রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

 রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

প্রতিদিন দুষ্টু মিষ্টি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প গুলি পেতে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফলো করুন আর সঙ্গে থাকুন। 

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

এই যে মিস্টার কি হয়েছে আপনার এইভাবে বসে আছেন কেন ?

নিশার দিকে শুরু চোখে একবার তাকালাম হালকা মেকআপ, চোখে খুব মিষ্টি কাজল আর ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক দিয়ে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসে আছে তাকে দেখতে অপূর্ব লাগছে আমি নিজের চোখ সরাতে পারছি না। তাকে দেখে আমার বুকটা হুট করে যেন ধ্বক করে উঠলো তার উপর সে সাজুগুজু করে আছে কেমন যেন ভয় করছে আমার।

এই যে মিস্টার আপনি কি ভয় পাচ্ছেন।

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রাত,রোমান্টিক বাসর রাত,বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প,ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক গল্প বিয়ে,বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প,বাংলা রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক বাসর রাত,;
রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

নীলার কথা শুনে আমি আবারো ওর দিকে তাকালাম আর কোনরকম মুচকি হেসে মাথা নাড়ে আবারো চোখ সরিয়ে নিলাম আমি।  আমি ভয় পাবো কেন তোমাকে দেখে।

আমার কতদিনের ইচ্ছে মিলার পাশে বসে রিসকাতে ঘুরবো, হাতে হাত রেখে পুরোটা দিন কাটিয়ে দেব আর ওর সাথে খুনসুটি গল্প করব ।  ওর মুখের পানে তাকিয়ে কল্পনাতে ভাসবো।

ওর সুন্দর মায়াবী চোখের বিলাসিতাই হারাবো কিন্তু এইসব কিছুই হচ্ছেনা । আমি ভয় পাচ্ছি । 

এই যে মিস্টার সৌরভ বাবু আমার দিকে সরে আসুন না হলে পড়ে যাবেন।

না মানে, আমি এখানেই ঠিক আছে । 

আঞ্জে না, আপনি ঠিক নেই । কাচুমুচু হয়ে বসে আছেন যেন মনে হচ্ছে কখনো কোন মেয়ের সাথে রিক্সায় উঠেন নি। 

নীলার দিকে একটু তাকালাম না তবে একটু সরে বসতে হয়েছে ওর দিকে। নাহলে সত্যি কোন নদীতে পড়ে যেতাম আমি।  কেমন যেন বুকটা কাপছে আমার হাত দুটো একসাথে করে পায়ের ফাঁকে দিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে বললাম …

এর আগে কখনো কোন মেয়ের সাথে রিক্সায় ঘুরিনী তো, তাই কেমন ভয় করছে গো।

হাহাহা…..

নীলা হাসলো আমি ওর হাসি মুখটা দিকে তাকানোর লোভ সামলাতে পারলাম না ।প্রচণ্ড গতিতে ঘাড় ঘুরিয়ে ওর হাসি মুখটা দেখার প্রয়াসে চোখ দুটো আমি প্রসারিত করলাম। 

নীলা সামনের দিকে তাকিয়ে খুব জোরে জোরে হাসছে আমি নীচের ঠোট দিয়ে চেপে ওর দিকে তাকিয়ে আছে আমার দিকে ঘুরতেই আবারো চোখ সরিয়ে নিলাম। 

তাকে দেখে যে কিসের এত ভয় পাচ্ছি আমি ঠিক আন্দাজ করতে পারছিনা ।  নীলা যে আমার অপরিচিত সেটাও তো না বেশ পরিচিত ও আমার।  আমার মাস্তুতো ভাইয়ের শালি ও । 

রাহুল ভাইয়ের (মাসির ছেলে) বিয়ের দিন নীলাকে আমি প্রথম দেখি।  দেখি টাইট জিন্স প্যান্টের সাথে সাদা শার্ট । চুলগুলো গোছালো তবে বেশি লম্বা না ।

তার মুখে 24 মন মেকআপ ঠোটে লিপিস্টিক এ ভরা, চোখের ভুরুতে কাজল কপালে ছোট্ট টিপ পরে সে সবার সাথে দাঁড়িয়ে আছে ।  দেখতে সবার থেকে আলাদা লাগছে।

এরকম প্যান্ট শার্ট পরা মেয়েকে দেখলে যেকোনো ছেলে তার দিকে তাকাবে ।  আমিও তার ব্যাতিক্রম কোন কিছু নাই আমিও মেয়েটার দিকে তাকায় মেয়েটা যথেষ্ট সুন্দরী গায়ের রং ফর্সা তবে গায়ের রং ফর্সা হলে যে কোন মেয়ে সুন্দরী হবে এমনটা কিন্তু না । 

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

আসলে একটা মেয়েকে দেখলে কতটা সুন্দরী লাগবে তার সবকিছুই নীলার মধ্যে আমি টের পেয়েছি।

কিন্তু মেয়েটা যে একগাদা মেকআপ করা, আবার শার্ট প্যান্ট পরা কি আছে ফাজলী মেয়ে একটা । তবে সমস্যা সেটা না । সমস্যা হল আমি যে তাকিয়েছি আর তাকানোর জন্য মেয়েটা প্রতি একটা অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করা শুরু করে দিয়েছে ,  সেটার জন্য নিজের উপর মেজাজ খারাপ হচ্ছে। 

পুরো বিয়েবাড়িতে মেয়েটাকে আরো অনেক বার খুজেছি কিন্তু আর কোথায় পায়নি ভেবেছিলাম ভাবীর বান্ধবী হবে তাই হয়তো চলে গেছে বিয়ে থেকে । 

কিন্তু আরো কয়েকদিন পর জানতে পারি সেটা ভাবির বোন, নাম তার নীলা । ওর প্রতি বিয়ের দিনে যে অনুভূতি অদ্ভুত ভালো লাগা তৈরি হয়েছে সেটা নিজের বাড়িতে কয়েকদিন থাকার পর খুব ভাল করেই টের পেয়েছিলাম আমি । রাতে ঘুমানোর সময় শুধু ওর কথাই মনে পড়তো । 

এরপরে কোন না কোন কারনে রাহুল ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি যাতাযাত করতে থাকে আমিন দাদাকে পাম দিয়ে নীলার খবর নিয়েছি ।মেয়েটা এখনো সিঙ্গেল ।  কোন রাজপুত্র আসেনি তার জীবনে ।

আসেনি নাকি আসতে দেয়নি তার জানা হয়নি অবশ্যই পাউডার মাখা সুন্দর গুলো কেউ পাত্তা দিতে না দিয়ে চলে যায় । 

আমি সপ্তাহে তিনদিন করে বৌদির বাড়িতে আসতাম বৌদির বাড়ির লোকজন আমার উপর বেশি বিরক্ত হয়ে তাকাতো । কিন্তু সেসব দেখার সময় নেই আমার । কারণ

কারণ আমি শুধু নীলাকে দেখতে আসতাম ওর দিকে তাকিয়ে থাকতাম আমি একটা রুম থেকে বের হতো না।  কেবল বিকেল বেলাতে পড়তে বের হতো।  আমিও পিছনে পিছনে যেতাম আর আসতাম ।

তাকে কোনদিন শাট আর গেঞ্জি ছাড়া দেখিনি শয়তানি একটা ভালো কাপড় না পরে এইসব কি পরে কে জানে প্রতিদিন। 

এভাবে দেখতে দেখতে 6 মাস কেটে গেল ছয় মাস পর একদিন বিকেলে ও বাড়ি থেকে বের হয় এতদিন কোনো কথা বলিনি আমি ওর সাথে । আসলে সাহস পেতাম না ।  ওর বাড়ি থেকে বের হতেই আমি তার সামনে গিয়ে দাঁড়ায় । 

এ এইযে শুনুন তো…

বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

আপনি কি কিছু বলবেন?

আপনাকে মনে হয় আমি ভালবাসি আমার সাথে রেখো সাথে ঘুরবেন ? তবে সেদিন শাড়ি না হয় অন্য কোন দেশ যেমন থ্রি পিচ পড়বেন । এসব প্যান্ট শার্ট গেঞ্জি আপনাকে কেমন যেন দেখায় আমি এসব পছন্দ করিনা। 

এই কথাগুলো বলে আমি আর দাঁড়ায়নি সেখানে জোরে হেঁটে ওর সামনে থেকে চলে আসি । এরপর আর বৌদির বাপের বাড়ি দিকে যায়নি নীলার সাথে আর দেখা হয়নি ।  অবশ্য আমিও ভয়ে ওর সামনে আর যায়নি । 

অবশ্য নীলা ঠিকই জানে আমি তাকে খুব ভালবেসে ফেলেছি কিন্তু কোন রেসপন্স করেনি ।সে কারণ ফাজিল মেয়ে একটা । একটা ছেলে ভালোবাসে কই তার সাথে প্রেম করবে তা না।

এক সপ্তাহ পর বাড়িতে এসে দেখি রাহুল ভাই এসেছে সাথে বৌদিও আছে । ওনার সাথে কুশল বিনিময় করে রুমে গিয়ে কোন দিকে না তাকিয়ে দরজাটা একেবারে বন্ধ করে দিলাম। 

আমার একটা বাজে অভ্যাস হলো রুমের দরজা দিয়ে পড়ে নে যা কিছু আছে সব খুলে ফেলে ফ্যানের বাতাসে একঘণ্টা শুয়ে থাকা। 

তাই আর কোনো দিকে না তাকিয়ে রুমের দরজা লাগিয়ে কা থেকে গেঞ্জি খুলে যখন প্যান্টের বেল্ট খুলতে যাব তখনই চিৎকার শুনতে পেলাম । একটা মেয়েলি একটা কন্ঠ। চিৎকার দিয়ে বলছে যে …

এই বাজে ছেলে এসব কি করছো?

পিচ্চি বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

আমি রীতিমতো চমকে ওঠে তাড়াতাড়ি গেঞ্জিটা আবার গায়ে দিয়ে বিছানার দিকে চোখ পড়তেই আমি হা হয়ে যাই।

তাকে যেন চেনা চেনা লাগে তবুও অচেনা গানটার কথা খুব মনে পড়ে যায় চোখ কচলে তাকিয়ে দেখি নীলা বসে আছে গায়ে নীল কালারের শাড়ি পড়ে বসে আছে ও। 

ওর নাভির দিকটা আমার চোখ আটকালো না কেমন যেন হাবার মত তাকিয়ে রইলাম সে দিকে।  এমনিতেই নীলাকে এভাবে দেখব আমি কখনোই আশা করিনি আবার তার ওপর অল্প দামে ফোরজি বোনাস পাব সেটাও আমি কখনো ভাবি নি। 

নীলাকে বুঝতে না দিয়ে নিজের চোখটা তাড়াতাড়ি সরিয়ে নিলাম । 

আ আ আ…. আপনি এখানে কি করে ?

কেন আপনি কি অন্য কাউকে আশা করেছিলেন নাকি?

না মানে তেমন কিছুনা?

এত মানে মানে করতে হবে না ।  রেডি হয়ে যান । আজ আপনার সাথে সারাদিন রিকশাতে  ঘুরবো । 

এই বলে নীলা রুম থেকে চলে গেল আমিও তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই নীলার সাথে ঘুরতে বেরিয়ে গেলাম । 

কি ব্যাপার আপনি এত চুপ হয়ে আছেন কেন ? কিছু কি হয়েছে?

নীলার এই কথা শুনে আমি ওর দিকে তাকালাম ‌। রিক্সার গতিতে বিতাড়িত বাতাসের দলগুলোর চলে এসেছিল সে বারবার তার চুলগুলোকে আগের মত ঠিকঠাক করতে ব্যস্ত হয়।

তারপর আমি মনে মনে ভাবলাম মিতা কি আমাকে সত্যি ভালোবাসে না বাসলে সে কি আমার কথা মত শাড়ি পড়তো নাকি।  যে মেয়ে জিন্স টি-শার্ট ছাড়া পড়তো না তার মাঝে এত পরিবর্তন এলো কি করে।

ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প

অবশ্য অনেক মেয়ে জানে একটা ছেলে তার সময় নষ্ট করে মেয়েদের পিছনে ঘুরঘুর করে।

হয়তো মেয়েটাকে ছেলেটা ভালোবাসে ছেলেটাকে নিয়ে মেয়েটা ভাবতে থাকে একসময় ছেলেটার প্রতি মেয়েটারও ভালোলাগা তৈরি হয়। এইভাবে..….

একটা কথা বলব আপনাকে না আজ অনেক বেশি সুন্দর লাগছে।

ওহ তাই নাকি? তা এতদিন লাগে না বুঝি?

হুম ,তবে আজ আরও বেশি লাগছে । 

নীলা আমার দিকে চেয়ে মুচকি হাসল আমি আশে পাশে তাকালাম স্ত্রী রাস্তা কে পিছনে ফেলে আসা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ছে না জানিনা কি হলো যে আমার ।

কোথা থেকে সাহস চলে আসে আমার আমি খুব করে নিলা হাতটা ধরে ফেললাম ।  নীলা দিকে তাকাতেই সে আমার দিকে তাঁর কাজলকালো চোখ দিয়ে মুচকি হেসে তাকিয়ে আছে। আমিও হাসলাম।

এভাবে করতে করতে কেমন যেন ভয়টা আমার ধীরে ধীরে ফেলে আসা রাস্তায় হারিয়ে যেতে ব্যস্ত আমিও নীলার দিকে আরো সরে এসে বসে আমার কাধে মাথা রাখল।

এই দেখে আমার বুকটা আবারো ধক করে ওঠে তবে এবার ভয় নাই,  কেমন যেন একটা অদ্ভুত অনুভুতির সিওর হলো আমার মনে।

তো আমাদের আজকের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর নেক্সট ভিডিওর জন্য অবশ্যই নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 

আশা করি গল্পটি আপনাদের ভালো লেগেছে। 

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment