রাগী মেয়ে দুষ্টু মিষ্টি বাংলা রোমান্টিক প্রেমের গল্প 2022

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে রাগী মেয়ে দুষ্টু মিষ্টি বাংলা নতুন রোমান্টিক প্রেমের গল্প ছোট কাহিনী 2022 । এই রোমান্টিক প্রেমের গল্পতে আপনারা জানতে পারবেন যে রাগী মেয়ে যখন হবু বউ । তার পর ছলনা করে বিয়ে তো বন্ধুরা আমাদের chhota golpo ওয়েবসাইডে আপনাদেরকে স্বাগতম । দেখতে থাকুন এই দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প টি আর অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

ঋতু আমার আকাশী কালারের পাঞ্জাবির কলার চেপে ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে বাসার ঢুকলো । আব্বু আম্মু আর ছোট বোন বসে বসে টিভি দেখছিল আমার দিকে তাকিয়ে সবাই হা হয়ে গেছে ।
ঋতু 2 সেকেন্ডের জন্য থেমে সবার উপর একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন আব্বু কি যেন বলতে চাইছিল কিন্তু আব্বুকে রিতুর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আবারও আমাকে টানতে শুরু করলো ।

দুষ্টু মিষ্টি বাংলা নতুন রোমান্টিক প্রেমের গল্প


ঋতু আমাকে টেনে নিয়ে সোজা আমার রুমে এসে আমাকে বিছানার উপর ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে রুমের দরজাটা বন্ধ করে দিল । আমি বিছানায় উঠে বসার আগেই ঋতু এসে ঝাঁপিয়ে পরলো আমার উপরে ‌।
তারপর আমার ঠোটের সাথে ওর ঠোঁট জোড়া মিশিয়ে দিল সাথে সাথে মনে হল 440 ভোল্টের একটা শট খেলাম ।


ঠান্ডা একটা স্রোত বইয়ে গেল শরীর জুড়ে লাফাতে লাগল সেকেন্ডে সেকেন্ডে । ঋতু যে এমন কিছু করে বসবে আমি কখনো কল্পনা করতে পারিনি ।
ঋতু আমাকে এমন ভাবে জড়িয়ে আছে যে সামান্য পরিমাণের আমি নড়াচড়াও করতে পারছি না । এদিকে তো আমার দম বন্ধ হয়ে আসা জোগাড় । হঠাৎ আমার ঠোট থেকে নিচের ঠোঁট জোড়া সরিয়ে নিয়ে বলল,


খুব হিমু হবার শখ জেগেছে মনে তাই না চাদু ? আজ তোকে এমন শিক্ষা দিব যে সারা জীবনের মতো হিমু হবার সাধ মিটে যাবে । ( রোমান্টিক প্রেমের গল্প )
তোর মাথা থেকে হিমুর ভূত না নামিয়ে আমার দম নেই । তোর একদিন কি আমার যতদিন লাগে লাগুক ।
ঋতু আবারো ওর ঠোঁট জোড়া এগিয়ে নিয়ে আসছিল আমি ন্যাকা করে কান্না করে বললাম…


এবার কিন্তু আমি একবারে মরে যাব আমার মত একটা বাচ্চা ছেলের সাথে তুমি কিছুতেই এমন করতে পারো না । তোমার নামে আমি শিশু নির্যাতনের মামলা ঠুকে দেবো । প্লিজ ছেড়ে দাও আমায় !
তোকে ছেড়ে দেবো মানে তোকে ধরেছি কি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আজ একটা কিছু করে ছাড়বো । আর, আমি অবাক হচ্ছি এখন তোর কোন ফিলিংস নেই দেখে ।

প্রেমের গল্প

প্রেমের গল্প, রোমান্টিক প্রেমের গল্প, মিষ্টি প্রেমের গল্প, প্রথম প্রেমের গল্প, বাংলা প্রেমের গল্প, দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প, দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প, নতুন প্রেমের গল্প, প্রেমের কাহিনী গল্প বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী, মিষ্টি প্রেমের সাইরি,
প্রেমের গল্প


মহাপুরুষরা কখনো নারীর প্রেমে মজে না জানোনা তুমি বুঝি ?
আজ এমন অবস্থা করব তুই শুধু বলবি না একদম বাঙ্গি ফাটা হয়ে যাবি !
এই কথাটি বলে ঋতু আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো । এইভাবে তিন মিনিট যাওয়ার পর বুঝতে পারলাম আর এই ভাবে তিন মিনিট থাকলে নিজে কে আর কন্ট্রোল করতে পারব না ।

আমি নিজেকে যতোই মহাপুরুষ মনে করিনা কেন, একটা অতি সুন্দরী রমণীর অপেক্ষা করার মতো শক্তি আমার নেই ।
উপরওয়ালা হয়তো নারীসঙ্গ উপেক্ষা করার শক্তি স্বয়ং মহাপুরুষ কেউ দেয়নি । তাছাড়া স্থায়ী-অস্থায়ী হার অনেক ভালো পরিবর্তিত একটা সুযোগ আসবে । তখন আমি বললাম,
ঋতু প্লিজ এবার ছাড়ো তুমি যা বলবে আমি শুনবো আর হিমু হতে চাইব না । এবারের মত ক্ষমা করে দাও ।


এইতো লাইনে এসেছো বাছাধন তোমার মত মহাপুরুষ কে কি করে সাধারণ পুরুষ বানাতে হয় আমার খুব ভালো করে জানা আছে বুঝেছ ।
ঋতু আমাকে ছেরে দিয়ে উঠে পরলো তারপর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একবার দেখে নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো ,
আর যেটা করেছে এরপর যদি আবারো এমনটা কিছু করো তাহলে তার পরিণতি এর চেয়ে ভয়াবহ হবে ।( দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প )


ওহহ, বাইরে তো আমার হবু শ্বশুর,শাশুড়ি বসে আছে । আমি গেলাম আর মনে থাকে যেন ।
ঋতুর রুমের দরজা খুলে রুম থেকে বাইরে যেতে আমি যেন একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললাম ঋতু আমার বাবার বন্ধুর শহিদুল আঙ্কেলের মেয়ে ।
আমাদের এই দুই পরিবারের যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। সেই ছোট্টবেলা থেকেই ঋতু আর আমি একসাথে বড় হয়েছি ।


আর আমি বড় হয়ে ঋতুর প্রেমে পড়ে গেছি আমি আজ পর্যন্ত যত মেয়ে দেখেছি । তার মধ্যে ঋতু শ্রেষ্ঠ । কোন মেয়ে যে এত সুন্দরী হতে পারে। তা ঋতুকে না দেখে বিশ্বাস করতাম না । আর আমাদের রিলেশনের বেপারে দুই পরিবারই খুব ভালোভাবে জানে ।
সবাই সবকিছু জানে তাই আমাদের তেমন কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হয় না। কারণ আমাদের মত আমাদের বাবা-মা ও জানে আমার বিয়ে ঋতুর সাথে আর ঋতুর বিয়ে আমার সাথে হবে ।

রোমান্টিক প্রেমের গল্প

রোমান্টিক প্রেমের গল্প
রোমান্টিক প্রেমের গল্প

তো যাই হোক কথাগুলো ইদানিং হুমায়ূন আহমেদের রচিত ইমু চরিত্রটা আমার উপর প্রভাব ফেলেছে । আমারও ইচ্ছে ছিল হিমু হতে । আকাশী কালারের পাঞ্জাবি আর সাদা পায়জামা পড়ে চাঁদনী রাতের জোছনায় রূপালী আলোর খালি পায়ে হাঁটতে ইচ্ছে করে ।

দিনের বেলায় ব্যস্ত শহরের জনসমুদ্রের মিশে যেতে ইচ্ছে করে বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে করে ইচ্ছে করে ময়ূরাক্ষী নদীর তীরে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে ।
আরো অনেক কিছু করতে ইচ্ছা করে যে এগুলো করতে হয় হিমু হবার জন্য । কিন্তু আমার এই মহা পুরুষ হওয়ার ঋতু একদম সহ্য করতে পারে না। তাই আজ বিকালে ঋতুকে ফোন করে বললাম,
তুমি নীল শাড়ি পড়ে সুন্দর করে সেজে আমার জন্য অপেক্ষা করো । আমি এসে তোমায় নিয়ে সিনেমা দেখতে যাবো । ( প্রেমের গল্প )

আমি জানি ঋতু আমার কথামতো ঠিকই সে যে আমার পথ চেয়ে বসে থাকবে কিন্তু আমি যাব না কারণ হিমু আসবে বলে রুপা অপেক্ষায় প্রহর গুনতে থাকে এই বুঝি কিন্তু হিমু আর আসে না ।
তেমনি আমিও বিকেলে ঋতুর বাসায় না যে রাস্তার পাশে একটা টং দোকানে বসে চা খাচ্ছি হঠাৎ কোথা থেকে যেন ঋতু এসে আমার পাঞ্জাবির কলার টানতে শুরু করলো ।

তারপর আর কি একটু আগে আমার উপর দিয়ে বয়ে গেল এক কালবৈশাখী ঝড় । কয়দিন পর আজ দুপুরে ঋতু ফোন করে বলেছে বিকাল পাঁচটায় পার্কে দেখা করতে আমার ইচ্ছে করেই । আধঘন্টা দেরী করে বাসা থেকে বের হলাম । রিস্কা না নিয়ে হেঁটে রওনা দিলাম যার জন্য পার্কে পৌঁছাতে আমার এক ঘন্টা মত দেরি হয়ে গেল । পার্কের ভিতরে যেয়ে দেখে ঋতু একটা বেঞ্চে বসে আছে ।

মিষ্টি প্রেমের গল্প

আমি যে সামনে দাঁড়াতেই ঋতু দেখা গেল এবং রাগের গতি বাড়াতে থাকলো । আমি বুঝতে পারলাম তুমি তো রেগে যাওয়ার কারণ আমি দেরি করা নিয়ে না । আমার গায় আকাশে পাঞ্জাবি ঋতুর রেগে যাওয়ার কারণ ।


আমি যেদিন থেকে এই পাঞ্জাবি গায়ে দিয়েছি হিমু হবার জন্য রাস্তায় নেমেছি । সেদিন থেকে ঋতু আকাশী কালার সহ্য করতে পারেনা । আকাশী রং দেখলেই ঋতু রেগে যাই । আমি ঋতুর পাশে বসে বললাম ।
তুমি কি বাদাম খাবে?
তখন ঋতুর আগে কন্ঠে উত্তর দিল- – আমি এখানে বাদাম খেতে আসেনি তোমার সাথে কিছু কথা ছিলো ।


কথাগুলো কি এখনি বলবে না ? ঘোরাঘুরি শেষে বাসায় যাওয়ার সময় বলবে ?
তুমি ভাবলে কি করে যে আমি তোমার সাথে ঘুরবো? আর একটু পর তোমার সাথে কথা বলার মত ধৈর্য আমি হারিয়ে ফেলবো । তাই যা বলার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বলতে চাই । ( মিষ্টি প্রেমের গল্প )

ঠিক আছে বলো তাহলে?
আমার বাবা তোমার উপর রেগে আছে?
কেন?
তুমি আবার জিজ্ঞেস করছ কেন ? তুমি যা শুরু করেছো বাবা সেটা পছন্দ করেনা বাবা ধারণা তোমার মতিভ্রম হয়েছে । যার কারণে তোমার মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছে ।


এরকম অবস্থা চলতে থাকলে তোমার সাথে আমার কিছুতেই বিয়ে দেবে না । বাবা আমাকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে এর মধ্যে তুমি যদি সুস্থ, স্বাভাবিক না হও ।
তোমার যদি মহাপুরুষ হওয়ার ভূত না যায় তাহলে সাত দিন পর বাবা আমার বিয়ের জন্য পাত্র দেখা শুরু করবে । এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমার বিয়ে দিয়ে দিবে ।
এটা তো খুবই খুশি সংবাদ ‌। তুমি তাহলে বিয়ে করে নাও ।

দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প

প্রেমের গল্প, রোমান্টিক প্রেমের গল্প, মিষ্টি প্রেমের গল্প, প্রথম প্রেমের গল্প, বাংলা প্রেমের গল্প, দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প, দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প, নতুন প্রেমের গল্প, প্রেমের কাহিনী গল্প বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী, মিষ্টি প্রেমের সাইরি,
দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প

শুভ, একদম ফাজলামি করো না । আমি কথাগুলো সিরিয়াসলি বলছি একটু সিরিয়াসলি ভাবে নাও ।
আমিও তোমাকে সিরিয়াসলি বলছি তুমি বিয়ে করে নাও আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবোনা কারণ, হিমুরা কখনো বিয়ে করে না ।
তুমি আমাকে ভালোবাসো না।


আমি নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি । কিন্তু ভালোবাসা এক জিনিস আর বিয়ে করা এক জিনিস ।
আমার কথা শুনে ঋতু কিছু না বলে উঠে পড়ল তারপর গটগট করে হেঁটে আমার সামনে দিয়ে চলে গেলো আমি বুঝতে পারলাম ঋতুর ধৈর্য শেষ হয়ে গেছে । তাই রাতে খাবার টেবিলে যেতেই আব্বু বলল —

তুই নাকি ঋতুকে বলেছিস ওকে বিয়ে করতে পারবি না ?
তোমরা ঠিকই শুনেছো?
কারণটা আমি জানতে পারি?
মহাপুরুষ হতে হলে বিয়ে করা যাবেনা । এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ ।
আমার রুপ কথা শুনে আব্বু আমার চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করার কাজে লেগে গেল । আমি তাড়াতাড়ি খেয়ে রুমে চলে আসলাম । ( তো বন্ধুরা আমাদের আজকের দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন )


আজ শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ঋতু পাত্র পক্ষ দেখতে আসার কথা । আমি আলনা থেকে আকাশী পাঞ্জাবি পড়ে রওনা হয়ে গেলাম ঋতুর বাসার দিকে । ল্যাম্পোস্টের নিচে দিয়ে আপন-মনে হাঁটছিলাম । তখন এক ভিক্ষুক এসে বলল –


দুইটা টাকা দে বাবা ভাত খামু ।
আমি ভিক্ষুক টাকে টাকায় ভাল করে লক্ষ্য করলাম মাথায় বড় বড় ময়লা চুল মুখে ময়লা দাড়ি গায়ে একটা ছেঁড়া শার্ট, পরনে একটা ফুলপ্যান্ট কিন্তু অবস্থা খুব খারাপ । জায়গায় জায়গায় ছেঁড়া ।

বাংলা প্রেমের গল্প

তারপর আবার একটা পায়ের হাটু পর্যন্ত ছেঁড়া ‌। একহারা চিকন শরীর মুখ দেখে বোঝা গেল না । তখন আমি বললাম ,
দুই টাকা দিয়ে তো আপনি ভাত পাবেন না ।
ভিক্ষুকটি কি জানো আমার কথা শুনতে পাইনি । ওরা আগের সুরেই বললো ।
দুইটা টাকা দে বাবা ভাত খামু ।

ঠিক আছে আপনাকে টাকা দিবো । তার আগে আপনার নামটা জেনে নেওয়া যাক । কি নাম আপনার ?
হাসান বাবু ।
বাহ ,বেশ সুন্দর নাম তো আপনার । কিন্তু হাসান সাহেব আপনি তো দু টাকা দিয়ে ভাত খেতে পাবেন না ।


তারচেয়ে একটা কাজ করো, আমার সাথে চলো আমি একটা দাওয়াতে যাচ্ছি সেখানে আজ খুব ভালো খাবার রান্না হবে ‌। তুমি আমার সাথে গেলে ফ্রিতে খেয়ে আসতে পারবে । কি যাবে আমার সাথে?
আমার কথা শুনে হাসান সাহেব ভাবতে লাগল যাবে কিনা আমি তখন বললাম । (তো বন্ধুরা আমাদের বাংলা প্রেমের গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে )
না গেলে আপনাকে জোর করবনা । যেতে না চাইলে যাবেন না ।
আমি যামু।
এইতো চলেন তাহলে,

ঋতুদের বাসায় এসে কলিংবেল চাপতেই কাজের মেয়ে কুসুম এসে দরজা খুলে দিলো ‌‌। আমি হাসান সাহেব কে নিয়ে ভিতরে ঢুকলাম । রুমে যেয়ে দেখি তৌফিক আঙ্কেল, তার বয়সী একটা লোক ,একটা মহিলা আর আমার বয়সী একটা ছেলে বসে আছে ।
তাদেরকে দেখে আমার বুঝতে অসুবিধা হলো না যে পাত্র আর উনারা পাত্রের মা বাবা ।
ঋতুর বাবা আমাকে দেখে ভুত দেখার মত চমকে উঠল । তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে মুখ শক্ত করে বললেন ,
তুমি এখানে কেন এসেছো?
দাওয়াত খেতে? ( নতুন প্রেমের গল্প )


কিন্তু তোমাকে তো কেউ আমরা দাওয়াত করিনি?
নিজেদের ভিতরে আবার দাওয়াত দিতে হবে কেন? আমি তো নিজেই থেকে চলে এসেছি?
এতক্ষণে তৌফিক আঙ্কেল হাসান সাহেবের দিকে দেখল । হাসান সাহেবের দিকে তাকাতেই উনার ভুরু কুঁচকে গেল ! তারপর জিজ্ঞেস করল –
তোমার সাথে এটা কে?
ওহ পরিচয় করিয়ে দেই ওনার নাম হাসান সাহেব । বাংলাদেশে একজন সু ভিক্ষুক । অনার ভিক্ষা করার ঠিকানা ফার্মগেটের ….
সু ভিক্ষুক মানে?

প্রথম প্রেমের গল্প


সু নাগরিকের সামনে থেকে সু কেটে ভিক্ষুকের আগে বসিয়ে দিয়েছি ।
তুমি মহান কাজ করেছো এবার তুমি তোমার সু ভিক্ষুক কে নিয়ে বিদায় হও ।
আপনার অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই আঙ্কেল আমি অবশ্যই আমার সু ভিক্ষুক কে নিয়ে বিদায় হয়ে যাব । তার আগে হাসান সাহেব কে খেতে দিতে হবে আমি ওনাকে রাস্তা থেকে নিয়ে এসেছি দাওয়াত খাওয়াবো বলে ।
তখন আমি হাসান সাহেবের দিকে তাকিয়ে বললাম…
ওইদিকে ডাইনিং রুম ওখানে টেবিলের উপর সব পাবে যাও তুমি যে খাওয়া শুরু করো ।( প্রথম প্রেমের গল্প )

হাসান সাহেব একটুও সময় নষ্ট না করে খাওয়ার টেবিলে বসে পড়ল তারপর চামচ ব্যবহার না করে নিজের ময়লা হাত দিয়ে খাবার বেঁধে নিয়ে খাওয়া শুরু করলো । তখন আমি পাত্রের দিকে তাকিয়ে বললাম,
আমি হিমু ! আপনারা যে ঋতু নামের যে মেয়েটিকে দেখছেন তার প্রেমিক । আসলে আমি ঋতু কে অসম্ভব ভালোবাসি । কিন্তু বর্তমানে আমার ইচ্ছে হয়েছে মহাপুরুষ হওয়ার আর মহাপুরুষ হতে গেলে নারী সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে ।


তাই এত ভালোবাসার পরেও আমি ঋতুকে বিয়ে করতে পারছি না বলে আমি অন্তরের আন্তরিক ভাবে দুঃখিত ! তবে ঋতু অনেক ভালো মেয়ে দেখতেও রুপার মতো তাকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পেলে আপনার জীবন….
রাহিমিয়া কোথায় তুই ?


আমার কথা শেষ না হতেই ঋতুর বাবা চিৎকার করে উঠল আঙ্কেলের চিৎকার শুনে দৌড়ে চলে এলো। রোহান মিয়া আসতেই আঙ্কেল বলল,
তুই আমার বন্দুকটা নিয়ে আয় হতচ্ছাড়া কে আজ গুলি করে মারবো ?
আঙ্কেলের এই রুপ কথা শুনে হাসান সাহেব খাবার খেলে এক ধরে বাসা থেকে বের হয়ে গেল । যাওয়ার সময় দুই হাতে দুটো মুরগির ঠ্যাং নিয়ে যেতে ভুলনা । অবস্থা বেগতিক দেখে আমিও একছুটে ঋতুর বাসা থেকে বেরিয়ে এলাম । ( মিষ্টি প্রেমের গল্প )


বাইরে এসে হাসান সাহেব কে দেখতে পেলাম না ‌। রাত 11 টা নির্জন রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম তখন দুইজন ট্রাফিক পুলিশ এসে সামনে দাঁড়ালো । তারপর একজন আমাকে বলল,
এই তোর নাম কি ? এখানে কি করছিস?
আমার নাম হিমু ‍?
এটা আবার কেমন নাম?
জি খুব ভালো নাম ?


এত রাতে রাস্তায় কি করছিস?
হাটাহাটি করছি?
এটা কি হাঁটাহাঁটি করার সময় ‌! তোর কাছে কি আছে বের কর ?
আমার কাছে কিছুই নেই?
কিছু নেই মানে? নিশ্চয়ই কিছু না কিছু আছে কি আছে সেটা বল ইয়াবা, গাঁজা, মদ না অন্য কিছু ।

নতুন প্রেমের গল্প

এতদিন ধরে হিমু হওয়ার চেষ্টা করছি, কতটুকু হতে পেরেছি । এবার পরীক্ষা করার সময় আমি ঠাস করে হাবোল দার এর গালে একটা থাপ্পর বসিয়ে দিলাম ।
আমার এক থাপ্পড়ে বেচারা অজ্ঞান-হয়ে-গেল । আমি মনে মনে খুশি হলাম যাক তাহলে হিমু কিছুটা ক্ষমতা অর্জন করতে পেরেছি ।
তারপরে চোখের পলকে ঘটে গেল সব ঘটনা অন্য হাবিলদার টা বাঁশিতে ফুঁ দিতে আরও আটজন পুলিশ এসে আমাকে ঘিরে ধরল । তারপর হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে জিপে করে সোজা থানায় নিয়ে চলে গেল ।


আধ ঘন্টা ধরে ওসির সামনে বসে আছে । আর মনের সুরে পান খাচ্ছে । আমার দিকে যেন তার কোনো খেয়ালই নেই । আমি যে তার সামনে বসে আছি এটা বোধহয় সে ভুলে গেছে‌ । একটু পর আবারও সে পানের পিক ফেলা আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
আপনার নাম কি হিমু?
জি॥ ( তো বন্ধুরা আমাদের আজকের রাগী মেয়ে যখন হবু বউ বাংলা দুষ্টু মিষ্টি নতুন রোমান্টিক প্রেমের গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন )
আপনি হাবোল দার কে থাপ্পর মেরে অজ্ঞান করে ফেলেছেন !
জি ॥


আপনি কেন থাপ্পড় মেরেছেন!
আমি আমার শক্তি পরীক্ষা করার জন্য ।
আমার এইরূপ কথা শুনে ওসি জামরুলের নিচের ঠোঁট ঝুলে পড়ল এবং সেই ফাঁকে ফুটবে পানের পিক গড়িয়ে পরল । আবারো পিক ফেলে বাম হাত দিয়ে ঠোট মুছে বলল ।

আপনি কি জানেন এখন জেলের ভেতর ঢুকিয়ে আপনাকে আচ্ছামতো 440 ভোল্ট দিতে পারি ।
জি জানি।
জানলে ভালো আপনার কিছু বলার আছে।
জি আমি একটা ফোন করতে চাই।
কাকে ফোন করবেন ‌! মামা ,খালু কে?
না , একটা অতি সুন্দরী রমনী কে । ( নতুন প্রেমের গল্প )


তাকে ফোন করে কি বলবেন ?
তাকে বলবো আমি থানায় আছি। একটু পর আমাকে 440 ভোল্ট দেওয়া হবে। দলা খেয়ে হয়তো দু তিনদিন পরে থাকবো। তাই বাসায় যেতে পারবোনা সে যেন আমার জন্য চিন্তা না করে ।।

এমন করে বলছেন কেন এটা আমার বাড়ি আর পুলিশের ঢোলা হলো পুরনো ঢাকার কাচ্ছি খেয়েদেয়ে তিন দিনের জন্য ঘুম দিবেন ।
আমরা কথা বলছিলাম তখন হুড়মুড় করে থানায় ঢুকলো আঙ্কেল আর আব্বু । আব্বুকে দেখে ওসি উঠে দাঁড়িয়ে বলল –
আরে মিজান সাহেব যে আপনারা এত রাতে থানায় কোন সমস্যা ? একটা ফোন করলেই তো আমি নিজেই চলে যেতাম । আপনারা কষ্ট করতে গেলেন কেন?

প্রেমের কাহিনী গল্প


তখন আমি বললাম আব্বু একটা ফোন করলেই তো উনি চলে যেতেন তোমরা আসার কি দরকার ছিল?
তখন আমার কথা শুনে খুশি জাবরুল অবাক হয়ে গেলো । তারপর আব্বুর দিকে তাকিয়ে বললো ,

জি আসলে জাবরুল সাহেব কয়েকদিন ধরে ওর মানসিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে । তাই উল্টাপাল্টা কাজ করে বসে ভেবেছিলাম এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু এখন দেখছি পাগলা গারদে না পাঠালে ভাল হবার কোন লক্ষণ নেই । আজকের ঘটনা আমি শুনেছি তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত । আমরা কি ওকে বাসায় নিয়ে যেতে পারি ।

এতে আপনার অনুমতি নেওয়ার কি আছে আপনার ছেলে আপনি নিয়ে যাবেন । ( দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প )
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে?
তৌফিক আঙ্কেলও আমার সাথে বাসায় এল বাসায় আসতে দেখি । ঋতু বউ সেজে ডাইনিং রুমে বসে আছে । ঋতুর পাশে বৃষ্টি আম্মু বসে আছে ।
অন্য একটা সোফায় শুকনা কঙ্কালের মত দেখতে একটা লোক বসে আছে । আব্বু লোকটিকে উদ্দেশ্য করে বলল,


কাজী সাহেব,, পাত্র চলে এসেছে এবার বিয়ের কাজ শুরু করা যাক ।
আব্বুর কথা আমি কিছুতেই বুঝতে পারলাম না কিন্তু ব্যাটা কাজিসাহেব ঐ দিকে বিয়ে পড়াতে শুরু করে দিয়েছে ।
একপ্রকার কোরবানী গরুর মত জোর করে ঋতুর সাথে আমার বিয়েটা হয়ে গেল ।

আমার মনে হল স্বপ্ন দেখছি । ঘুম ভেঙে গেলে দেখব সব মিথ্যে কিন্তু ঘুম আর ভাঙলো না ।
রাত দেড়টা আকাশে থালার মত বিশাল একটা বড় চাঁদ উঠেছে জানলা দিয়ে চাঁদের আলো এসে পড়ছে আমার বিছানার উপরে । ( প্রথম প্রেমের গল্প )


ঋতু ও দিকে পাশ ফিরে শুয়ে আছে । আমার খুব ইচ্ছে করলো ছাদে গিয়ে জোসনা দেখতে। ধীরে ধীরে বিছানা থেকে নেমে দরজার দিকে পা বাড়াতেই ঋতু বলে উঠলো,
কোথায় যাচ্ছিস তুই?


না মানে কোলবালিশ আনতে কোলবালিশ ছাড়া আমার ঘুম হয় না আর দেখছি কোলবালিশ নেই মনে হচ্ছে গেস্টরুমে আছে, ওটাই আনতে যাচ্ছি ।
আর যদি এক পা বাড়াও তাহলে পা কেটে হাতে ধরিয়ে দেবো চুপচাপ বিছানায় চলে আয় ।

আমি বাধ্য ছেলের মত বিছানায় গিয়ে বসতেই ঋতু বললো ,
আমি থাকতে কোলবালিশের কি দরকার তোর ? আজ থেকে কোলবালিশের দিন শেষ । নে, এবার আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমা ।
আমাকে নড়তে না দেখে ঋতু ধমকে উঠলো ।
কথাটা কানে যায় না বুঝি।

বাংলা গল্প প্রেমের কাহিনী


আমি সাথে সাথে রিতুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়লাম। ঋতুর চুলের শ্যাম্পুর ঘ্রান আমাকে এক ঘোরের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছিল ঋতুকে কে জড়িয়ে ধরতে আমার হার্টবিট বেড়ে গেল । একটা অন্যরকম অনুভূতি ছুঁয়ে গেল আমায়।
জানলা দিয়ে চাঁদের রুপালি আলো এসে পড়েছে আমার ঋতুর মুখের উপর এই প্রথম মনে হলো আকাশেরই চাঁদ চেয়ে হাজার গুন বেশি সুন্দরী ঋতুর মায়াবী মুখ । তখন আমি বললাম,
আমি আর হিমু হব না।।


কেন শুনি?
হিমু হয়ে ঐ আকাশে চাঁদের দিকে চেয়ে থাকতে হবে। কিন্তু কখনো ছুতে পারব না অথচ আমার ঘরে ওই চাঁদের চেয়ে হাজারগুণ সুন্দরী একটা চাঁদ রয়েছে । যাকে চাইলে ছুয়ে দিতে পারবো ।
তাহলে আমার হিমু হয়ে লাভ কি তাছাড়া তোমার মত একটা চাঁদ পেলে যে কেউ মহাপুরুষ হয়ে যাবে । ধন্য হয়ে যাবে জীবন ।

আমি ঋতুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম তারপর আমার ঠোঁট জোড়া মিশিয়ে দিলাম ঋতুর ঠোঁটে । আর মনে মনে বললাম হিমুরা খুব বোকা হয় , এই সুখ পেলে কেউ কখনো হিমু হতে চাইতো না ।

তো বন্ধুরা রাগী মেয়ে দুষ্টু মিষ্টি বাংলা নতুন রোমান্টিক প্রেমের গল্প 2022 টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের সুন্দর রোমান্টিক প্রেমের গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম বাংলা দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment