এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022 । তো বন্ধুরা এই গল্পতে আপনারা জানতে পারবেন এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস নাটক করে আবার আমাকে পটানো চেষ্টা করে । তার পর মেয়েটি কি করলো তা দেখতে থাকুন তো বন্ধুরা আমাদের chhota golpo ওয়েবসাইডে আপনাদেরকে স্বাগতম । দেখতে থাকুন এই রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী টি আর অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022

ভার্সিটিতে থেকে প্রথম পজিশনে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে বন্ধু বান্ধবীদের সঙ্গে পাঠিয়ে দিচ্ছে নাম মা বারবার ফোন করে বাবার ব্যবসা সামলাতে বলছে কিন্তু এত কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে ইঞ্জিনিয়ার হবো বলে বাবার ব্যবসা তো অন্য কেউ সামলাতে পারবে তাই মাকে রিজেক্ট করে দিলাম আমি একটা চাকরি পাই তখন আর বাবাকে এইসব কিছু করতে হবে না ।

হঠাৎ আমার ফোনে একটা কল ফোন এল আর নাম্বার আমি কলটা রিসিভ করি আর খুশির সংবাদ যেন আমার বড় মন অফ দি এল ইঞ্জিনিয়ার পাস করতে না করতেই এক কানেক্টর চলে আসলো । কাজটা আমার আমেরিকায় গিয়ে করতে হবে আমি কোন কিছু না ভেবে হ্যাঁ বলে দে 20 লক্ষ টাকার অফার করেছে বলে না করলাম না বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি দিয়ে বাড়ি ফিরে যায় কাল থেকে আবার কাজে দিনরাত পরিশ্রম করতে হবে তাই বাড়িতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি ।


পরদিন সকাল হতে না হতে ঘুম থেকে উঠে একদম সাদা ইউনিফর্ম পড়ে বেরিয়ে পড়লাম আমার কাগজপত্র ফাইল নিয়ে গাড়ি নিয়ে সোজা অফিসে পৌঁছে গেলাম । আমার স্বাগত করে অফিসে নিয়ে আসা হয় কিন্তু এত সব কিছু দেখে আমার মনে একটা খটকা লেগেছিল । এত আপ্পায়ন শুধু কি আমার জন্য না হয়তো অন্য কোনো কারণ আছে তা মনে হয় । ( এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস )

আমাকে ওয়েটিং রুমে বসিয়ে দিয়ে আপনাদের তো একটা কথা বলতে ভুলে গেছি আমি আমাকে এখানে একজন মেয়ে উনার কাজের করতে হবে । কিন্তু মেয়েটা কোথায় কিছুক্ষণ বসে থাকার পর রুমে আরো কেউ আছে একটা মেয়ে উনি হয়তো আমার বস মুখে মাক্স আর চোখে সানগ্লাস থাকায় মুখটা ভালো মতন দেখতে পাচ্ছিলাম না মেয়েটাকে তার জায়গায় বসে তার মুখের মাক্স ও সানগ্লাসটা খুলে ফেলে ।

Follow Facebook page friends – Chhota golpoভালোবাসার গল্প কাহিনী


তুমিইইই ! তুমি এখানে এখানে কি করছো আর আমি আর ওনারে কাজ করব সে কোথায় ?
আকাশ তুমি জানো না আমি তোমার অনার এতদিন আমরা একসাথে ছিলাম আর আমার নামটা তোমার মনে নেই মনে হয় কি সেটাও ভুলে গিয়েছো?


এই শোনো তুমি মনে রাখার মত এমন কিছু করোনি যে আমার তোমাকে মনে রাখতে হবে আর আমাকে শুধু এতোটুকুই বলা হয়েছে একজন মেয়ে কোন আর কাজ করতে হবে । আর আমি যদি জানতাম মেয়ের নামে কালসাপ টা আসলে তুমি তাহলে আমি কখনোই এই অফারটা গ্রহণ করতাম না বুঝেছ । আর আমি তো কখনোই মন থেকে মানতে তোমার কাছে রাজি নয়।
আকাশ তুমি আগের কথায় আগের দিনগুলো এখনো তুমি মনে রেখেছো কই আমি তো মনে রাখি নি তাইতো তুমি ইঞ্জিনিয়ার পাস করার সাথে সাথেই আমি তোমাকে সবার আগে আমার কাছে নিয়ে এসেছি কাজ দেওয়ার জন্য।

এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস

Ex girlfriend jokhon bou
Ek girlfriend jokhon bou ( এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বউ )


তোমার এই সব ন্যাকামো আমার ভালো করেই জানা আছে আর আমি তোমার মত ওপরে খোলোশ তোমাকে দেখাই নি আমার আসল টাই তোমাকে দেখিয়েছি তাই তুমি আমাকে মনে রেখেছে।
আকাশ তুমি একবার আমার কথাটা বোঝার চেষ্টা করো লাইফে বাঁচতে গেলে টাকা প্রয়োজন ,পড়ালেখা প্রয়োজন, প্রয়োজন তাই তখন আমি তোমাকে ছেড়ে আমার ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিয়ে ছিলাম ।

আমার মত বাঁচতে হলে ভালোবাসার আরেক প্রয়োজন যদি তোমার মধ্যে আমার প্রতি বিন্দু পরিমান ভালবাসা থাকে তাহলে আমরা না খেয়েও বেঁচে থাকতে পারতাম । আর শোনো না খেয়ে বা কোন থাকতাম আমার বাবা যথেষ্ট টাকা ছিল তুমি আর আমি সারা জীবন বসে খেলেও সেই টাকা ফেরত না ।

আচ্ছা ঐসব পুরনো কথা বাদ দাও পুরনো কথা মনে রেখে লাভ কি বল তো এখন তুমিও এডাল্ট তোমার সাথে আমিও আমি এতদিন তোমার অপেক্ষায় করছিলাম কবে তুমি ইঞ্জিনিয়ার শেষ করবে ।

বাহ খুব ভালো আর তুমি আমাকে তোমার পিছনে কর্মচারীর মত খাটাবে আমি এতক্ষনে ছাড়পত্র তোমাকে পাঠিয়ে দিচ্ছি তোমার সাথে এক অফিসে এক ছাদের তলায় কাজ করা আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয় ।

এই বলে আকাশ চলে যেতে লাগে আমি তার হাত ধরে ওকে পিছনের দিকে দিয়ে জড়িয়ে ধরি প্লিজ যেও না । তোমাকে ছাড়া আমার একটা দিনও ভালো লাগেনি এ তিনটা বছর আমি কিভাবে পার করেছি তুমি নিজেও জানো না হয়তো আর আমিও তোমাকে বলে বুঝাতে পারব না ।

ভালোবাসার গল্প কাহিনী

পায়েল ছাড়ো আমায় তুমি এখনো তো বললে অতীত ভুলে যেতে আর আমার সেই ভয়ঙ্কর অতীত আমি ভুলে গিয়েছি আমার জীবনে এখন আর তোমাকে কোন প্রয়োজন নেই এই সামান্য কথা তুমি কেন বুঝতে পারছ না ।


আকাশ আমি ভালো করেই জানি তুমি এখনো আমায় ভালোবাসো আমি তোমার খবর নিয়েছি তোমার বন্ধু শেখর রোজ আমায় তোমার ব্যাপারে অনেক কিছু বলতো । তাহলে এখন যদি আমি ফিরে এসেছি কেন তুমি আমার থেকে দূরে চলে যাচ্ছ ।


আমি তো তোমার কাছ থেকে কখনো দূরে যেতে চাইনি তুমি আমায় দূরে সরিয়ে দিয়েছে এখন থাক না তুমি তোমার মত আর আমি আমার মত তুমিও তোমার লাইফে সেটেল এখন দোয়া করো আবার আমার লাইফে খারাপ করে দিও না । ( তো বন্ধুরা আমাদের আজকের এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন )

আকাশ চলে যেতে লাগল আমি আবার ওকে আটকানোর চেষ্টা করি তখনই আমার কোন কথা কানে নিচ্ছে না আমি টেবিলের উপর কাচের গ্লাসটি ভেঙে আমার হাতের উপর চালিয়ে দিন আকাশ এবার তুমি ভেবে দেখো তোমার যখন আমাকে চায় না ‌। তাহলে আমিও তোমাকে জোর করব না কিন্তু প্লিজ এখান থেকে যেওনা ।

পায়েলের হাত দিয়ে অনবরত রক্ত গড়িয়ে পড়ছে আমি ওকে যতবারই বোঝায় না কেন যে আমি ওকে ভালবাসি না ভিতরে ভিতরে তো আমি এখন ওকে বড্ড ভালোবাসি । তাই ওর তীব্র আর্তনাদ আমি সহ্য করতে পারিনা আমি এখনো থাকবো তবে তুমি এখান থেকে চলে যাও । তোমার মুখটা আমি দেখতে চাই না।


আমিতো সেই তিন বছর আগেই তোমার জীবন থেকে অনেক দূরে চলে গেছে আর এমন কি এখান থেকে চলে যাব তবে এই কাজটা শেষ করার পর যদি এ কদিন তোমার মনে আমার আগের জায়গায় ফিরে আনতে পারি সেই চেষ্টা করব ।


পায়েল চলে যায় আমি চেয়ারের নিজের শরীরটা ছড়িয়ে দিই তিন বছর আগেকার কথা ভাবতে থাকে আবার কেন তোমার সাথে আমার দেখা হলো আমাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে বেরিয়ে পড়তে হবে বলা তো যায় না । আবার কখন ওর প্রেমে আমি পড়ে যাই এর মধ্যে একটা লোক এসে উনি আমাকে বললেন আমেরিকা যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে ‌। আম্মু আর কাজের ব্যাপারে সবটা বলা হয়নি কারন যদি আমি মাকে জানায় যে কাজের জন্য আমাকে বাইরে যেতে হচ্ছে তাহলে মা কিছুতেই আমায় যেতে দেবে না তাই কাউকে কিছু না জানিয়ে ফ্লাটে উঠে পড়ি আমাদের ফ্লাটে ছিল দুপুর দুটোই আমার আর নীলার একই জায়গাতেই পরে কিন্তু কেউ কারও দিকে তাকা ছিলাম না পর্যন্ত ।

এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস

আকাশের সাথে বার বার আমার কথা বলার ইচ্ছে হলেও আমি বারবার বাধা পেয়ে ফিরে আসি আমি হঠাৎ খেয়াল করি আমাদের স্মৃতিতে পাশে একটা বিদেশী সুন্দরী মেয়ের পাশের গিয়ে আকাশপথে পরে মেয়েটার কোন আপত্তি ছিল না মেয়েটা আকাশের সাথে চেপে চেপে বসেছিল আমার একদমই সহ্য হচ্ছিল না । এই একাশ তুমি আমার পাশ থেকে উঠে গিয়ে ওই মেয়েটার পাশে বসলে কেন ?


বারে তোমার সাথে আমার শুধু কাজ করতে গিয়ে পরিচয় কাজের বাইরেও আমি তোমাকে চিনি না !
কই তুমি তো এমন ছিলে না মেয়েদের থেকে 10 হাত দূরে থাকতে আর এখন 1 সেন্টিমিটার দূরেও নেই ঘেসে এসে বসে আছো । আগের তুমি কে আমি চিনতেই পারছিনা ।


আমি যেতাম সারা জীবন তোমার জন্য শুধু ওয়েট করবো এমন তো নয় আমার জীবনে আমার স্টাইল আমি তোমার বাপের কেনা সম্পত্তি না যে তোমার কথায় সারাদিন উঠবো আর বসবো বুঝেছ ? ( তো বন্ধুরা আমাদের আজকের এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস নাটক বাংলা গল্প টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন )


আমি হঠাৎ খেয়াল করলাম মেয়েটা আকাশের গলায় একটা কিস করতে যাচ্ছে বেবি বেবি বলে তোর বেবি আমি ছোটাচ্ছে বসা থেকে উঠে মেয়ের গালে কষে একটা চড় মেরে বসলাম ।

মেয়েটার গালে চড় মারা আমি পায়েলের গালে কষে একটা চড় মারলাম আমাদের প্রাইভেসি তুমি ডিস্টার্ব কেন করছ ।
তু-তু-তুমি এই মেয়েটার জন্য আমার গায়ে হাত তুললে । তোমার থেকে এরকম আচরণ আমি এক্সপেক্ট করিনি আমার সামান্য কথায় যে কেঁদে উঠল সে আজ নিজেই আমায় বাধা দিচ্ছে ।


তুমি এখানে দাঁড়িয়ে ন্যাকামো না করে নিজের জায়গায় বিয়ে বস মানুষজন দেখছে তো আমাদের আমার এই রকম আচরণ দেখে পায়েল একেবারে ভেঙে পড়ে এটা তো শুধু শুরু তুমি আমায় যতটুকু কষ্ট দিয়েছো তার থেকে দ্বিগুন কষ্ট এখন আমি তোমায় দেব এর পর আমাদের খাওয়া-দাওয়ার হল। পায়েল একা একা খাচ্ছিল ওকে জেলাস ফিল করার জন্যে আমার পাশের মেয়েটাকে আমি নিজেই খাবার খাইয়ে দিচ্ছিলাম ….।

এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস নাটক

সে কতটা নোংরা ছেলে হয়ে গেছো তুমি তোমার মাথাটাই নষ্ট হয়ে গেছে মনে করো নয়তো শেষমেশ একটা বিদেশী মেয়েকে পছন্দ করলে যাদের চেহারা নয় কোন মায়া নাই না আছে সুন্দর চোখ ।


এই করতে করতে আমরা শেষমেষ আমেরিকায় অবধি পৌঁছে গেলাম পায়েল তো আমার উপর একবার রেগে আগুন হয়ে আছে আর আমি পারছি না আগুন আরেকটু বেশি করে ঘি ঢেলে দিতে । ফ্লাইট থেকে নামার সময় আমি মেয়েটাকে হাত ধরে নামাতে থাকে পায়েল আমাদের সামনে হঠাৎ ওর পায়ের গিরা মচকে যায় আর আমিও পড়ে যাই আমি ওকে বিয়ে দিয়ে ফ্ল্যাট থেকে নেমে পড়ি আর ওর জন্য অপেক্ষা করি কেননা ওর সাথে আমায় অফিস অফ দি যেতে হবে । তারপর পায়েল ফ্লাইট থেকে নেমে আসে ।


কেন তুমি আমার জন্য এখানে অপেক্ষা করছ কেন কেন চলে যেতে পারলে না ঐ মেয়েটার সাথে গিয়ে বিয়ে করে নিতে যত যতসব আদিখ্যেতা ।
এই শোনো আমি তোমার এই মুখটা দেখতে চাই না শুধু এই কাজটার জন্য আমি এখানে এসেছি । তোমার আমাকে দরকার আমি যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে থাকবো । অন্তত তুমি সেটা ইন্টারফেয়ার করোনা আমার লাইফে ।


ওরে ভাবে কথা বলাও অন্য মেয়ের সাথে ফ্লাইটে বসা সবকিছুই ভেতরে ভেতরে আমায় আঘাত দিচ্ছে কিন্তু আমি আকাশকে কিছুতেই বলতে পারছি না অফিস থেকে আমাদের জন্য গাড়ি পাঠানো হয় । তখন আকাশকে ড্রাইভার এর পাশের সিটে বসে পড়ে আর আমি একা পিছনে গিয়ে বসে আমার সাথে পিছনে বসলে ওর কি এমন ক্ষতি হতো জানি না আমরা প্রথমে একটা হোটেলে চলে গেলাম আমার একটা রুম আর আকাশের আরেকটা রুম দুজনে ফেলে ছুটে চলে গেলাম ।


আমার এত সুন্দর হোটেলের রুম দেখে আমার চোখ ধাঁধিয়ে যায় পায়েল ওর নিজের রুমে চলে যায় আর আমি আমার রুমের বারান্দায় গিয়ে পুরো লন্ডন দেখতে থাকি সত্যি ভগবানের সৃষ্টি কত সুন্দর এই জায়গা সেই সময় আমার রুমে একজন সুন্দরী সুন্দরী উনি আমাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারে সেটা ইংলিশে বলতে লাগে । আমার কিছু লাগবেনা বলে আমি ওনাকে পাঠিয়ে দিন । ওয়াস রুমে ঢুকে শাওয়ার নিয়ে রেডি হয়ে বসে থাকি একটু পরে আবার অফিস যেতে হবে শুধু মাত্র পায়েলের আসার অপেক্ষা করছি ?


আমি রেডি হয়ে আকাশের ঘরে ঢুকতেই দেখি ও ভদ্র ছেলের মত রেডি হয়ে বসে আছে আমাকে দেখতে উঠে দাড়া যাওয়া যাক তাহলে কি বল?
হ্যাঁ যেতে তো হবে কাজটা শেষ করে কবে বাড়ি ফিরতে পারব কে জানে আর প্লিজ তুমি হঠাৎ করে আমার ঘরে ঢুকবে না আমারও একটা প্রাইভেসি আছে বুঝেছ ?

এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস নাটক বাংলা

আমার চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে এলো আমার উপর যেন আকাশ একপ্রকার টর্চার শুরু করেছে কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দিচ্ছি না একটু একটু করে আমার প্রতি ওর এত ঘৃণা জন্মে গেছে সে কি আমায় আর ভালোবাসে না আপন করে নিতে পারবে । হয়তো কখনোই বানা কারো সাথে কারো কোন কথা নেই অফিস অফ দি পৌঁছে যায় এতগুলো ক্লায়েন্টের সামনে কিভাবে প্রেজেন্টেশন দিবে এটা নিয়ে একটু টেনশনে ছিলাম কেননা ওর জীবনের ফাস্ট প্রেজেন্টেশনটা এটা ।
কিন্তু ও যে ভাবে এই প্রেজেন্টেশন দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে দিয়েছে তা দেখে সবাই অবাক অবশেষে আমরা প্রজেক্টটা পেয়ে যাই এখন সুযোগ প্রজেক্টটা কমপ্লিট করে দিতে পারলেই হলো । তাই সবাইকে বিদায় জানিয়ে চলে আসি এবার আমি ড্রাইভিং করে ওকে হোটেল অফ দি নিয়ে যাচ্ছিলাম ।

পায়েল টাইপিং করছিল কি যেন একটা ভেবেছি চিন্তায় মগ্ন থাকা যাকে বলে বাতাসে ওর চুল গুলা আর কি যেন ভেবে ভাবছিল আমি আবার নতুন করে ওর প্রেমে পড়ে যাচ্ছি না তো মনে হচ্ছিল না আকাশ তুই আর আরো শক্ত হও ওর প্রতি আকৃষ্ট হলে চলবে না তোর । এই সাবধানে ড্রাইভিং করো নিজেও মরবে তার সাথে আমাকে মারবে কে তুমি । জানে আমাকে মারার প্ল্যান করছো নাতো আবার ।


আআ আমি তোমাকে মারব তুমি এটা ভাবলে কিভাবে আমার শেষ নিঃশ্বাস থাকা অব্দি আমি তোমার কিছু হতে দেব না।
এইসব ফিল্মি ডায়লগ এককালে আমিও খুব মানতাম আর প্রতিদান তো কড়ায়-গণ্ডায় পেরিয়ে যাচ্ছে ।।
আকাশ আমায় ডেডিকেট করে কথাগুলো বলছিল আমি ওর কথা আর প্রতিটা উত্তর দেইনি কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা হোটেল হয়েছে গেলাম ওর রুমে আমি আবার রুমের ওয়েটার এসে খাবার দিলে খুব ইচ্ছে করছিল ওর সাথে গিয়ে খেতে কিন্তু শুধু শুধু কারো বা কথা শুনতে ইচ্ছে করে বলুন তাই একা একা খেয়ে নি তাই পরের দিন সকালে আবার—-

ঘুম থেকে উঠে পায়েল আর আমি ওই প্রজেক্টটা কমপ্লিট করার জন্য লেগে থাকি যদিও সবটাই আমি করি শুধু আমায় ডাইরেকশন করে যাচ্ছিল কাজ করতে করতে কোথায় একটা জানিয়ে চলে যাই আমি আড়চোখে ওকে খুজতে লাগলাম খেয়াল করি একটা স্মার্ট অ্যমেরিকান ছেলের সাথে হেসে হেসে কথা বলছিল যেটা দেখে আমার জেলাস ফিল হচ্ছিল তবুও নিজেকে কন্ট্রোল করি । মনে হচ্ছিলো ছেলেটাকে গিয়ে আস্তে করে একটা রাম ধোলাই দিয় ।

এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস গল্পের লিংক


দাঁড়াও আমিও তোমাকে জেলাস ফিল কর আছে বলেই দেখি আমার প্রাইস দে একটা মেয়ে যাচ্ছিল মেয়েটা আমাদের সাথে কাজ করছিল তাই কিছু না ভেবে মেয়েটাকে ল্যান্ড মেরে ফেলে আবার নিজেই ধরেই নিয় এই মেয়েটা পড়ে যেতে লাগল চিৎকার দিয়ে উঠে আর তখনি পায়েল আমার দিকে তাকায় ।

আমিও তো সেই দিন পড়ে যাচ্ছিলাম কই আমারে তো ধরলে না আর এই অচেনা মেয়ে পড়ে যাচ্ছিল পড়তে দেরি তোমার ধরতে দিনে ওয়াও আকাশ মেয়েটা পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচিয়ে বলে । মেয়েটা আকাশের গালে কিস করে চলে যায় মেয়েটা এখানে কাজ করতে এসেছে নাকি নোংরামি করতে এসেছে আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।


এইতো হল ইট কা জবাব পাটকেল সে এখনো সমান সমান তুমি আমায় যতটুকু কষ্ট দেবে তার থেকে দ্বিগুন কষ্ট আমি তোমায় দেব আমাদের প্রজেক্টটা কমপ্লিট হয়ে যায় এন্ড কাল আমরা বাড়ি ফিরে যাব তাই পায়েল আমি দুজনেই হোটেলে চলে আসি অনেকটা রাত হয়ে যায় তখন । ( এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস গল্পের লিংক )

আর হয়তো একদিন ওকে অজুহাত আমার কাছে রাখতে পারব কিন্তু তারপর ওর পথে আর আমি আমার পথে আর বসে থাকতে না বেরিয়ে ওর রুমে ঢুকে বললাম এই দৃশ্য দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না । আকাশের উপর একটা মেয়ে শুয়ে আছে আমি এগিয়ে গিয়ে মেয়েটার গায়ের উপর থেকে সরিয়ে নিয়েছি আমি ভেবেছিলাম তুমি বদলে গেছো কিন্তু এতটা বদলে গেছো আমি বুঝতে পারিনি সরি আমারই ভুল হয়েছে ।


পায়েল দুচোখ দিয়ে জল পড়ে কাঁদছিল আর আবেগের বশে আমায় মারছিল যদিও মারগুলি আমায় লাগছিল না তবে এতটুকু বুঝে গিয়েছে যে পায়েল এখনো আমায় ভালোবাসে আর নয় তো এভাবে রিএক্ট করত না নয়তো আর ওকে কষ্ট দেব না পায়েল তুমি আমার কথা বোঝার চেষ্টা করো আমি তোমাকে দেখানোর জন্য এই কাজটা করেছিলাম । আমার কথাগুলো শুনে পায়েল একেবারে চুপ হয়ে যায় ।

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী, রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প, ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প , স্বামী স্ত্রীর রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, বউ এর সাথে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, বাংলা রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প, ভালবাসার রোমান্টিক গল্প, রোমান্টিক প্রেমের ছোট গল্প, রোমান্টিক গল্প ভালোবাসার গল্প,
রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


তুমি জানলে কিভাবে যে আমি তোমার রুমে আসবো এটা নয় বাদ দাও ফ্ল্যাটে ঐ মেয়েটার সাথে তুমি নোংরামি করছিলে ?
কারণ তোমার হাত আমায় আটকে রাখার জন্য আর একটা দিন ছিল তাই জানতাম তুমি আজ আসবে আমার কাছে আর ফ্ল্যাটের কথা বলছে সবকিছু তোমাকে দেখানোর জন্য তখন পায়েল কুত্তা বলে আমায় জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে ।
তোর যদি এতটাই সব তাহলে আমার সাথে কর অন্য মেয়েদের ইউজ করছিস কেন কুত্তা। ( এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস গল্পের লিংক )


তুমি আমাকে করতে দিলেই বা কই বলতেই পায়েল আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে ওর ঠোঁট দিয়ে আমার ঠোট দুটোকে ওর করেনেই এই পায়েল এখনই যদি সব করে নাও তাহলে বাসর রাতে কি করবে পাগলী আমার ।
তোকে আমার আর বিশ্বাস নাই যা করার আজকেই করবো আবার কোন মেয়ের কাছে চলে যাস কে জানে ?

তো বন্ধুরা এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022 টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের বাস্তব এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস নাটক বাংলা গল্পের লিংক টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প পড়তে চাই পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

3 thoughts on “এক্স গার্লফ্রেন্ড যখন বস ভালোবাসার গল্প কাহিনী 2022”

Leave a Comment