Majorer Meye Jokhon Bou – Bangla Golpo 2022 । মেজরের মেয়ে যখন বউ

হ্যালো বন্ধুরা আজকের গল্পটি হচ্ছে (Majorer Meye Jokhon Bou) । মেজরের মেয়ে যখন বউ আশাকরি গল্পটি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে । তাই বোলবো গল্পটা শেষ পর্যন্ত পড়বেন আর নিচে কমেন্ট করে জানাবেন । আজকের গল্পটা কেমন হয়েছে ।

Majorer Meye Jokhon Bou

আজ রাত প্রায় অনেকটা গভীর চারিদিকে কোন কিছু দেওয়ার দেখা যাচ্ছে না শীতের ঘন কুয়াশায় এই আবহাওয়ায় খেজুরের রস খাওয়ার উপযুক্ত একটা সময় ক্ষেতের মাছ দিয়ে হাতে ছোট আকারের একটা টর্চ লাইট নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আপনারা কি ভাবছেন আমি কি চোর আরে না না ।

আমি হলাম রাসেল আহমেদ আমাকে আপনারা চেনেন আসলে নিজের গাছ আছে কিন্তু অন্যের গাছের চুরি করে খাওয়াটা মজাই আলাদা আবার তারপরও এত রাতে চুপিসারে অনেক রোমাঞ্চকর বলতেই পারেন তো আমি কিছুটা দূরে এগিয়ে যাওয়ার পরে লক্ষ্য করলাম । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )

বাড়ির পাশ থেকে দু তিনটে লোক আসছে ওই দিকে আমি মান-সম্মানের দায়ে গাছের বিচি লুকালাম আসলে অন্ধকার তো অনেকেও তারপরে কুয়াশা তাই আমাকে অনেকে দেখতে পাবে না তাই আমি এখানে লুকিয়ে পড়লাম ।

Majorer Meye Jokhon Bou, মেজরের মেয়ে যখন বউ , Bangla golpo
Majorer Meye Jokhon Bou

আমার কাছাকাছি আসতে বুঝতে পারলাম ওরা আমার বন্ধু রাজু রফিক আর ইসমাইল ওদের দেখে আমি বেরিয়ে এলাম চারজন লোক চাদর মুড়ি দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে খেজুরের রস চুরি করতে কেউ দেখলে ডাকাত ভেবে পেটাবে হ্যাঁ তবুও আমরা অনেক এক্সাইটিং লাগছে ব্যাপারটা অনেক দূর এগিয়েছে কিন্তু ভালো কোন গাছ পাচ্ছিনা।

তাই সিদ্ধান্ত নিলাম বাসস্ট্যান্ডের কাছে রহিম চাচার বাড়িতে আজকে হানা দেব আজকে খেজুরের রস ডাকাতি হবে । এভাবেই নিজের ভেতরে একটা ডাকাত ডাকাত আসতে লাগল আমি একা একাই আসতে লাগলাম । বন্ধুরা আমাকে দেখে কিছু দূরে সরে গেল । ভাবলাম ভুতে ধরেছে । আমি ওদের অভয় দিলাম ।

বাস স্ট্যান্ড যাত্রী ছাউনি পিছনে সারিবদ্ধ ভাবে কাজ গুলোকে দেখতে খুব মজা লাগছে বন্ধুরা গাছে উঠে রসের সাথে আনা 5 লিটারের বোতল গুদে ঢুকাচ্ছে রাজা যাত্রী ছাউনির পিলারের সাথে হেলান দিয়ে অন হয়ে গেল ওদের কাজ শেষ এবার বাড়ি যাবো কিন্তু তক্ষুনি কারো একটা কান্নার শব্দ পেলাম মনে হলো । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )

একটা মেয়ের কান্না এটা শুনে আমরা চারজনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেল । রাফিক বলছে যে ভাই আমি বাড়ি যাব আম্মুর কথা খুব মনে পড়ছে। ইসমাইল প্যান্টে মুতে দিবে দিবে ভাব ওর চেহারা অবিভক্ত আপনাদের বলে বোঝাতে পারবো না কি হয়েছে ।

ঋজু সাহস করে বলল যে এত রাতে মেয়েদের কান্না তাও আবার এখানে এত রাতে এটা ব্যাপারটা কি তখন ইসমাইল কোন কথা না বলে চেচিয়ে উঠল অনেক জোরে ভুত ভুত ভুত ওকে আমরা তিনজনে গামছা দিয়ে বেঁধে ফেললাম হঠাত বলল চল দেখি তো যাত্রী ছাউনিতে কেউ আছে কিনা আমিও ভাবলাম যে অবস্থা ঐদিক থেকে আসছে যাত্রী ছাউনিতে পিছন দিয়ে উকি দিলাম ।

দেখলাম একটা মেয়ে বসে আছে আর কান্না করছে ‌ আমার মনে আবার একটু ভয় ঢুকল ব্যাপারটাকে কে এ মেয়েটা ? আর এত রাতে এই শুনছেন জায়গায় একা কি করছে আর সেবা কাঁদছে কেন ? ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )

হ্যালো এই যে মেয়েটা আপনি এখানে বসে একা একা কান্না করছেন কেন ?
কে কে এই কে কে আপনি দেখুন আমার কাছে আসবেন না আমি জানি আপনি খুব খারাপ কোন উদ্দেশ্য নেই আমার কাছে এসেছেন ?আর সাথে এরা কারা আর এই ছেলেটাকে বেঁধে রেখেছেন কেন আপনারা ডাকাত নয়তো ‌‌। এহে এহে না আমাকে মারবেন না প্লিজ ?

থামেন আপনি অনেক কথা বলছেন এত কথা বলেন কেন?
বলছিলাম না আপনারা ডাকাত এই জন্য আমাকে এভাবে ধমকাচ্ছেন আমি কান্না করব হে হে হে হে ?

রহিম আ রফিক ইসমাইলের মুখের বাধন খুলে দিল ইসমাইল বলল আপু আমরা ডাকাত তবে এই ডাকাত না আমরা খেজুরের রস চুরি করতে এসেছি এই যে দেখুন বোতলে ? ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


এর মানে এত রাতে আপনারা চোরের মত করে খেজুরের রস চুরি করতে এসেছেন ?
এত প্রশ্ন করেন কেন আমাদের কাছে তো তাও যথাযথ কারণ আছে আমরা চুরি করতে এসেছি বাট আপনি এখানে কি করছেন এখানে তাও আবার এত রাতে একা ?

মেজরের মেয়ে যখন বউ


আমি বাসা থেকে পালিয়ে এসেছি পালিয়ে যেত করে বাসে উঠে পড়ে । বাট বাসে উঠতে আমার প্রচুর ঘুম পায় । ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসায় কেউ নাই । আমি একা তখন এখানে নেমে পড়ি আর এখানে এভাবেই বসে আছি ।
এই মেয়ের কথা শুনে ইসমাইলের মুখে হাসি ফুটল আর দেওয়াল পেটাতে পেটাতে হাসতে লাগল ।


এই উনি হাসছেন কেন এভাবে আমি কি কোন জোকস বলেছি কি ?
না না আপনি কৌতুক করেছেন এবার বাংলাদেশের হয়ে ঘুম প্রতিযোগিতা অলিম্পিক পাঠানো হবে আপনাকে ।


আপনাদেরকে তো দেখে খারাপ মনে হচ্ছে না আমাকে একটু হেল্প করবেন আমাকে আমার বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন ।
আপনাকে বাড়িতে পাঠানোর ম্যাটার না মেয়েটার হচ্ছে যে এই গ্রামে বাস আছে কেবল মাসে তিন থেকে চারবার পরবর্তী বাস এক সপ্তাহ পর আসবে আর বাইক বাড়িতে যাওয়ার মতো রাস্তা না তো বুঝতেই পারছেন । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


তাহলে কি আমি কি এখানে এক সপ্তাহ বসে থাকব নাকি এক সপ্তাহ পরে আমি যাব না এখান থেকে লাশ হয়ে যাবে আমার ?
আপনি যখন এই গ্রামে এসেছেন তখন আপনি আমাদের অতিথি চলুন আমাদের সাথে টেনশন করবেনা আপনার কোন ক্ষতি করব না আপনার ? সহি সালামতে বাড়ি পৌঁছে দেব ?


সত্যি আমাকে কি বাড়ি পৌঁছে দেবেন ?
মেয়েটা এ কথা জিজ্ঞেস করতে রফিক রহিম আর ইসমাইল মাথা দোলালো আপনি এই পাতলা বিমার পড়ে এখানে বসে আছেন কষ্ট হচ্ছে তো এই নিন এটা জড়িয়ে নিন গায়ে আরাম লাগবে এই বলে আমি আমার চাদরটা ওনাকে এগিয়ে দিলাম ।


থ্যাংকস আপনার অনেক ভালো আমি আব্বুকে বলে আপনাদেরকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে যাব ।
যা হবার হয়েছে রাত অনেক হয়েছে এবার চলুন বাড়িতে না হয় এখানে বেঁধে রাখবে রস চোর বলে । তো মেয়েটার নাম হল নিশা। নিশাকে নিয়ে বাড়িতে ফিরলাম নিশা একবারে বাচ্চাদের মত চেহারা বলতে গেলে কিউট বাট আমার ভাগ্য এমন কিউট মেয়ে নেই সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথায় যেন বাজ পড়লো । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )

কারণ নিশা বাড়িতে নিয়ে এসেছি । বাট বাবা মা দাদা দিদি কে কি বলবো আর গ্রামের লোকেরা কিভাবে মেয়েটা যে খাটে ঘুমিয়ে আছে আর আমি আর রাজু সাথে তাড়াতাড়ি বাড়ি গেলাম । দেখি আমার মা নিশার মাথায় তেল দিচ্ছে এটা দেখে যেন বুকে হাত দিয়ে টিনের বাড়ার সাথে ঘষতে লাগলাম ।

তখন মা বলল এই তো নবাব বাহাদুর সাহেব এসেছেন এতক্ষণে আসার সময় হল ভালোই উন্নতি হয়েছে আপনার ?

আম্মু তুমি কার মাথায় তেল দিয়ে দিচ্ছো ?
কে কেন তোর বউও আর আমার বউ মার মাথায় ?
এটা শুনে মুখ দিয়ে আমার আত্মা বের হয়ে আসতে চাইল তোমাকে কে বলেছে যে উনি আমার বউ ?
আমি বলেছি কেন কোন সমস্যা নাকি আপনার আমাকে কি আপনি মারবেন ?

মনে চাচ্ছিলো মেয়েটাকে কাঁদার ভিতর ফেলে কতক্ষণ ল্যাপ তোশক লাঠি দিয়ে পেটাতে । কি বলে অনেকেই আমার বউ ।
দেখেছেন আম্মু বললাম না আপনার ছেলে আমাকে অনেক ভালোবাসে কিছু বলবেনা । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


আমি নিশাকে টান দিয়ে একটা সাইডে নিয়ে গেলাম ।
কি হলো আপনি আমাকে এভাবে উঠিয়ে দিয়ে আসলেন কেন ? কেন ভালোই তো লাগছিল ?

আরোও পড়ুন – Romantic Love Story


আম্মু কে আপনি এগুলো বলতে গেলাম কেন আম্মু কি ভাবছে হায় আল্লাহ ?
কি আর ভাববে বল যা ভাবার তাই ভাববে । আমি আপনার বউ ।
সাবউ শব্দটা ছোট হলেও এর মানে জানেন ? তো এটা কোন কৌতুক না ।
এভাবে বকছেন কেন আপনার বউ হলে কেউ মারবে নাকি আমায় ।


এতটা বলদ কিছু বোঝেন না এটা শহর না এটা গ্রাম । যে যা খুশি মনে আসবে সেটা বলে দেবেন এখানে আপনি যে বলছেন আপনি আমার বউ । এটা সাড়া গ্রাম জেনে গেছে । এখন এক সপ্তাহ বাদেই যখন আপনি চলে যাবেন । তখন আমাকে কচুর গাছে ফাঁসি দিতে হবে । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


হ্যাঁ relax কিছু হবে না এত চাপ নেবেন না all is well .
থাক আপনাকে আর কিছু বলে লাভ নেই এসব কথা বাদ দেন চলেন যা হবে পরে দেখা যাবে ।


এত তুই এখানে দাঁড়িয়ে আমার বৌমার সাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি ফুসুর ফুসুর করছিস রে । বৌমাকে এদিকে পাঠা অনেক লোক এসেছে আমার লক্ষী বউ মাকে একবার দেখতে ।
ও পাঠাচ্ছি দেখে নিস সবাই ইচ্ছেমতো ।


আম্মু আসছি আমি এই আপনি আসেন আমার ভয় করে যে ।
ভয় করে হাহাহা এতক্ষণ এত গোলমাল আর ভালো আর এখন বলছে ভয় পাচ্ছে ।


তখন মা সবার সামনে নিয়ে গেল আর বলল এই যে দেখো আমার বৌমাকে কি সুন্দর নতুন মিষ্টি বউ আমার । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


এভাবে দেখতে দেখতে সন্ধ্যা বেলা হয়ে গেল আমার সব বন্ধু এসেছে আমার বাড়িতে গিলছে আমি মা আম্মু খাওয়াচ্ছে সবাইকে নিশাতো মহারাণী চন্দ্রাবতী হয়ে গেছে দেখা মেলা মুশকিল আম্মুর চোখের মণি হয়ে গেছে । কিছুক্ষণ আগে মার্কেট থেকে কুড়ি হাজার টাকা জামা-কাপড় কিনে এনেছে । ওর জন্য আমার আব্বুর টাকায় ছিনিমিনি খেলছে এই বড়লোক ।

এই যে আপনি কোথায় ছিলেন মো বলল যে আপনাকে আমার সাথে ঘুমাতে কিন্তু ।
থাক আর আপনাকে মূল্যবান ব্রেনে চাপ দিতে হবেনা আমি নিচে যাব ।
আপনি নিচে শুতে যাবেন কেন আমি নিচে চাই আপনি উপরে শুয়ে পড়ুন ।
আমি একজন পুরুষ মানুষ হয়ে একজন নারীকে নিচে শুতে বলবো এতটা অমানুষ আমি নই ।


হয়েছে হয়েছে এখানে মাইক নে না হলে আপনার কোন গুনোগান করতাম আপনার হাট অনেক বড় আর কোলবালিশ তো আছেই আপনি এক সাইডে শুয়ে পড়ুন ।

ষ আমি আ আপনার সাথে তো এবার একই বিছানায় ।
হুম ও তো কি হয়েছে আপনি তো আর পিচাশ না ।
আপনার কি ভয় লাগে না যে আমি রাতে কিছু করে ফেলব ।
আপনার যদি কিছু করার হলে আপনি আগে করতে পারতেন এখানে সুযোগের অপেক্ষা করতেন না । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


আচ্ছা সরি হার মানলাম ! আপনার কাছে এখন ঘুমান দরজা খোলা রেখে আমি পরে আসবো ।
এত রাতে আবার কোথায় যাবেন আবার কি করতে ?

কিছু নাই যখন সময় হবে জানতে পারবেন ওকে নিশাকে বুঝিয়ে বের হলাম একটা বিশেষ কাজে । চারজনে মিশে পাক্কা তিন ঘণ্টা ধরে পরিশ্রম করলাম । এবার আমার কাজ শেষ নিশাকে ডাক দিলাম । বাড়িতে গিয়ে নিশা ঘুমের ঘরে কথা বলতে পারছে না ।

Bangla Golpo Love Story

bangla golpo love story, romantic love story bangla, bangla golpo love story, romantic story bangla, short love story bangla, sad bangla story, love story golpo bangla, romantic story in bangla, prem story bangla, story bangla love, romantic love story golpo, real love story bangla, bangla romantic short story, love story golpo romantic, love golpo bangla,
Bangla Golpo Love Story


এই যে আপনার কি হয়েছে এত রাতে বিরক্ত করছেন কেন ঘুমাতে দেন না প্লিজ ।
ঘুমালে আমাদের সব পরিশ্রম মাটিতে মিশে যাবে নিশাকে জোর করে উঠলাম বাগানে নিয়ে গেলাম চারদিকে ছোট ছোট মোম জ্বালছে ওর চোখে বেঁধে দিলাম ।


এই কোকো কোথায় নিয়ে যাচ্ছে না আমাকে ?
আমাকে বিশ্বাস করুন তো তাহলে ভয় পাচ্ছেন কেন ?
ভয় পাচ্ছি তো বাট আপনাকে না অন্ধকারকে আমার ভয় লাগে ।
নিশার চোখের বাঁধন খুলে দিলাম । নিশা ওয়াহ বলে চেঁচিয়ে উঠলো । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


ওয়াও এত খাবার কার জন্য এই কাবাব, স্টেক্স আর বার্থডে কেক কার আর এই জায়গাটায় মন দিয়ে এত সুন্দর করে সাজাচ্ছেন কেন ?
সাজিয়েছি কারণ আজকে আমার এক ফ্রেন্ডের বার্থডে ।
বার্থডে বয় কার বার্থডে আর আমাকে আগে বলেননি কেন রেডি হয়ে আসতাম ।


আজকে নিশার বার্থডে আর নিশার জন্য এইসব করা ।
ওহ নিশার বার্থডে তো নিশা কোথায় ওকে তো উইশ করতে হবে তো । কিহহহ !! নিশা মানে আমি আমার বার্থডে এইসব আমার জন্য ।
নিশার চোখে পানি চলে এসেছে ইন্সাস খেতে দেবে এমন একটা ভাব চলে এসেছে তার মুখে।


আমার জন্মদিনে কেউ এভাবে আমাকে উইশ করেনি আমি অনেক হ্যাপি আজকে ।
আরে পাগলি কাঁদছেন কেন ? আর থ্যাঙ্ক আমাকে বলতে হবে না ওরা তিনজনেই সমান মেহনত করেছে ।


থ্যাংক ইউ ভাইয়া দাও আমার বার্থডে টা কে স্পেশাল করার জন্য ।দেখতে দেখতে 6 দিন পরে ….
তখন মাকে সব কথা বললাম যে নিশা চলে যাবে ।
নিশা চলে যাবে মানে !মানে কি বলছিস তুই ?
আসলে আম্মু আমি ওনার ওয়াইফ আমাকে উনি আশ্রয় দিয়েছেন । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


হ্যাঁ আম্মু এনাকে আমি এনেছি আর আজকে চলে যাবে উনি।
না না এটা কিভাবে সম্ভব মজা করছিস আমার সাথে তাই না তোরা ।
আম্মু ও ওর আব্বুর সাথে রাগ করে চলে এসেছে এখানে আর সে চলে যেতে চেয়েছিল ।

বাট এখানে তো বাস কতদিন চলে তা জানো তুমি আমাদের কথা পাশের বাড়ির কুটনি আন্টিরা সব শুনে ফেলল আর মুরুব্বিদের খবর দিল মুরুব্বীরা চলে এল আর আম্মু আব্বুকে নানান কথা শুনতে লাগল যে ছেলে মেয়ে এনে বাড়িতে ফুর্তি করে ।

অনেক কিছু আমি নিজেকে এসব বুঝিয়ে দিলাম না নিশাকে আমার ফোনটা দিয়ে রফিক রহিম ও ইসমাইলের সাথে বাসায় উঠার জন্য পাঠিয়ে দিলাম । আমাকে মুরুব্বীরা মারধর করবে এমন পর্যায়ে চলে এসেছে সবটা ।

দেখেন আমার ছেলের গায়ে হাত দেবেন না ও কি করেছে হ্যাঁ ওই মেয়ে আমাদের বাড়িতে ছিলো কিন্তু ওর সাথে আমার ছেলের অন্য কোন সম্পর্ক ছিল না আর আমার ছেলে কেমন সেটা তো আপনারা সবাই জানেন ‍? ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )

আম্মু উনাদের এইসব বলে লাভ হবেনা ওনারা যা বলছেন তাই করছেন ।
ওই মেয়েকে আপনারা এখন কোথায় পাবেন ওকে তো পাঠিয়ে দিয়েছি ।
আম্মু ওকে কি বললে তুমি এখন যদি ওনারা ওই মেয়েকে অপমান করে ।


তুই এত ভালো কেন রে একজনকে আশ্রয় দিলি অতিথি তা করলি এখন সে চলে যাচ্ছে তাকে আড়াল করার জন্য নিজের ঘাড়ে দোষ দিচ্ছিস কেন তুই ?
মুরব্বিরা আমাকে মাথা টাক করে দিয়ে মুখে কালি মেখে সারা গ্রাম ঘোরানো বলে যে নাপিত আমার চুল কাটতে আসলো । তখন হেলিকপ্টারে আওয়াজ বাড়ি কাঁপতে লাগল ‌ তখন নিশাকে দেখলাম রহিম রফিক ইসমাইল কে নিয়ে আমাদের বাড়িতে ঢুকেছে ।


তখন নিশা বললো আমি যখনই বাসে উঠে বসতে যাব তখনই দেখলাম রহিম আর রফিক ভাইয়া ধরে ধরে বাড়ির দিকে যাচ্ছে বুঝতে পারলাম ওনারা কিছু একটা বিপদে হতে চলেছে । তখনই আমি বাস থেকে নেমে আব্বুর নাম্বারে একটা কল দিলাম । তখন আমি আমার আব্বুকে সব খুলে বললাম । আব্বু বললো যে সেখানে আসছে । আসলে আমার আব্বুর হচ্ছে আম্মির মেজর ‌ । আব্বু কিছুক্ষণের ভেতরে এখানে চলে আসবে ।


নিশা আপনি কেন এখানে আবার আস্তে গেলেন উনার আপনাকে বিপদে ফেলবে ।
এত ভালো কেন আপনি আমার জন্য এত কিছু করলেন অ্যা আমি আপনার জন্য কিছুই করবো না । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )

এইযে ভিসা এই হেলিকপ্টার টা কিসের আর এখানেই বা কি করছে ?
আমার আব্বু এসেছে আপনাকে বাঁচাতে দেখি এবার কারা কি বলে ?
নিশার আব্বু প্রবেশ করলো গেট দিয়ে সাথে সাথে 3-4 জন অস্ত্রধারী সৈনিক । এর মানে নিশা সাধারণ কেউ না । আব্বুকে দেখে আর অস্ত্র দেখে লুঙ্গি ছেড়ে পালাতে লাগল ।


কি কেমন দিলাম এবার দেখি কেউ আপনার গায়ে একটা টোকা দিক । আব্বু এই এসেছে সাব্বির তোমার মেয়ের জামাই ।

মেয়ের জামাই মানে তুমি কি ওকে বিয়ে করেনি তাহলে ।
বিয়ে হয়নি তো কি হয়েছে হবে এটা আর এমন কি ? আর এমন সোনার টুকরো ছেলে আমি সারাদেশে পাব কিনা সন্দেহ আব্বু আমার কথা তোমাকে রাখতে হবে ।


এই শোনার পর নিশার আব্বু একটা হাসি দিয়ে নিজের মাথায় হাত বুলিয়ে হ্যা সূচক মাথা দোলালো । আব্বু আম্মু আমার আব্বু আম্মুর সাথে কথা বলে বিয়ে পাকা করল নিশার আব্বুর কথা হচ্ছে ওনার মেয়ে সুখেই উনার সুখ ।
এই করার পর সেই দিন রাতে । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


আমার উপর রাগ করেননি তো আপনি আপনি কথা বলছেন না কেন ?
না না রাগ করিনি বাট অবাক হচ্ছে । আমার ভিতর এমন কি দেখলেন আপনি আমার থেকে তো আরো অনেক স্মার্ট আরো ধনী ছেলে পেতে পারতেন আপনি ?


দেখো আমি টাকাপয়সা 22 মার্চ আয়না আর আপনি কি স্মার্ট কম কয়? আমি তো জাস্ট একটা ভালো মানুষ চেয়েছিলাম আর পেয়েও গেছি ।
তো বিয়ে তো কালকে তো বিয়ে মেজরের মেয়ে বিয়ে করে আমার বউ হবে কালকে ।


হুম হবে মেজরের মেয়ে কি ভালবাসতে পারে না নাকি ?
অবশ্যই পারে এমন তো সবার মৌলিক অধিকার ।
এই যে আপনি এত দিছেন কেন একটা আবার ভাল করে হাতাও ধরেননি এতদিন আমার । ( মেজরের মেয়ে যখন বউ )


দেখো আসলে আমার সাহস হয়নি আর আমি এই চিন্তা মাথায় আনিনি কখনো ।
জানেন কবে আপনার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম যেদিন আপনি নিজের চাদর আমাকে পড়ানোর জন্য দিয়েছিলেন ।

আরো নতুন নতুন গল্প পড়ুন – Click here


খালি চাদর পেয়েই এত সন্তুষ্ট আপনি তাহলে এবার একটু ভালোবাসা দেই তখন খুশিতে আত্মহারা হবেন না হয় ।
এই ওই সুড়সুড়ি দিয়েন না।
এটা সুড়সুড়ি নয় থাক আর বলবো না আপনাদের কে আজকের মত এখানেই এ গল্পটি শেষ করা হলো ।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment