best cute bangla romantic premer golpo 2021

romantic premer golpo

Hallo friend ajker alochonar bisoy hochhe best cute romantic premer golpo 2021 bangla te . আজকের দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প টা আপনারা জানতে পারবেন । কিভাবে দুজনে একই কলেজে পরে শত্রু থেকে ভালোবাসা আর তা থেকে স্বামী-স্ত্রী দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প দেখতে থাকুন ।

romantic premer golpo, bangla romantic premer golpo, premer romantic golpo, দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প, দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প,
Romantic Premer Golpo

প্রথমেই বলে দিই আমার নাম রিয়া আর আমার স্বামীর এর নাম সুদীপ । প্রথমে তো আমরা দুজন দুজনের শত্রু ছিলাম তারপর । আরে দাদা এখানেই সব জেনে যাবেন না গল্প টা গিয়ে পড়বেন । কারন টা আজকের দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প সম্পূর্ণ পড়লে আপনি জানতে পারবেন । আজকের দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প টি শেষ পর্যন্ত পড়বেন আর অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন কেমন হয়েছে আজকের পর্ব টি ।

আজ আমাদের সমস্ত বাড়ি ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে প্রতিটি দরজা-জানলা সিড়ি আমার সবকিছুই লাল গোলাপ দিয়ে সাজানো হয়েছে ।

আর সবাই বাড়ির কাজে খুব ব্যাস্ত । সবাই বাইরে ব্যস্ত সময় কাটাতে বিয়েবাড়ির বলে কথা আর আমি ? আমি তো আমার রুমে ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে আছি ।


চোখে কাজল দিচ্ছি । কি ভাবছেন ? আমি বিয়েতে আমন্ত্রণ না না আমি কোন অতিথি নয় । আর এই বিয়েতে আমার কোন ভাই বা বোনের নয় । এই বিয়েটা আমার ।
আপনার এখন এটাই ভাবছেন তাই না এই মেয়েটা হয়তো পাগল। পাগল না হলে কেউ নিজের বিয়েতে নিজে সাজে?? আরে না না । আমি কোন পাগলও নই ।


আমাকে সাজিয়েছে অন্যরা ঠিকই । শুধু কাজলটা আমি নিজেই করেছি । আসলে আমার হবু বর মানে কিছুক্ষণ পর যিনি হবু শব্দটি বাদ দিয়ে আমার বড় হবেন ।


উনার একমাত্র ইচ্ছে আমি যেন নিজে কাজল টা পোরি । এইতো কাজল পড়া শেষ হয়েছে । লাল বেনারসি, ঠোঁটে লাল লিপিষ্টিক, হাতে কাচের চুড়ি পায়ে নুপুর আর গা ভর্তি গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুলের গয়না ।

আপনারা এটাতো আশ্চর্য হচ্ছেন? এ কেমন বিচার এই সবকিছু উনার পছন্দ উনি মানে সুদীপ । আমার হবু বর যার সাথে কিছুক্ষণ পর বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হবো । আসলে সুদীপের ইচ্ছে আমাদের বিয়েতে আমি যেন অন্য রকম সাজি ।

সুদীপ বলল ফুল হলো পবিত্র একটা সম্পর্ক অবশ্যই পবিত্রতার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা উচিত । তাই সে চাই বিয়ের দিন আমাকে যেন ফুলের গয়না দিয়ে সাজানো হয় । কাচের চুড়ির ঝনঝন শব্দে নাকি মেয়েদের সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায় কি বলেন আপনারা ।

এটা জানার পর আপনারা ভাবছেন ছেলেটা নিশ্চয় একটা কিপটা । তাই না যেই না শুধু সেই রকম ছেলে নয় । সে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভালোবাসে
তাইতো আমাকে পার্লারে নয় ঘরে সাজানো হলো । উফ !! পায়ে আলতা তো পড়লাম না । ও আলতা তো সুদীপ পরিয়ে দেবে বলেছিল ।

bangla romantic premer golpo

তে চাই আমি প্রথম পায়ের আলতা তার হাতেই পরি । অবশ্যই এর আগে কখনো আলতা পড়ি নি আমি । এই প্রথম পড়বো । তাও আবার আমার স্বামীর হাতে আমার ভালোবাসার মানুষটির হাতে । হ্যাঁ সুদীপকে আমি খুব ভালোবাসি সে দীপের সাথে আমার প্রথম দেখা কলেজে ।

সেদিন কলেজে আমার প্রথম দিনই ছিল সকাল থেকে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল । কলেজের ক্যাম্পাসের সামনে রিকশা থেকে নেমে কোন প্রকার দৌড়িয়ে বারান্দায় দাঁড়ায় ।

বৃষ্টি তো আমি প্রায় পুরো ভিজে গিয়েছিলাম । চুল থেকে ক্লিপ খুলে ভেজা চুল ঝাড়ছি হঠাৎ কোন ছেলের কন্ঠ কানে ভেসে আসে আমার ।
এই যে মিস, আপনি চুলটা ঝাড়ছেন নাকি কাপড়টা ঝাড়ছেন ।

পিছনে তাকিয়ে দেখে একটা 6 ফুট লম্বা ছেলে দাড়িয়ে আছে ।
জি আপনি কি আমাকে বলছেন।
আপনি ছাড়া কেউ কি আছে আর?
জ্বি বলুন ।

আপনার চুল ঝরার কথাই বলছিলাম আপনি চুল ঝাড়ছেন নাকি কাপড়টা ঝাড়ছেন ।
কেন কি হয়েছে তাতে আপনার কি?
কি হয়েছে মানে? দু দুটি চোখ লাগিয়েছেন তাও দেখতে পাচ্ছেন না ?
আশ্চর্য তো । আপনি কি ঠিক করে বলবেন আপনার সমস্যা কি ? (dada upnar somosa ki amader romantic premer golpo ti upnader valo lagche na .)

সমস্যাটা আমার নয় । সমস্যাটা আপনার মিস চশমিশ । দু দুটো চোখ লাগিয়েছেন আমার মত এত বড় একটা ছেলেকে দেখতে পাচ্ছেন না ? আমার উপরে চুল ঝাড়ছেন ।

আরে আপনি যদি পিছনে দাঁড়িয়ে থাকে না তা আমি কি করে জানব আর আমি যখন এখানে এসেছিলাম । আপনি তো তখন ছিলেন না । আপনি তো পরে এসেছেন ? আপনি সরে দাঁড়াতে পারলে না ?

আমি এখানে কি কি ভাবে দাঁড়িয়ে ছিলাম । আপনি চুল ঝাড়তে ঝাড়তে আমার কাছে চলে এসেছে ।
দেখুন গায়ে পড়ে আমার সাথে ঝগড়া করবে না।

premer romantic golpo

ঝগড়া আমি আপনার সাথে ঝগড়া করতে যাব কোন দুঃখে ঝগড়াতে মেয়েদের কাজ আমাদের বাসায় যে কাজের মহিলা কাজ করে তাকে প্রতিদিন দেখি চুল তেরেং বেরেং । যদি জিজ্ঞেস করি কি গো খালা, তোমার চুল এমন কেন ? কি হয়েছে ?

সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেবে আরে আমাগো বস্তির কুসুমের মার লাগে যে কইয়া হয়েছে আর সুমির মা স্টপ ।

আপনার ফালতু কথা শোনার আমার কাছে সময় নাই যত্তসব।

সেখান থেকে গেয়ে নিজের ক্লাস খুঁজে বের করলাম নতুন পরিবেশ নতুন কারো সাথে বন্ধুত্ব হবে না এত তাড়াতাড়ি ।
প্রতিটি টেবিলে দুজন করে বসে আছে আমি বসব কোথায় এইতো একটা টেবিল খালি আছে। সেখানেই বসে টেবিলে গিয়ে বসলাম । টেবিল টা একেবারে জানালার পাশে ।

বাইরে বৃষ্টির খুব ভালোই উপভোগ করা যাবে । ক্লাশে স্যার এলেন! আমাদের সাথে তিনি ভাল মন্দ কথা বলছেন এমন সময় একটা ছেলে বাইরে থেকে বলল,

“May I come in sir,” – to geys amader romantic premer golpo ti kamon lagche .
তখন আমি দরজার দিকে তাকালাম এই তো সেই ঝগড়াটা ছেলেটা । ও ওখানে কি করছে ।

এস কামিং যাও গিয়ে বসো।
ছেলেটা এদিক সেদিক তাকাচ্ছে । ছেলেটাকে দেখে আমি আমার ব্যাগটা টেবিলের ওপর পাশে রাখলাম আর ওড়নাটা বেঞ্চের খালি জায়গায় ছড়িয়ে দিলাম যাতে সে আমার পাশে বসতে না পারে ।

এই যে মিস চশমিস । আপনাকে ব্যাগ ও ওড়নাটা সাইডে নিন আমি এখানে বসবো ।
আপনি এখানে কেন বসবে না আর কোন জায়গা দেখছেন না চোখে।
না দেখছি না আমি এখানে বসবো বুঝেছেন । (তো বন্ধুরা আপনাদের এই দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে )

উফ পারা গেল না ছেলেটার সাথে । আমার পাশেই বসে কি জগরাটে ছেলেরে বাবা । কথায় কথায় শুধু ঝগড়া করে। যার সাথে এই ঝগড়াটা ছেলেটার বিয়ে হবে তার জীবনটা একদম তেজপাতা করে দেবে।

তারপর ক্যালাসেস আর সবার সাথে পরিচয় হবেন সবার নাম জিজ্ঞেস করলেন তখন জানতে পারলাম যে ঝগড়াটা ছেলেটার নাম সুদীপ । যাইহোক প্রথম দিন ক্লাস শেষে বাসায় চলে এলাম ।

দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প

পরদিন ক্লাসে এসে দেখি সেই ছেলেটি আর এসে বসে আছে আমি অন্য একটা মেয়ের পাশে বসে পড়ালাম । যে মেয়েটির পাশে বসে ছিলাম ।
তার সাথে আমার বন্ধুত্ব হয়ে গেল এভাবে কেটে যাচ্ছে আমাদের সময় গুলো। ।

তারপর হঠাৎ একদিন বিকেলে ছাদে হাঁটছিলাম । হঠাৎ একটা ঘুড়ি এসে পড়লো আমাদের ছাদে ।
দৌড়ে গিয়ে ঘড়িটা তুললাম । ঘড়িটা বেশ সুন্দর অন্যরকম একটা ঘড়ি কিন্তু ওই ঘড়িটা এখানে এলো কিভাবে ।

হ্যালো মিস । প্লিজ ঘড়ি টা দিবেন ?এটা আমার ! আমার ভাই ঘুড়ি কেটে দিয়েছে । প্লিজ দিয়ে দিন ।
কন্ঠটা আমার খুব চেনা মনে হল পিছনে ঘুরে দেখি সেই ঝগড়াটে ছেলেটা।
দুজনেই একসাথে আপনি॥ (তো বন্ধুরা আপনাদের এই দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে )

আপনি এখানে কি করছেন হ্যাঁ কলেজে তো শান্তি দেন না ‌। কিছু করতে করতে শেষ পর্যন্ত আমার বাড়ি অব্দি চলে এসেছেন ।
হ্যালো মিস চশমিস ! আমার কিছু নেই আপনি এখানে এসেছেন । আমি আসিনি বুঝতে পেরেছেন? আর আপনি এখানে কি করছেন ?

আমার বাসায় আমি থাকব না তো কি আপনি থাকবেন ?
আমার বাসায় আমি থাকবো না তো আপনি থাকবেন মিস চশমিশ । এবার কথা না বাড়িয়ে আমার ঘড়িটা ফেরত দিন ।

আপনার ঘুড়ি আমার ছাদে এসেছে কেন?
সেটা আপনিই ঘড়িটাকে জিজ্ঞেস করুন আমার ছাতায় তো ঘুরে পছন্দ হয়নি তাই লাফ দিয়ে আপনার ছাদে চলে এসেছে । এবার দিন ।

নেক্সট টাইম ঘড়ি যেন না আসে।
সেটা এই ঘড়িটা কি বলুন । আমাকে নয় ঘুড়িকে আমি পাঠাইনি আপনার ছাদে বুঝেছেন।
তবে ঠিক আছে । আমি দারোয়ানকে দিয়ে পাঠাচ্ছি এরপর যদি আসে তাহলে আর পাবেন না ।

এই বলে ছাদ থেকে নেমে আমি দারোয়ানের কাছে ঘড়িটা দিয়ে সুদীপ কে দিতে বললাম । এরপর প্রায়ই দেখতাম সুদীপকে ছাদে। ছাদে দেখলে আমি আর ছাদে যেতাম না । আমার ঝগড়া করতে বিরক্ত লাগত তাই ।

দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প

দেখতে দেখতে আমাদের দুজনের পরীক্ষা শুরু হলো একদিন পরীক্ষা হলে সুদীপ কে আমি চিন্তিত দেখতে পেলাম ? এত ভালো একটা ছাত্র আজ প্রশ্ন হাতে পাওয়ার পর থেকে চিন্তিত অন্য প্রশ্নের ঝড় এর থেকে লেখা শুরু করে আজ এদিক ওদিক কি দেখছে ?

এনি প্রবলেম তোমার?
না মানে হ্যাঁ আমার কলমের কালি শেষ । কারো কাছেও নেই।
এই সমস্যা । নাও আমার কলমের কালিটা নিন ।
অ্যা ।

নিন ধরুন ।
তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে ক্যাম্পাসে এক গাছের নিচে বসলাম । আমার সেই বান্ধবী ও পরীক্ষা শেষ করে অনেক আগেই চলে গিয়েছিল বাসায় যেতে এখন ইচ্ছে করছে না তাই একাই বসে রইলাম গাছের নিচে ।
এই নিন আপনার কলমটা। (তো বন্ধুরা আপনাদের এই দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে )

তখন মুখ তুলে তাকিয়ে দেখলাম সুদীপ কলম ধরে দাঁড়িয়ে আছে আমি হাতটা বাড়িয়ে কলমটা তার কাছ থেকে নিয়ে নিলাম ।
আমি কি এখানে বসতে পারি।
সিওর।
থ্যাঙ্ক ইউ।
ওয়েলকাম।

প্লিজ কিছু মনে করবেন না । এত দিন শুধু শুধু ঝগড়া করেছি আপনার সাথে ।
না ঠিক আছে । আমার কোন সমস্যা নাই ।
আমরা কি দুজন দুজনের বন্ধু হতে পারি ।
হ্যাঁ নিশ্চয়ই কেন না।

তাহলে আজ থেকে আপনি থেকে তুমিতে আসা যাক? তাছাড়া আমরা তো একই সাথে পড়াশোনা করি ।
হ্যাঁ হ্যাঁ ।

এই প্রথম সুদীপের সাথে ঝগড়া ছাড়া আমাদের বন্ধুত্ব মূলক কথা হল । অনেক গুছিয়ে কথা বলে ছেলেটি । কলেজ থেকে বেরিয়ে আমরা একসাথে বাসায় ফিরলাম ।

রাতে বিছানায় গিয়ে ভাবলাম আমি ছেলেটাকে যতটা খারাপ ভাবছো ততটা খারাপ ছেলে নয় যাইহোক আস্তে আস্তে আমরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠলাম । এই ভাবে দুজন দুজনের মধ্যে কিছু দিনের মধ্যেই দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প মনে মনে আঁকা শুরু হয় ‌। কিন্তু কেউ কাউকে জানাতে দেইনা যে দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্পে হাবু ডুবু খাচ্ছি ।

একদিন বিকালে ছাদে উঠলাম খুব সুন্দর বাতাস বইছিল কোন রোদ ছিলনা ছাদে থাকা দোলনাতে এসে বসে ছিলাম ।
রিয়া কি করছো!
তুমি এখানে ।

হ্যাঁ আমি খাওয়া খেতে উঠলাম এসে দেখি তুমি ওখানে ভালো হলো গল্প করতে পারবো ।
হ্যাঁ আমিও একাই বসে ছিলাম তুমি আসায় ভালো হলো কি বল ।
তোমাকে কি একটা কথা বলতে পারি ।

হ্যাঁ বল কি বলবে?
তোমাকে না আজকে অন্যরকম লাগছে একদম অন্যরকম ।
অন্যরকম মানে!

পরনে আগে সালোয়ার-কামিজ চুলে বেনি চোখে মায়াবী কাজল এর সাথে চশমা । সত্যি বলতে তোমাকে অসাধারণ লাগছে ।
তাই বুঝি কি যে বলোনা, কি বলো তুমি তবে কি দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প শুরু করা যাক ।

সত্যি মিথ্যা বলছিনা দেখো বাতাসে তোমার সামনের চুলগুলো কেমন সুন্দর উঠছে তাই না।
এমনভাবে তুমি কথা বলছ যে তুমি কোন কবি।

হলে হয়তো হতে পারি তুমি যদি চাও।
এরপরে যা হলো তা তো আপনারা জানেন তো দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ।

দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প টি এখানে শেষ করলাম। আমাদের আজকের bangla romantic premer golpo টি আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচের কমেন্ট করে জানাবেন । আর নিয়মিত এরকম গল্প পেতে আমাদের সাথে থাকবে।

Leave a Comment