বাসর রাতের গল্প রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2021

বাসর রাতের গল্প


*হ্যালো বন্ধুরা আমি এই পোস্টে আপনাদের কে একটা সুন্দর বাসর রাতের গল্প দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসা প্রেমের কাহিনী রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প শোনাতে চাই । আমি আপনাদের প্রথম রাতের অভিজ্ঞতা বা বাসর ঘরে ভালোবাসা শুনাতে চাই । তো শুনতে থাকুন । বাসর ঘরের গল্প বা  বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প শুনতে থাকুন ৷ রোমান্টিক ভালোবাসার রাত এর ছোট গল্প শুনাতে থাকুন।

বাসর রাতের গল্প, বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প , বাসর ঘরে ভালোবাসা, বাসর ঘরের গল্প, বাসর রাতের কাহিনী, রোমান্টিক বাসর রাত, বাসর ঘরের রোমান্টিক গল্প, বাসর রাতের রোমান্টিক প্রেমের গল্প,
বাসর রাতের গল্প

আমার এখন প্রচন্ড ঘুম পেয়েছে আমি কি এখন ঘুমাতে পারি ?
হ্যাঁ অবশ্যই তুমি ঘুমাতে পারে কিন্তু এই শাড়ি পড়ে কি তুমি ঘুমাতে পারবে না । এটা আগে চেঞ্জ করে এসো কোন সুতির শাড়ি পড়ে তারপরে ঘুমাবে ।


আমিতো শাড়ি পড়তে পারিনা আমি কোনদিন শাড়ী পরেনি তাই ।
নতুন বউয়ের মুখ থেকে কথাটা শুনে আমার বুকটা কেমন করে উঠলো কে জানে । যদিও এটা তেমন কঠিন কোনো কথা না তবে বাসর রাতে বউয়ের থেকে শোনার জন্য আমার কাছে এটা কঠিন কিছু মনে হল ।

একবার মনে হলো এই মেয়ে যখন সামান্য একটা শাড়ি পড়তে পারে না তাহলে এই মেয়ে পারে তাকে আপনারাই বলেন তো । সেকি শুধু আপনাদের বাসর রাতের গল্প টা শোনাতে পারবে ।


আমি কাকে বিয়ে করলাম ভগবান যদিও চেহারায় সুন্দরী অপূর্ব । আগে দুবার দেখা হওয়াতে তো এমন মনে হয়নি তাকে দেখে ভালই মনে হয়েছিল । প্রথমবার যেদিন বৃষ্টির সাথে দেখা হলো সেই দিন বৃষ্টির কথা শুনে মনে হয়েছিল এই মেয়ে জিনিসটা এর কিছু একটা হবে হয়তো ।

আমার মা আগেই বলেছিল যে এই মেয়ে যেমন লেখাপড়ায় তেমন রান্নাবান্না তো তেমন কিন্তু বৃষ্টির সাথে দেখা হওয়ার দিন আমি একটু লেট করে ওর সামনে উপস্থিত হয়েছিলাম । তাই দেখে আমাকে বৃষ্টি বলেছিল …

বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

বাসর রাতের রোমান্টিক গল্প

আপনাকে তো আমি বিয়ে করতে পারব না কারণ সময়ের প্রতি কোন রেসপন্স নেই আপনার ।
রাস্তাটা অনেক জ্যাম ছিল কি করবো বলো।
আচ্ছা মেনে নিলাম তবে তো এখন বলেন আপনি কি কি কাজ করতে পারেন।

মোটামুটি আমি সবই পারি?
রান্নাবান্না কি কিছু জানেন আপনি?
বৃষ্টির মুখে এই প্রশ্নটা শুনে আমার মনে হয়েছিল যে আমি পাত্রী আর ও আমাকে দেখতে এসেছে । আর রান্নাবান্না আমার প্যারা । খুবই দরকার রান্নাবান্না না পারলে জীবন ব্যর্থ তাও মাথা ঠান্ডা করে সেদিন জবাব দিয়ে ছিলাম তাকে ।

হুমম, আমি কিছুটা পারি ।
আপনি কি মাংস রান্না করতে পারেন ?
হ্যাঁ ।
আপনি কি মাছ রান্না করতে পারেন ?
না।

এরপর শুরু হলো বৃষ্টির কথা। পুরো সময় আমি আর কোন কথাই বলিনি। যা বলেছিল বৃষ্টি একাই বলে চলেছিল সেকি পারে তাই বলে ছিল কিন্তু এ মেয়ে যে সামান্য শাড়ি পড়তে পারে না সেটা কে জানত বিয়েতে আমার খুব একটা মত ছিল না । মা-বাবার যেদে আমি বিয়ে করেছি ।

বৃষ্টিকে দেখে সামান্য অহংকারী মনে হয়েছিল কিন্তু বাসার সবার নাকি খুব পছন্দ হয়েছিল এরকম মেয়ে তারা আগে কোথায় কখনো দেখেনি । তাই বাড়ির মানুষের কথা ভেবেই তাকে আমি বিয়ে করলাম আমি মুখ তুলে বৃষ্টির দিকে তাকালাম বিছানার একপাশে হাতে একটা সুতির শাড়ি নিয়ে দাড়িয়ে আছে বৃষ্টি ।

বাসর ঘরের গল্প

কি সুন্দর লাগছে ওকে দেখতে আরেকটু আগেও ওকে অহংকারী মনে হচ্ছিল । কিন্তু এখন কত পবিত্র লাগছে তাকে বৃষ্টির গায়ে এখনো লাল রঙের মোটা সেই একটা বেনারসি শাড়ি বিয়ের শাড়ি পড়ে ঘুমানো যায় না । তাই মা একটা সুতির শাড়ি দিয়ে গেছে ওকে । আমি আস্তে করে তাকে বললাম…

এখনো তো তুমি শাড়ি পড়ে আছ তো ওটা কিভাবে পড়লে ।
ওটা তো আমি নিজে পড়ি নাই । আমার বাসা থেকে পরিয়ে দিয়েছে।

ও আচ্ছা ।
আমি কিছুক্ষণ ভেবে তারপর আবার তাকে বললাম…
আমি একটু একটু শাড়ি পরাতে পারি তো আমি কি তোমায় শাড়ি পরিয়ে দেব চেষ্টা করতে পারি।

এটাতো মেয়েদের কাজ । তুমি এটা শিখলে কি করে সত্যি করে বলো এর আগে কোন মেয়েকে তুমি শাড়ি পড়েছ কি ?
এর আগে আমি আর কাউকে ছাড়ি পড়ায় নি । আর এটা আমি ইউটিউব থেকে শিখেছি কিভাবে বউকে বাসর রাতের শাড়ি পড়তে হয় ।

আপনি এত কিছু থাকতে হঠাৎ এইসব শিখতে গেলেন কেন ?
যদি কখনো কোন কাজে লাগে এটা ভেবেই শিখেছিলাম ।
বৃষ্টি আমার কথার কোন জবাব দিল না ‌। আমি আবারও তাকে বললাম …

বাসর ঘরের রোমান্টিক গল্প

কি হলো আমি কি তোমায় শাড়িটা পরিয়ে দেবো ?
কিন্তু আমি শাড়ি কোনোভাবেই শাড়ি সামলাতে পারিনা । এটা পড়লে আমি খুব আনইজি ফিল করি । রাতে ঘুমালে শরীর ঠিক রাখতে পারি না ।
তাহলে কি করা যায় বলোতো ।

জানিনা আমি ?
তুমি তোমার বাসা থেকে কোন কাপড়ে আনোনি?
এনেছি তো, কিন্তু কাপড়ের ব্যাগ তো অন্য রুমে আছে তাই না ?
ও এখন তো অনেক রাত হয়ে গেছে বাইরে হয়তো সবাই শুয়ে পরেছে ?
হুম ‌ ।

আচ্ছা তুমি কি আমার পাঞ্জাবী পরে শুতে পারবে!
ও পারবো কিন্তু পাঞ্জাবির সাথে নিচে কি করবো আমি ।
আমার পায়জামা টা গত ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে ছিড়ে গেছে । আর আমার কোন প্যান্ট তোমার সাইজের হবে না ।

তাহলে কি করা যাবে ?
এখন মাত্র একটাই আইডিয়া আছে ?
কি আইডিয়া বল শুনি ।
পাঞ্জাবির সাথে তুমি কি লুঙ্গি পরতে পারবে?

কি বললা তুমি?
না মানে , বলছিলাম যে লুঙ্গি তো ভালো জিনিস আর একটা রাতের ব্যাপার । একটু কষ্ট করে কোনভাবে রাতটা পার করে দাও ।

তাই বলে কি আমি একটা মেয়ে হয়ে বাসর রাতে ছেলেদের লুঙ্গি পড়বো ‌। আর এই কথা যদি কেউ শুনে তারপরে কি হবে ভেবে দেখেছো । না এটা কোনভাবেই সম্ভব না ‌ ।

বাসর ঘরে ভালোবাসা

তাহলে আর কি করা যাবে যেটা পড়ে আছে ওটাই পড়ে ঘুমাও !
এই শাড়ি পড়ে আমার কিছুতেই ঘুম আসবে না রাতে । প্লিজ কিছু একটা করো । নাইতো তুমি আমাকে বাসর রাতের গল্প শুনাতে হবে ।

এছাড়া আমার আর কিছু করার নাই । ভেবে দেখো তুমি কি করবা । আমার খুব ঘুম পাচ্ছে তাই আমি এখন ঘুমাবো ।
এই না তুমি ঘুমাবে না বুঝেছ। বাসর ঘরে ভালোবাসা না করলে কি হয় ।

তাহলে কি করব আমি বলো ।
ওকে তোমার পাঞ্জাবি তাই দাও তাহলে । কিন্তু আমি ঘুমালে তো কাপড় ঠিকঠাক থাকে না তাহলে লুঙ্গি পড়ে কিভাবে ঘুমাবো । তো বন্ধুরা আপনাদের আমাদের বাসর ঘরের রোমান্টিক গল্পটি কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ।

দাঁড়াও তবে তোমাকে লুঙ্গির সাথে আর একটা জিনিস দিচ্ছি এই নাও এটা হচ্ছে আমার শার্ট প্যান্ট লুঙ্গির নিচে পরবা তাহলে সেভ থাকবা । একেবারে ইনটেক জিনিস, কিনার পরে পড়া হয় নাই ।

বৃষ্টি আমার হাত থেকে কাপড় গুলো নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে আমি বুঝতে পারছি । বৃষ্টি হয়তো আমার সামনে কাপড় চেঞ্জ করতে চাচ্ছে না । অচেনা একজনের সামনে কাপড় চেঞ্জ করা খুব সমস্যা । যদি আমি ওর হাজবেন্ড তবুও পুরনো হলে হয়তো কোন সমস্যা ছিল না ।

ভালোবাসার গল্প

সে নতুন বলেই হয়তো এতটা সমস্যা আজ নিয়ে মাত্র তিনবার তার সাথে ওর কথা বা দেখা হয়েছে কিন্তু এখনো প্রেম-ভালোবাসা কিছু হয়নি । তবে খুব শীঘ্রই হবে আমাদের । আজ বাসর রাতেই হবে হয়তো । আমি ওর অবস্থা বুঝতে পেরে বললাম …

আচ্ছা তুমি চেঞ্জ করো তবে আমি বারান্দায় গিয়ে একটু দাঁড়াচ্ছি ।
আচ্ছা ।
আমার বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ানোর 5 মিনিট পরেই বৃষ্টি এসে বললো …
আমার হয়ে গেছে তুমি ভিতরে আসতে পারো ?(তো বন্ধুরা আপনাদের বাসর ঘরের রোমান্টিক গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে )

ও আমাকে তুমি করে বলাতে কেমন জানি একটা অন্যরকম অনুভূতি হল তুমি করে বলেছে কিন্তু এমন লাগেনি’ আমার ‌ । আমি ঘরে ঢুকে দেখি বৃষ্টি পাঞ্জাবি পড়ে দাঁড়িয়ে আছে একটু ডোলাডালা হয়েছে অবশ্য কিন্তু দেখতে মন্দ লাগছে না তাকে । আমি কিছুক্ষণ ওইভাবে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম । তখন বৃষ্টি লজ্জা পেয়ে বলল-

এইভাবে তাকিয়ে থাকা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না।
কেন শুনি?
কারন আমি তোমাকে অনুমতি দিচ্ছি না ।
অনুমতি দাও হে প্রিয়তম? তাছাড়া আমরা কি আজ আমাদের বাসর ঘরের গল্প করার অনুমতি পাবো ।

আজ তুমি কোন কিছুতেই অনুমতি পাবে না।
কেন গো?
আমি এখন ঘুমাবো, খুব ক্লান্ত লাগছে?
আচ্ছা, চলো শুয়ে পড়ি তবে।
হুমম ।

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

আর এই নাও কাথা, এটা গায়ে দিয়ে শুয়ে পড়ো।
ওকে ।
খাটের মাঝখানে বালিশ দিয়ে এমন দেওয়াল উঠাচ্ছো কেন ?
তুমি যাতে এদিকে না আসতে পারো তার জন্য।

কি আজব ব্যাপার বলতো আমি আমার বউয়ের কাছে যাব না ?
হুম যাবা কিন্তু আজকে না ।
কি আর করা যাবে, আপনারাই বলুন বুকে একবুক হতাশা নিয়ে শুয়ে পড়লাম । আজ সারাদিন আমার উপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে এখন ভালো একটা ঘুম দিতে হবে । পরের দিন সকাল বেলা …

সঞ্জয় …এই সঞ্জয় …শোনো …

হ্যাঁ বল কি হয়েছে?
কাল রাতে যে লুঙ্গি টা পড়ে আমি শুয়েছিলাম ওটা তো এখন খুঁজে পাচ্ছি না ।
কি বলো তুমি, আমি তো রাতে দেওয়াল টপকে তোমার কাছে যাইনি ।
তাহলে লুঙ্গি টা কোথায় গেল তুমি একটু উঠে দেখো না প্লিজ ।

ওকে, দেখছি কোথায় গেল তোমার লুঙ্গি । লুঙ্গি তো দেখি খাটের নিচে পড়ে আছে ।
আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম আমি এই সব পড়বো না । দেখলে তো কি হলো । এখন সকাল হয়েছে, যাও তুমি পাশের রুম থেকে আমার কাপড়ের ব্যাগটা নিয়ে এসো । (তো বন্ধুরা আপনাদের বাসর রাতের রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে )

তুমি কিছুক্ষণ ওয়েট করো আমি এক্ষুনি ঘুরিয়ে এনে দিচ্ছি ।
আমি তোমার জন্য বাথরুমে ওয়েট করছি তাড়াতাড়ি নিয়ে আসবে কিন্তু ।
আচ্ছা, আমি যাব আর আসবো ।

বৃষ্টির এই অবস্থা দেখে আমার খুব হাসি পাচ্ছে কিন্তু এই মুহূর্তে হাসতে পারবো না । খুব কষ্টে হাসি টা চেপে রেখেছি ।
এই সঞ্জয় আমি থ্রি পিস পড়ি ?
আজকে আমাদের বৌভাত আর তুমি আজকে থ্রি পিস পড়বা ?

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

তোমাকে না আমি কাল রাত্রে বললাম আমি শাড়ি পড়তে পারি না ।
তোমাকে শাড়ি পরতে হবে।
কেন?
আমাদের আত্মীয় স্বজনরা তো নতুন বউ দেখতে আসবে কি বলো?

তাহলে এখন কি করবো আমি?
আমি পরিয়ে দিই তবে?
তুমি ভালো করে পড়াতে পারবে কি?
দেখা যাক পারি কিনা ।

তুমি আমাকে শাড়ি পরা বে এটা শুনে আমার লজ্জা লাগছে ।
আমরা তো এখন স্বামী-স্ত্রী । তাই না স্বামী-স্ত্রীর মাঝে লজ্জা থাকতে নেই ।
ওকে, তুমি শাড়ি পরাবা । কিন্তু আমার একটা শর্ত আছে ।
কি শর্ত বল ।

শাড়ি পরানো সময় তোমার চোখ বন্ধ করে রাখবো ।
চোখ বন্ধ করে রাখলে শাড়ি পরাবো কিভাবে তার থেকে বরং তুমি চোখ বন্ধ করে রাখো আমি শাড়ি পরিয়ে দিই ।

ওকে, আমি চোখ বন্ধ করলাম তুমি পরিয়ে দাও ।
আমি বৃষ্টিকে শাড়ি পরা ছিলাম ঠিক তখনই পিছন থেকে বৌদি বলে উঠলো।
বাহ! এক রাতেই এতদূর চলে গেছো ।

বৌদির কথা সুনে আমি ও বৃষ্টি দুজনই খুব লজ্জা পেলাম ।এই যে আমার দেওবর তোমাদের বাসর ঘরের রোমান্টিক গল্পটি কি আমি শুনতে পাড়ি ।
বৌদি তুমি যা ভাবছো আসলে তা না । বৃষ্টি শাড়ি পড়তে পারে না তাই তাকে একটু হেল্প করছিলাম এই আর কি ।

বাসর রাতে ভালোবাসার গল্প

তুমি আমাকে বললেই পারতে আমি পরিয়ে দিতাম তুমি বাইরে যাও আমি বৃষ্টিকে শাড়ি পড়িয়ে দিচ্ছি । বাসর ঘরে ভালোবাসা বউ এর কেমন নিলা ।

বৌদি বৃষ্টিকে শাড়ি পরিয়ে নিয়ে গেল । কোনরকম দিন টা পার করলাম । সারাদিনের ব্যস্ততা শেষ করে মাত্র বিছানায় এসে শুয়েছি ।
তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছো নাকি?

না তুমি কি কিছু বলবা?
আমি কি তোমার হাতটা ধরতে পারি?
কেন?
ধরতে খুব ইচ্ছে করছে?

বৃষ্টি আমার দিকে ওর হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বললো…
নিজের বউয়ের হাত ধরার জন্য পারমিশন নিতে হয় । নাও ধরো ।
বৃষ্টি তোমার হাত তো খুবই সুন্দর আর তুলতুলে নরম ।

অন্ধকারে সুন্দর না কাল তুমি কিভাবে বুঝলে ।
আমি অনুভব করলাম ।
আমার আর কি কি অনুভব করেছো এই অন্ধকারে তুমি?
তোমার ঠোঁট টাও সুন্দর ?

হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ চুমু খাওয়ার ধান্দা না ।
হুম ।
আজ থেকে শুরু করে দিবা ।
প্রথম রাত থেকে শুরু করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু তা তো আর হলো না তাই আজ থেকে শুরু করতে চাই ।

ওকে, কাছে আসো তাহলে ।
এরপরে আমাদের মাঝে কি হলো সেটা আর আপনাদেরকে বলতে পারব না আপনারা অবশ্যই বুঝে নিতে পারবেন যে ।

Amader facebook page ta follow korte paren – chhota golpo

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

3 thoughts on “বাসর রাতের গল্প রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2021”

Leave a Comment