড়ি পড়ে বসে আছে । প্রিয়া আপু মাথা নিচু করে বসে আছে ।


আব্বু আম্মু আমাকে বলল প্রিয়া আপুর পাশে যে বসার জন্য । একটু বিরক্তিকর হয়ে তার পাশে যে গিয়ে বসলাম । কিছুক্ষণ পর কাজীর বিয়ে পড়াতে শুরু করলো প্রিয়া আপুকে কবুল বলার জন্য বলল সে সাথে সাথে বলে দেয় ‌।


কি মেয়েরে বাবা একটুও সময় নিল না এবার কাজী আমাকে বলল কবুল বলার জন্য আমি কিছুক্ষণ চুপ করে আছি তখন আব্বু আম্মু আমাকে বলতে বলল কবুল বলার জন্য আমি তাদের দিকে একটু রাগটাকে কবুল করলাম তারপর কাজে মনোযোগ করল আমি আর কোন কথা না বলে ছাদে চলে গেলাম সালা এইভাবে বিয়ে করতে হবে আমি কখনোই ভাবিনি’ কত আশা ছিল । আগে প্রেম করবো । তারপর সব বন্ধুদের নিয়ে বড় করে অনুষ্ঠান করে বিয়ে করবো আমার সবকিছু ভেস্তে দিল এই প্রিয়া আপু শেষ করে দিল ‌ ।

এখন আমার বন্ধুরা যদি জানতে পারে আমি বিয়ে করেছি সব গুলো আমাকে পচাবে আর যদি জানে আমার থেকে দু বছরের বড় মেয়েকে বিয়ে করি। তাহলে মার একটাও মাটিতে পড়বে না কলেজে কত মেয়ে প্রোপজ পেয়েছি । কিন্তু মনের মত একটা মেয়ে পেলাম না । এই ভাবতে ভাবতে দেখি হঠাৎ পিছন থেকে আম্মু আমার গায়ে হাত বুলিয়ে দিল ।

কিরে তুই এই ছাদে একলাই কি করছিস আর তুই খাওয়া-দাওয়া না করে উপরে চলে এসেছিস কেন ?
আমার একটুকুও ভালো লাগছে না তাই খাবার খাইনি তুমি আমাকে প্লিজ একটু একা থাকতে দাও ।
আমি জানি তুই আমাদের উপরে রাগ করেছিস । দেখ প্রিয়া অনেক ভালো মেয়ে । দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে এখন রুমে যা প্রিয়া একা রুমে বসে আছে ।

আমি যাচ্ছি এই বলে নিচের রুমে চলে আসলাম । তারপর আমার রুমে ঢুকে দেখি পিয়া আপু বিছানার মাঝখানে বসে আছে ঘোমটা দিয়ে । আমি দরজা লাগিয়ে বিছানার দিকে যেতে প্রিয়া আপু বিছানা থেকে নেমে আমাকে সালাম করতে আসলো আমি সরে যাই ।


কি হল তুমি সরে গেলে কেন । বিয়ের পর স্বামী রুমে আসলে বউ তার পা ধরে সালাম করে এটাই নিয়ম ।
আমিতো আপনাকে বউ হিসেবে মানি না । শুধু আমার মা বাবা কথা রাখতে বিয়েটা করেছি মাত্র। তা না হলে আপনাকে আমি কখনোই বিয়ে করতাম না আপনি আমার সব আশা ভেঙ্গে দিলেন ।
তুমি আমাকে আপনি করে বলছ কেন আমি তো তোমার স্বামী আমাকে তুমি করে বলবে ।


আপনি আমার কাছে কখনও স্বামীর অধিকার পাবেন না । তাছাড়া আপনি আপনার মতো থাকেন আমি আমার মতো থাকবো আমার কোন কিছুতেই আপনি নাক গলাতে আসবেন না কখনো ।

আচ্ছা ইকবাল আমি কি দেখতে খারাপ আমাকে তোমার কেন ভাল লাগেনা ।
আপনি অনেক সুন্দর তবে আমাকে দেখলে আপনার কোন ফিলিং আছে না আপনাকে দেখলে আমার অনেক বিরক্তিকর লাগে ।
ঠিক আছে তুমি যেদিন আমাকে ভালোবেসে জড়িয়ে নেবে সেদিন আমি তোমার কাছে আসবো তবে মামা মামির সামনে একটু ভালো ব্যবহার করো তুমি যদি আমার সাথে তাদের সামনে খারাপ ব্যবহার করো তাহলে মামা মামী অনেক কষ্ট পাবে ।

সেটা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না । আমি আপনার থেকে কম বুঝি না বলে বিছানায় গিয়ে একটা বালিশ আর একটা কম্বল নিয়ে সোফায় চলে আসলাম তখন প্রিয়া বললো ।
তুমি সোফায় গেলে কেন বিছানায় শোবে না নাকি ।‌

আপনার কাছে শুয়ার আমার কোন ইচ্ছা নাই যে মেয়ে আমার মা বাবার মাথা গলিয়ে আমাকে বিয়ে করেছে। তার সাথে আমি কখনো শুবনা । আর আপনি যদি আমার ধারের কাছেও আচ্ছা চেষ্টা করেন কখনো তাহলে আমি বাসা থেকে বের হয়ে যাবো । প্রিয়া কোন কথা না বলে মাথা নিচু করে কান্না করছে কান্না করলে করুক তাতে আমার কি । ( মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প )

আমি মাথার ওপর কম্বল দিয়ে শুয়ে পড়লাম । এবার আপনাদের একটা কথা বলি দিয়া আপুকে আমি অনেক আগে থেকেই ভালবাসতাম কখনো বলতে পারে নাই কিন্তু মামা মামীর উপর রাগ করে । প্রিয়া আপুর সাথে এরকম করছি কারণ মামা মামি আমাদের না বলে প্রিয়া হুট বিয়ে ঠিক করে ফেলেছে প্রিয়া আপুর বিয়ের কথা শুনে আমি অনেক কান্না করেছি তাই তাদের ওপর অভিমান করে আছি । সকালে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল চোখ খুলে দেখি প্রিয়া ওয়াশরুমে থেকে বের হয়ে আসছে তাকে দেখে বুঝলাম গোসল করেছে কিন্তু আমাদের মধ্যে তো কিছুই হয়নি । আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল শুকাচ্ছে ।

মামাতো বোন যখন বউ তাকে ভেজা চুলে দেখতে অনেক অপূর্ব সুন্দরী, সেক্সি লাগছে ইচ্ছে করছে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরি কিন্তু, না আমি এই কাজ কখনোই করব না ।

কাউকে ঠকিয়ে নিজেকে বড় মনে করো না হয়তো তোমার জন্য আরও বড় সংবাদ অপেক্ষা করছে ফুল মান হল হৃদয়ের অতি গোপনে । ব্যাপারটা হল যে কেউ সেখানে হাত ছোঁয়াতে পারে না ।
কি ব্যাপার, তুমি গোসল কর নাই কেন । কালকে আমাদের বাসর রাত গেছে না ।
তাহলে গোসল করবো কেন ? আমি আর কোন কথা না বলে রাগ দেখিয়ে ওয়াশ রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে আসলাম দেখি (মামাতো বোন যখন বউ )প্রিয়া বিছানায় বসে আছে ।


কিছু না হলেও তোমাকে গোসল করতে হবে কারণ এটাই নিয়ম প্লিজ তুমি গোসল করে আসো । তা না হলে আব্বু আম্মু আমাদের সন্দেহ করবে চলো দুজনে একসাথে নিচে যায় আম্মু দেকে গেছে নাস্তা খাওয়ার জন্য ।
মা ডেকে গেছে তো কি হয়েছে আপনি চলে যেতেন !


প্লিজ তুমি আমাকে আপনি করে সবার সামনে বলোনা আব্বু আম্মু সামনে তুমি করে বল আর তুমি আর আমি একসাথে নিচে গেলে আব্বু আম্মু বুঝতে পারবে না, আমাদের মধ্যে কিছু একটা হয়েছে ।

মামাতো বোন যখন বউ

আমি একটা জামা গায়ে দিয়ে পিয়া পৌঁছাতে নিচে নেমে আসলাম। নিচে এসে দেখি আব্বু আম্মু আর মামা মামী । থুক্কু এখন শ্বশুর শাশুড়ি হবে । তারা নাস্তার টেবিলে বসে আছে আমি কি একটা চেয়ার টেনে বসলাম । সবাইকে খাবার পরিবেশন করছে ।

ইকবাল নাস্তা খেয়ে রেডি থাকিস । আজকের তুই আর প্রিয়া আমাদের বাড়িতে যাবা ।
আমার তো কলেজ আছে আর সামনে আমার পরীক্ষা তাহলে এখন কিভাবে যাবো ।
এটা নিয়ে তোকে চিন্তা করতে হবে না আমি জানি তুই ছাত্র । বেশিদিন থাকা লাগবে না দুইদিন থেকে প্রিয়াকে ( মামাতো বোন যখন বউ ) নিয়ে চলে আসিস ‌ ‌।


ইকবাল ঠিক কথাই বলেছে রেহান । আগে ওর পরীক্ষা শেষ হোক তারপর না-হয় যেতে পারবে ।
ঠিক আছে তোমরা যেটা ভালো মনে করো আমি কোনো কথা না বলে নাস্তা করে রুমে চলে আসলাম রুমে এসে কলেজ যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি কিছুক্ষণ পর আমার মামাতো বোন যখন বউ রুমে আসলো ।


তুমি কোথায় যাচ্ছ এখন !
আমি কলেজে যাচ্ছি তা কি তোমাকে বলে যেতে হবে নাকি ?
কালকে তুমি বিয়ে করেছ আজকে কলেজে যাবে । আরো দুইদিন পরে যাও ।
আমি বাসায় থেকে কি করব কলেজে গেলে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া যাবে ‌।

কেন তোমার মামাতো বোন যখন বউ তার সাথে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প করতে পারো ।

আপনাকে দেখলে আমার খুব বিরক্ত লাগে । আমি আপনাকে একে বারে সহ্য করতে পারি না । আবার আপনার সাথে আমি করব গল্প । আপনি আমার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছেন । তখন প্রিয়া আপু কোন কথা না বলে মাথা নিচু করে চোখের জল ফেলছে‌ । আমি ব্যাগটা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম আব্বু আম্মু আজকে কলেজে যেতে মানা করছে আমি তাদের কথা শুনি নাই । কলেজে এসে বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে ক্লাসে চলে গেলাম।

মামাতো বোন যখন বউ লেখক ভাস্কর

তারপর সব ক্লাস শেষ করে বন্ধুদের বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসলাম । দেখতে দেখতে আমার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল আর প্রিয়া আপু অনেক বার আমার কাছে আসতে চাইছে কিন্তু আমার কাছে অপমান ছাড়া কিছু পায়নি সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার পাশে নেই মনে হয় আম্মুর কাছে সাথে তৈরি করছে ‌ ।

ও আপনাদের তো বলতেই ভুলে গেছি আমি এখন আমার মামাতো বোন যখন বউ তার সাথে ঘুমাই কারণ দেখতে দেখতে 6 মাস পার হয়ে গেছে এখন অনেক ঠান্ডা সোফায় আমার ঠিকমত ঘুম আসে না তাই মামাতো বোন যখন বউ আমাকে বলল বিছানায় ঘুমাতে আমি আসতে চাইনি কিন্তু অনেক অনুরোধ করে বলল তাই বিছানায় শুতে আসলাম তাও আবার মাঝখানে কোলবালিশ থাকে । সকালে নাস্তার টেবিলে বসে নাস্তা করছি তখন আপু আমাকে বলল…


এইযে ইকবাল তোমার তো পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে এখন তুমি যাকে নিয়ে তাদের বাড়ি থেকে ঘুরে আসো । বিয়ের পর মেয়েটা এখানেই আছে তার বাড়ি একবারও যাওয়া হয়নি ।

আমি এখন কোথাও যেতে পারবো না ওনার যদি যেতে মন চায় তাহলে যেতে পারে ।
তখন মা বলে উঠলো ও একা যাবে কেন বিয়ের পর এখনো তুই তাদের বাড়িতে যাস নাই । তুই আজকেই প্রিয়া কে নিয়ে তাদের বাড়িতে যাবি এটাই আমার শেষ কথা ।


ঠিক আছে উনাকে বল রেডি হয়ে থাকতে এই বলে বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম বন্ধুদের কাছে গিয়ে কিছুক্ষণ আড্ডা দিলাম তারপর বাসায় চলে আসলাম বাসায় এসে রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে সবার সাথে খাবার খেলাম । খাবার খেয়ে রুমে এসে একটা ঘুম দিলাম ।

বিকালে প্রিয়ার ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম কি হয়েছে, আমাকে ডাকছেন কেন ?
আমাদের বাড়িতে যাবে না এখন বিকেল চারটা বাজে ।
ঠিক আছে আপনি রেডি হয়ে নিন আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি । এ বলে বিছানা থেকে নেমে আসে বাথরুমে চলে গেলাম ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে এসে দেখি। প্রিয়া আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সাজগোজ করছে ।

হঠাৎ প্রিয়া পেটের ওপরে চোখ পরল এমনিতেই তা র ফর্সা দেহ আর পেটের উপর কাপড় নেই আবার তার উপর একটা তিল আছে ইচ্ছে করছে তার তিলটা একটা কিস করতে । আজকে মামাতো বোন যখন বউকে দেখে কেন জানি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছি না তাই তার পেটের তিলটা আমাকে টানছে । আমি আর দাঁড়িয়ে না থেকে প্রিয়া পেটের উপর তিলটার মধ্যে একটা কিস করলাম ।

খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,খালাতো বোন যখন বউ,খালাতো বোন যখন হবু বউ,খালাতো বোন ,খালাতো বোন যখন গ্রামের বউ
খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

প্রিয়া হঠাৎ কেঁপে উঠলো আমার মাথার চুল শক্ত করে চেপে ধরল আমিও তাকে কোলে তুলে নিলাম । তারপর তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তার শরীরে কিস করতে লাগলাম । আস্তে আস্তে তার ঠোটে কিস করলাম তারপর মামাতো বোনকে চোদার পর ইতিহাস গড়ে তুললাম । দেখতে দেখতে আমাদের সম্পর্ক এক বছর কেটে গেল । আমি এখন প্রিয়াকে মেনে নিয়েছি ।

তার উপর আমার কোন অভিমান নেই শ্বশুর-শাশুড়ি সাথে এখন ঠিকভাবে কথা বলি । মামাতো বোন যখন বউ আমি এখন তাকে অনেক ভালোবাসি। সেও আমাকে অনেক ভালোবাসে আমরা সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে লাগলাম আমি এখন বাবা অফিস দেখাশোনা করি। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন ।

তো বন্ধুরা মামাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের সুন্দর মামাতো বোনকে চোদার রোমান্টিক গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম বাংলা রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment