স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

 *হ্যালো বন্ধুরা আমি এই পোস্টে আপনাদের কে একটা সুন্দর স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসা প্রেমের কাহিনী রোমান্টিক মিলনের গল্প শোনাতে চাই । আমি আপনাদের পিচ্চি বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প বা রোমান্টিক প্রেমের ফুলশয্যার গল্প শুনাতে চাই ।গল্প কাহিনী তো শুনতে থাকুন । বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প বা  বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প শুনতে থাকুন ৷ রোমান্টিক ভালোবাসার রাত এর ছোট গল্প শুনাতে থাকুন।প্রতিদিন দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প গুলি পেতে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফলো করুন আর সঙ্গে থাকুন।

Part 2 –  CLICK HERE

তাকে আজ বিয়ে করেছে তো চলুন আজ আপনাদের তাদের স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্পের কথা শুনাতে থাকি ।

তারা দুজন একসাথেই দাঁড়িয়ে আছে আমি মনে মনে ভাবছি এটাই আমার বউ আমি সিওর কথাটা বলে ডান পাশের মেয়েটার হাত ধরতেই বুঝতে পারলাম ওর হাতটা হালকা কাটতেছে তাই আরো বেশি সিওর হয়ে গেলাম আমার উত্তর করার সাথেসাথে রুমে থাকা সবাই মুখটা চুপসে গেল বা পাশে বসা মেয়েটার মুখ ফুলিয়ে বলল – 

এই যে মশাই তুমি তো তোমার বউকে খুব ভালো চিনো দেখছি । 

আমি একটু লাজুক হাসলাম আর বললাম শালী আধা ঘারওয়ালি হোতা হে । 

তো প্রথমে আপনাদেরকে বলি আমার বউ 1 ঘন্টার বড় । 

এখন সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে যাও আজ আমাদের বাসর রাত। 

ছি ছি আপু তোর বরের তো দেখছি লাজ-লজ্জা নেই হুম?  কেমন করে সবার মাঝে বলে দিলো । আমার বাপও লজ্জা আছে তাই চলে যাচ্ছি কিন্তু । 

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কবিতা,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,জীবনের গল্প,প্রেমের গল্প,ভালবাসার গল্প,রোমান্টিক গল্প,রোমান্টিক প্রেমের গল্প,

শালিকা মানে তো অর্ধেক বউ তাই না তো আমি খারাপ কোথায় বললাম ? তুমি এসে আমার বই বউ সাজো তে পারবা আর আমি একটু বলে খারাপ ?

 আজব পৃথিবী রে !

 হুহ, তবে যাইহোক আপু তোকে কিন্তু এই ভাইয়াটা না অনেক ভালোবাসে গুড নাইট বাই ।  এই বলে সবাই নিজের নিজের রুমে চলে গেল । 

 এই বলে আমার বউয়ের জমজ বোন রুমের সবাইকে নিয়ে চলে গেল আমি দরজাটা লাগিয়ে বিছানায় বউয়ের পাশে বসলাম । সে এক্কেবারে লজ্জায় মাথা নিচু করে আছে! 

 এই যে মশাই আমরা তো দুজন একি সাজে পড়েছিলাম তো আপনি আমাকে চিনলেন কি করে ।

 মা-বাবা ও মাঝে মাঝে কনফিউসড হয়ে যায় যে রিমা কোনটা আর সিমা কোনটা আপনি কিভাবে চিনলেন?

নতুন বউয়ের মুখ থেকে এমন কথা শুনে অবাক হলাম না কারন টা খুবই স্বাভাবিক । আমার নাম দেব । পড়াশোনা শেষে একটা গভারমেন্ট চাকরিতে আমি নিয়োজিত । এইজন্য বাড়ি ছেড়ে ভাড়ায় থাকতে হয় অফিসের কাছাকাছি বাবা-মায়ের পছন্দের মেয়েকে দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হল সেখানে পৌছালাম ও বটে তবে অবাক হলাম এত আমার বাড়ি ওয়ালার যদিও তাদের মেয়ে আছে কিনা সেটাও জানে না কারণ বাড়িওয়ালার এখানে থাকলেও অন্য পাশের ফ্ল্যাটে একটা রুমে আমি থাকতাম বাড়িয়ালা বাসায় আসা হয়েছে মাত্র আমার । 

ভালোবাসার গল্প 2021

প্রথমে বাসা নেওয়ার সময় আর পরে আরেকদিন কিছু সমস্যার কথা বলতে তাছাড়া এদিকে আর আমার আসা হয়নি এখানে যে আমার জন্যে এমন কিছু অপেক্ষা করেছিল আমি সেটা ভাবতেও পারিনি ব্যাপারটা এটা ছিল মেয়ে যখন আমাদের সামনে এলো বেশ মার্জিত পোশাকে শালীনভাবে আমাদের দেখে পছন্দ হল যখন সব শেষ পর্ব বাসায় ফিরব বাইরে এসে দেখি একই মেয়েটা  বাড়িতে ঢুকছে শর্টস পোশাক পরে । 

এখনকার যুগে যাকে বলে মর্ডান ড্রেস তবে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম মাকে তো ফিসফিস করে বলে দিলাম এমন উটকো মেয়েকে আমি বিয়ে করতে পারব না ।  সেটা বাড়িয়ালার মেয়ে হলও নয় ।  কিছুক্ষণের মধ্যে মেয়েটা আমার কাছে এসে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখে বলে উঠে 

ইউ দেব  রাইট দেখতে তো হিরো আমার তোমাকে পছন্দ হয়েছে তুমি আমাদের অন্য বাড়িটার ভাড়াটে তাই না আই এম রাইট। 

আমি আর তাদেরকে কিছু আর বললাম না । না বলে চলে আসতে যাব তখনই ওনাদের বাসার একটা লোক মেয়েটার কাছে কথা বলল ধরন দেখে বুঝলাম মেয়েটা মাত্র বাসায় ফিরছে তাহলে যে আমাদের সামনে ছিল ডাউট ক্লিয়ার করতে আমার হবু বউটা তখনও উঠানে এসে পড়ে।  পরে বুঝেছি ওনারা  টুইন। 

নতুন ভালোবাসার গল্প

বাস পছন্দ হয়েছিল করে ফেললাম বিয়ে।  তবে বাসর রাতে যখন রুমে এসে দেখি দুটো বউ আমার মানে সেখানে শালিকাও বউ সেজে বসে আছে । তারপরে আমার দুজন কে চিনে বের করার অগ্নিপরীক্ষা টা শেষ করে অবশেষে নিজের বউকে পাওয়ার সুযোগ টা হলো । 

এই যে মশাই কী হলো চুপ করে আছেন যে?

তোমাদের দেখতে তাকি হলেও আমি যাকে ভালবাসে তার মনটা অন্য কারো সাথে মিলবে না এইজন্য আমার দ্বারা তোমাদেরকে চেনা টা খুবই সহজ ব্যাপার আমি এলে বউ পটানোর জন্য এমন কথাই বললাম তবে ওদের দুজনকে চিনে বের করা একটা উপায় আছে সেটা হল তিল ।  আমার বউয়ের ওপরের ঠোঁটের কোনায় একটা তিল আছে যেটা শালিকার নেই এজন্য চিনতে আমার দেরি হয়না ।  বিষয়টা আমি জানতাম না বা খেয়ালও করিনি আমার বোন আমার এখানে আসার আগেই বলে ।  দিয়েছিল কারণ এ বাসায় শালিকাকে যখন সাজানো হচ্ছিল তখন ওরা বিষয়টা খেয়াল করে। 

ইস মন বুঝি দেখা যায় যে মন দেখে চিনবেন । 

বউ আমার লজ্জায় রাঙ্গা হয়ে কথাটা বলল আমিও সুযোগটা নিয়ে তার কোলের উপর মাথা রেখে শুয়ে পড়ে চোখের দিকে তাকিয়ে বলি দেখা যায় তবে চোখ দিয়ে নয় মন দিয়ে ভালোবাসার মানুষের মন দেখা যায় । এইসব তুমি বুঝবে না ।

আমার বোনের কাজের জন্য আমি ক্ষমা চাইছি । ও সব সময় এমন দুষ্টু এজন্য এখনো এমন করলো ।

 মজা তো শালীরাই করে দুলাভাইয়ের সাথে । এখানে তোমার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্ন আসে না । 

ভালোবাসার গল্প কাহিনী

হুম 

 হুম হুম  কি করছো ? তাহলে এবার আমাকে কিছু দাও?

 ম মানে? আমি আবার তোমাকে কি দিবো?

 কি আবার আমি মাথাটা রাখছি সেই কখন হাতটা তো বুলিয়ে দিতে পারো ? হা হা হা তুমি কি ভাবছিলে ?

 ন না কিছু না ?

 আচ্ছা আজ না আমাদের বাসর রাত তো এভাবে কাটাবে নাকি হ্যাঁ?

 লজ্জা পায় তার কথায় কিছু বলতে পারলাম না মাথাটা নিচু করে নিলাম?

 সকালে… ঘুম ভাঙ্গে তার চুলের পানিতে।  যেটা প্রথম ও ভালোলাগার অনুভূতি আমিও কম কিসে হাতটা টেনে বিছানায় ফেলে গলায় মুখ গুঁজে দিই। 

 এটা কি করছেন কি ছাড়ুন কে দেখে ফেলবে।

 আমি কি করলাম আমি তো শুধু তোমার ইচ্ছেটা পূরণ করতাছে । 

 মানে?

 মানেটা খুব সোজা এই সকালে চুলের পানিতে ঘুম ভাঙ্গে কি বলতে চাইছো আমি বুঝিনা বল ?

 আহ আমি কি তোমাকে বোঝাতে চাইবো?

 এই যে এমন ভাবে আমার ঘুমটা ভাঙিয়ে আমাকে আবার পাগল করার প্ল্যান তোমাকে বলে আমার বউটা কে যখনই কিস করতে যাব তখনই কে দরজায় টোকা পড়লো বিরক্ত হয়ে উঠে পড়লাম আর এতে আমার বউটা বেশ মজা নিচ্ছে সে হাসছে। 

  বললাম তো অনেক সময় হয়ে গেছে সবাই নিশ্চয় আমাদের জন্য নিচের অপেক্ষা করছে এখন তো ডাকতেও চলে এসেছে।

 আসার আর সময় পায়নি তুমি দরজাটা খোলো আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি ।

 হুম আমি দরজা খুলতেই ?

ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প

এই যে আপু দরজাটা খুলতেই এত সময় লাগে হুম । কি করছিলি তখন থেকে ডেকে চলেছি আমরা শুনতে কি পাও না তোমরা ।

 না মানে আমার জমজ বোন এবং আমার ননদ রা  এসেছে ডাকতে সবার সামনে বোনের এমন কথায় বেশ লজ্জায় পড়েছি । 

হুম আমি সব বুঝে গেছি তুই যে এত লজ্জা পাচ্ছিস ঠিক আছে তো আমার দুলাভাই কোথায়?

এই বলে ওর আমার পাশ কাটিয়ে আমাদের রুমে ঢুকে পরে দেব দা দেব দা বলে ডাকতে থাকে।তোর দেবদা ওয়াশরুমে আছে ।

ও আচ্ছা আচ্ছা তুই চল দুলাভাই পরে ফিরে আসছে দেখো না ওরা আমাকে কি সব ড্রেস দিয়েছে পড়তে বলেছে আজ বৌভাতের অনুষ্ঠানে আমায় শাড়ি পরতে হবে । তুই বল আমি কখনো পড়েছে গত দিনতো মজা করতে জড়িয়ে ছিলাম। 

আমি কি আর বলবো তোকে তোর যেটা সুবিধা হবে সেটাই পরবি ।

ওকে দিদি তোর এই ছোট ননদ গুলোর সাথে আমিও শাড়ি পরার ট্রাই করবো এখন চল মা বাবা চলে আসবে তারপর আমরা আমাদের বাড়িতে যাব।

তো আমাদের আজকের স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর নেক্সট ভিডিওর জন্য অবশ্যই নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 

আশা করছি গল্পটি আপনাদের ভাল লেগেছে খুব তাড়াতাড়ি Part2 আসতে চলেছে । 

Part 2 –  CLICK HERE

আশা করি গল্পটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment