মধ্যবিত্ত ছেলের ভালোবাসা – খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প 2022

Share this post

মধ্যবিত্ত ছেলের ভালোবাসা – খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প তো বন্ধুরা শেষ পর্যন্ত গল্প টি পড়লে আপনার চোখ দিয়ে জল পড়তে পারে । এটি একটি খুবি কষ্টের গল্প । তাই সবাই কে অনুরোধ করবো যে গল্প টি শেষ পর্যন্ত পরবেন ।

খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প

সাজিদ – রাস্তা দিয়ে যখন আমি হেটে যাচ্ছিলাম তখন আমার গার্লফ্রেন্ডের সায়রার বাবা হেঁটে এসেছে লুঙ্গি পড়ে আমার দিকে আমি চোখেও না দেখার মতো করে হেঁটে যেতে লাগলাম ঠিক তখনই সায়রার বাবা আমার হাতটা ধরে বলল ।

সায়রার বাবা :- এই তুমি সাজিদ না ।
সাজিদ :- আমি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলেছি আর তখনই উনি বলে ওঠেন।
সায়রার বাবা – তুমি নাকি আমার মেয়ে সায়রাকে ভালোবাসো এ কথা কি সত্য ।
সাজিদ – হ্যাঁ নাহ । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

সায়রার বাবা – ভালোবাসো কিনা সেটা বল আগে ।
সাজিদ – আমি চিন্তা করতে আরম্ভ করেছি যদি হ্যাঁ বলে তাহলে নির্ঘাত কপালে মার আছে তার চাইতে বলে দিই না তখনই উনি আবার বলল ।

কি হল বলো ?
সাজিদ – না আমি কোন সাইদা নামের কোন মেয়েকে চিনি না আর কোন মেয়েকে ভালোবাসি না তাছাড়া আপনি কে তখন শায়লার বাবা আমার হাতটা ছেড়ে উনার মোবাইলটা বের করে কাকে যেন ফোন করেছে । তখন আমি চলে আসতে চাইছি তখন উনি আমার হাতটা ধরে নেই আর ফোনে কথা বলছে ।


সাইরার বাবা :- হ্যালো সায়রা তুমি যে বলছো সাজিদকে ভালোবাসো কারসাজি তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু সাজিদ তোমাকে চেনে না ।
সাজিদ – তখনই আমি আংকেল কে বললাম আসলে আমি সায়রাকে ভালোবাসি কিন্তু আপনাকে ভয় বলতে পারছিনা তখন উনি ফোনটা কেটে আমাকে বলল ।

খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প
খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প


সাইরার বাবা :- দেখো বাবা সাজিদ আমি এইসব ভালোবাসা পছন্দ করিনা তা কিন্তু নয় । আমি সাঈদ আর মাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি কিন্তু বাবা সাজিদ আমার মেয়ে সায়রাকে যদি সত্যি ভালোবাসো তাহলে তোমার বাবা মাকে সহ তুমি আমাদের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসবে । আর যদি তুমি না পারো তাহলে তুমি আমার মেয়ের কাছ থেকে দূরে থাকবে কি বলছি তুমি বুঝতে পারছো তো ? ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

সাজিদ :- কিন্তু আঙ্কেল এখন তো আমাকে বিয়ে করতে দেবে না আমার তো পড়াশোনা এখনো শেষ হয়নি আর এখন বিয়ে করবো কিভাবে ?
সাইরার বাবা :- তোমার পড়াশোনা শেষ হতে কতদিন লাগবে ।
সাজিদ :-আরো দুই বছর আঙ্কেল ‌।
সাইরার বাবা :- এরপর চাকরি বা ব্যবসা করতে করতে কতদিন সময় লাগবে তোমার ?
সাজিদ :- এই কথা শোনার পর এবার আমি চুপচাপ কোন কথা বলছি না তখন উনি নিজেই বলল ।

সাইরার বাবা :-যদি তোমার ভাগ্য ভালো থাকে তাহলে আরো এক বছর খানেক ধরতে পারো তারপর তোমার বাবা-মা যদি বিয়ের জন্য রাজি হয় তারও আরো এক বছর চলে যাবে । অর্থাৎ তোমাকে কম করে হলেও 45 বছর পর তোমার মা-বাবা বিয়ের জন্য অনুমতি দেবে এতদিন আমার মেয়েকে কোন ভরসায় তোমার জন্য রাখবো বল ।

সাজিদ :- আঙ্কেল আমি বাবা-মাকে নিয়ে আসব আপনাদের বাড়িতে তবে এখন বিয়ে হবে না , বিয়ে হবে আমার চাকরি ছয় মাস পরে আপনাকে আমাকে একটা কথা দিতে হবে যে সায়রাকে আপনি আমার জন্য রাখবেন ।
সাইরার বাবা :- শোনো সাজিদ যদি তুমি তোমার বাবা মাকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসতে পারো তাহলে আমি আমার মেয়েকে তোমার জন্য সারা জীবন রাখবো কথা দিলাম । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

সাজিদ :- আগামীকাল বিকেলে নিয়ে যাবো আপনাদের বাড়িতে সায়রার বাবা হাসিমুখে চলে গেল আর আমিও অনেক বড় আশা নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হলাম বাড়ির দিকে যাচ্ছি ততই মনের মাঝে একটা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে যে । মাকে তো রাজি করানো যাবে কিন্তু বাবাকে কিভাবে রাজি করাবো চিন্তার শেষ না হতেই বাড়ির সামনে আসতে চেয়ে দেখি বড় আপু ও তার স্বামী ও ছেলেকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসেছে ।

আপু – কিরে সাজিদ কেমন আছিস ?
সাজিদ :- আলহামদুলিল্লাহ ভাল আপনারা সবাই কেমন আছেন ।
আপু :-ভালো আছি ।
সাজিদ :- আপুর সাথে কথা বলতে বলতে বাড়ির ভিতরে ঢুকলাম ।
আপুদের দেখে আম্মু খুশি হয়েছে কিন্তু বাবা খুশি মনে হচ্ছে না মনে হয় কারণটা হলো মাত্র মাসখানেক আগে আপুরা আমাদের এখান থেকে এক সপ্তাহ পেরোনোর পর শেষ করে গেছে । সবাই যার যার মতো করে বসে আছি তখন আপু বলল …


আপু :- বাবা-মা আসলে হয়েছে কি তোমাদের জামাইয়ের চাকরিটা হঠাৎ করে চলে গেছে আর ওর বাবা-মা আমাদেরকে ওনাদের বাড়িতে রাখতে চাইছে না । আমাদের রুমটা ভাড়া দিয়ে নাকি ওনারা কারেন্টের বিল পানির জল ও উনাদের হাতখরচ চালাবে । তাই কোনো উপায় না পেয়ে আমি ওদের নিয়ে চলে এসেছি সাজিদ বাবা ছোট্ট একটা হাসি দিয়ে বলল ।

সাজিদ বাবা :- যাক তাহলে ভালোই করেছিস আচ্ছা যা রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে হাত মুখ ধুয়ে আয় সবাই খেতে বসব ।
সাজিদ :- সবাই মিলে খাওয়া শেষ করে রুমে যাব তখনই বাবা বললেন ।

বাবা :- সাজিদ একটা কথা বলার ছিল কি করে যে কথাটা বলি ।
সাজিদ :- বাবা কি কথা বলবে বলো আমি শুনছি ।
সাজিদ বাবা :- সাজিদ সংসার খরচ বাড়ছে তাই বলে কি বাবা তুই পড়াশোনার পাশাপাশি একটা চাকরি খুঁজতে থাক আমার যা বেতন তা দিয়ে সংসার চালানো অনেক কষ্টের ।

সাজিদ :- ঠিক আছে বাবা আমি অনেক চেষ্টা করব এই বলে রুমে চলে গেলাম আজকের মত রাতটা পার করে সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখি সায়রার প্রায় 50 টার বেশি মিসকল উঠে আছে ।

যেই সায়রাকে ফোন করবে তখনই চেয়ে দেখি মোবাইলে ব্যালেন্স শেষ আমি ফ্রেশ হয়ে বাইরে যাব তখনই আমার মা বলে ।
সাজিদ মা :- সাজিদ বাবা শোন এদিকে ।
সাজিদ :- হ্যাঁ মা বল কি বলছ ।

সাজিদ :- বাবা ঘরে একটাও ডিম নেই ঘরে ডিম শেষ দোকান থেকে ডিম নিয়ে আয় কটা ।
সাজিদ :- হ্যাঁ যাচ্ছি মা চলে গেছে তখনই মানি ব্যাগটা হাতে নিয়ে দেখি মাত্র ৮০ টাকা আছে ঘরে মানুষের সংখ্যা সব মিলিয়ে আটজন । আমি একটা মুচকি হেসে বাইরে এসে যখনই দোকানে যাব তখনই চেয়ে দেখে সায়রা দাঁড়িয়ে আছে বাড়ির সামনে । সায়রা কে দেখে আমি কিছুটা বিব্রত হয়ে বললাম । আরে সাইরা তুমি এখানে কেন তখনই সাইরা আমার গলা টিপে ধরল ।

সায়রা :- ওই তোকে আমি খুন করে ফেলবো তুই সারারাত আমার ফোনটা কেন ধরেসনি বলতো আমি তোকে কতবার ফোন করেছি ।
সাজিদ :- আহা কি করছিস লোকজন দেখে ফেলবে লাগছে আমার সর্বনাশ হয়ে যাবে । আগে আমার গলাটা ছাড়ো সব বলছি তোমায় । এই বলামাত্রই সায়রা সায়রা আমার গলাটা ছেড়ে দিল । রাতে মোবাইলটা সাইলেন্ট মোড ছিল যার ফলে রিংটোন শুনতে পাইনি আর তোমার ফোনটা ধরতে পারিনি তুমি প্লিজ রাগ করোনা । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

সায়রা :-আজকের মত তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম আর যদি এমনটা করো তাহলে গলা টিপে মেরে ফেলবো আচ্ছা আজকে নাকি তুমি আর তোমার বাবা মা মিলে আমাদের বাড়িতে যাবে ।

সাজিদ :- হ্যাঁ তোমার বাবার সাথে এমন টাই আমি বলে এসেছি। আচ্ছা সেরা তুমি বাড়ি যাও আমি বিকেলে তোমাদের বাড়িতে আসতেছি । সায়রা কে বুঝিয়ে আমি তার বাড়িতে পাঠিয়ে দিলাম । আর আমি আটটা ডিম নিয়ে বাড়িতে গেলাম আমাকে কথা বলবো কি বলবো না ভাবছি তখনই বাবা এসে বলল ।

বাবা :- সাজিদ আমার অফিস থেকে ফোন এসেছে আর বলছে এখন থেকে সব কাজ কম্পিউটার দাড়া করানো হবে আর আমিতো কম্পিউটার চালাতে পারি না । তাই কোম্পানি থেকে বলেছে যারা কম্পিউটার না চালাতে পারে তাদের ছেলে বা মেয়ে যদি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে তাহলে তারা চাকরি করতে চাইলে তাদেরকে অগ্রধিকার দেওয়া হবে । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

আমি বলে কি তুই আমার সাথে আজকে আমার অফিসে যাবি ।
সাজিদ :- ঠিক আছে বলেই গিয়ে রেডি হয়ে বাবার সাথে বাবার অফিসে গেলাম বাবা তার বসের সাথে কথা বলে বাবার পরিবর্তে আমাকে ওনার চাকরিটা পাইয়া দিলেন ।
তবে আগে বাবাকে যে বেতন দিত এখন তার থেকে 2000 টাকা বেশি বেতন দিবে । আজকের মত আর তাদের বাড়ীতে যাওয়া হলো না সায়রা বারবার আমাকে ফোন করছে শেষমেষ বাধ্য হয়ে মোবাইল টাকে বন্ধ করে দিলাম ।

valobashar golpopremer choto golporomantic premer golpoBangla new golpopremer golpo banglaBangla golpo love storyBangla Golpo
সাজিদ বাবা :- দেখো বাবা তোমার উপর অনেক দায়িত্ব আমার চাকরিটা তোকে দিলাম আমি আশা করি তুই তোর ছোট ভাই বোনকে দেখবি ।
আর বড় বোনের স্বামীর চাকরি না হওয়া পর্যন্ত ওদের সব খরচ বহন করবে আর তোর ছোট বোনের বিয়ে দিয়ে তুই বিয়ে করবি আমাকে কথা দে ।

সাজিদ :- আমি বাবার দিকে তাকিয়ে থেকে একটা হাসি মুখে বললাম ঠিক আছে বাবা ।
বাবা আমি কথা দিলাম সব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করব বাবা এই কথা শুনে অনেক খুশি হয়েছে আর আমি আমার মোবাইলটা থেকে সায়রাকে একটা মেসেজ লিখে দে সায়রা সরি ক্ষমা করে দিও আমাকে । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

মেসেজটা করে আমার মোবাইলটা বন্ধ করে দিন সাজিদের সাথে সায়রার আর কোনদিন যোগাযোগ নেই এভাবে 1-2 মাস চলে গেছে হঠাৎ সাজিত জানতে পারে তার বিয়ে হয়ে গেছে ।

সরকারি চাকরিজীবী এক ছেলের সাথে সাজিদ একটা জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে নিজের মত করে জীবন কাটাতে থাকে দেখতে দেখতে বছর তিনেকের মাঝে সাজিদের পরিবারের অনেক পরিবর্তন এসেছে ।

সাজিদের বড় বোনের স্বামী চাকরি পেয়েছে ওরা চলে গেছে ছোট বোনের বিয়ে ঠিক হয়েছে । সাজিদ কিছুটা অফিস থেকে লোন নিয়ে ওর ছোট বোনের বিয়ে দিয়ে দেয় এভাবে আরো দু’বছর চলে গেছে ।
এখন সাজিদের বাবা-মা সাজিদ কে বিয়ে করাতে রাজি হয়েছে ঘটক কে বলে দিয়েছে সাজিদ জন্য মেয়ে দেখতে । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

মাস দুয়েকের মধ্যে সাজিদের বিয়েটা হয়ে যায় বউটার বয়সীদের থেকে মিনিমাম 5 বছরের ছোট । বিয়ের চার দিন পর শ্বশুর বাড়ি থেকে বউকে নিয়ে নিজের বাড়িতে ফিরছে তখনই ।

তখনই খেয়াল করে ছাইরা দাঁড়িয়ে আছে বলে একটা বছর তিনেকের বাচ্চা আছে আর সাথে একটা ছেলে মনে হয় ওর হাজবেন্ড। সাজিদ দেখেও না দেখার মত চলে যাচ্ছিল তখন সায়রা ডাক দিল ।
সায়রা :- আরে সাজেদ ।

এটা শুনে সাজেদ দাঁড়িয়ে গেছে সাথে ওর স্ত্রী ও দাঁড়িয়ে গেছে ।
সাজিদ বউ :- আপনি সাইলা আপু তাই না আপনার কথা আমাকে উনি বলেছেন ।
সাজিদ :- সাজিদ নিলু কে প্রথম দিনেই সব বলে দিয়েছে সেটার ব্যাপারে আর সে তার ছবিও দেখিয়েছি যার কারণে নিলু দেখেই তাকে চিনতে পেরেছে । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

সায়রা :- হ্যাঁ আমি সায়রা ।
তখন সায়রা তার স্বামীকে দেখিয়ে বলে এটা আমার হাজব্যান্ড আর এটা আমার ছেলে সোহান ।
তখন নিলু সোহানকে কোলে নিয়েছে আর আমি সাঈদ আর স্বামীর সাথে হ্যান্ডশেক করেছি মিলু ছেলেটার সাথে দুষ্টুমিতে মেতে উঠেছে । তখনি সায়রা বলল ।

সায়রা :- আচ্ছা আমরা এখন যাই ।
সাজিদ :- ঠিক আছে সায়রা এই বলে চলে গেল । তবে সায়রার মনে একটা প্রশ্ন ঠিকই আছে কেন আমি হঠাৎ করে ওর জীবন থেকে হারিয়ে গেলাম ।
যদি কখনো সে আমাকে একা পাই তাহলে হয়তো অবশ্যই এর উত্তর জানতে চাইবে আর সেই উত্তরটা আমার কাছে খুব সহজেই আছে । সেটা হল দায়িত্বের কাছে ভালোবাসা একটা অসহায় ।

আর তাছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়েদের প্রেম ভালোবাসা করতে নেই। আর যারা করে তাদের জীবনের সবথেকে বড় ভুল গুলির মাঝে প্রথম ভুল হলো কারো প্রেমে পড়া ও ভালোবাসা । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

হঠাৎ করে নিল আমাকে স্পর্শ করে তখনই বাস্তবে ফিরে আর তখনই নিলু আমাকে বলল ।
সাজিদ বউ :- এই তুমি কোথায় হারিয়ে ?
সাজিদ :- হ্যাঁ বল কোথাও না ?
সাজিদ বউ :- আচ্ছা আমি কি কোনদিন সায়রা আপুর জায়গা নিতে পারবো ।
তখনি সাজিদ মুচকি হেসে বলল ।

সাজিদ :- শোনো সায়রার জায়গা যেটা ছিল সেটা অতিথি হিসাবে থাকবে তবে তোমার জায়গা সেটা শাহেদা কেন কেউ কখনো নিতে পারবে না । তুমি বর্তমান ভবিষ্যৎ ও সামনের দিনের সঙ্গী তুমি কখনো অতীত হবে না ।

সারা জীবন আমার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হয়ে রয়ে যাবে আমার সব হৃদয় জুড়ে তখন এই নীলু আমার বা হাতটা জড়িয়ে ধরে আর বলে ।
সাজিদ বউ :- আমি আমার সবকিছু উত্তর পেয়ে গেছি এভাবে সারা জীবন আপনার পাশে হাটতে চাই । ( খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প )

সাজিদ :- আমিও চাই তুমি এভাবে থাকো আমার স্ত্রী আজ অনেক খুশি হয়েছে আর আমিও তবে সাইদা সংসার দেখে মনে আরো আর একটু বেশি সুখী হলাম ।

ভালো থাকুক সকল ভালোবাসার মানুষগুলো যেখানে থাকুক সেখানেই সুখে থাকুক । একটা ছোট্ট কথা কষ্টের পরে সুখ আসে তবে কষ্টের সময় টা মনের মাঝে যে একটা দাগ কেটে যায় তা হাজার সুখের মাঝে কোন দিন কখনো মুছে যায়না ।

তাই বন্ধুরা খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প টি এখানে গল্পটি শেষ করলাম । পরবর্তী গল্পগুলি পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফলো করুন আর নিচে কমেন্ট করে জানাবেন আমাদের আজকের এই গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে ।


Share this post

2 thoughts on “মধ্যবিত্ত ছেলের ভালোবাসা – খুব কষ্টের ভালোবাসার গল্প 2022”

  1. আসসালামু আলাইকুম,
    আমি কি এই গল্পটা আমার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ব্যবহার করতে পারবো।

    Reply

Leave a Comment

x