Sathti Kaker Golpo একটি রূপকথার গল্প 2022

হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমরা গল্প করতে চলেছি Sathti Kaker Golpo একটি রূপকথার গল্প। এই গল্পটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন আর নিচে কমেন্ট করে জানাবেন আমাদের এই গল্পটি কেমন লেগেছে ।

সাতটি কাকের গল্প

সাতটি কাকের গল্প, সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন, Sathti kaker Golpo, Sathti Kaker Golpo Bangla cartoon, একটি রূপকথার গল্প 2022,
সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন

বহুদিন আগের ঘটনা একটা গ্রাম ছিল যার চারপাশে পাহাড়ি পাহাড় ছিল আর সুন্দর একপাশে উপত্যাকা ছিল আর এই উপত্যকায় যেতে হলে একটা নদী পার হতে হত । যেখানে নদীর পাড়ে এক কাঠুরে বাড়ি বানিয়ে থাকতো ।
সে ছিল বিবাহিত এবং তার ছিল সাতটি ছেলে এবং একটি মেয়ে । সে একদিন তার সব ছেলে দের বিদায় দিয়ে কাজের জন্য একটু বাইরে গেল । বলল আমি আসছি তোমরা সবাই ভালো থেকো আমি কিছুদিনের মধ্যে চলে আসবো ।

Youtube Video watching Now click here – সাতটি কাকের গল্প


মাঝে মাঝে তাকে কাজের জন্য বাইরে যেতে হতো । আর তার স্ত্রী সেই ছেলে মেয়েদের নিয়ে নাজেহাল হত ।
তার স্ত্রী বলতো হায়রে কি দুষ্টু বাচ্চা রে । সত্যি বলতে তার যে ছোট্ট মেয়ে ছিল সেই মেয়েটি কোন উৎপাত করত না । কারণ চাইছিল শান্ত । চেয়ে ভারী মিষ্টি দেখতে সুন্দর এবং সে তার মাকে সাহায্য করত । কিন্তু ছেলেরা তার মাকে বিরক্ত করে মারত । কারন ওরা ছিল অসভ্য দুষ্টু । তারা কখনো মায়ের কথা শুনতো না এবং তারা সারাক্ষণ ঝগড়া করত ‌ ।( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


তারা তার মাকে একেবারেই সম্মান করতো না । তার মায়ের তাদেরকে নিয়ে খুব চিন্তা হতো ।
তার মা রেগে গিয়ে বলল এই ছেলেরা তোমরা এবার শুতে যাও ।
তখন ছেলেরা উত্তর দিলো বুড়ো লোকেরা শুয়ে থাকে মা ।
এভাবে দেখতে দেখতে এক সপ্তাহ কেটে গেল । আর এক সপ্তাহ পরিশ্রম করে কাজ থেকে বাড়ি ফিরল সেই লোকটি ‌।


বেচারি মা তার ক্লান্ত আর পরিশ্রমই চেহারা দেখে সে আর কিছু বলতো না । কারণ সে তার স্বামীকে এর জন্য বিরক্ত করতে চাইত না ।
ও বেচারী কত পরিশ্রম করে এসেছে । এই সব ছোটখাটো ব্যাপার বলে আমি আর ওকে বিরক্ত করবোনা । তাই ওই মহিলা তার ছেলেদের এই উদারতা নিজের মনে লুকিয়ে রাখল । কিন্তু সেটা বুঝলোনা যে এতে তার ছেলেরা আরো খারাপ হয়ে যাবে । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )

read more – বুদ্ধিমান নাপিত – Ek bangla rupkothar golpo 2022

আর শেষ পর্যন্ত সেটাই হয় বাবা যখন বাড়িতে থাকত না ছেলেরা সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে এবং তাদের দুষ্টুমি দিনে দিনে দিনে আরও বাড়তে লাগলো ।
তখন তার মা বললঃ ছেলেরা অনেক হয়েছে ?
তখন তার ছোট্ট বোনটি বলল দাদা তোমরা আমাকে আর বিরক্ত করো না তোমরা ?


তখন তার দাদারা বলল চুপ করা বোকা মেয়ে ?
তাদের মধ্যে বোন ছিল ছোট তাই সেই বেশি সমস্যায় পড়তো । কারণ সে তার দাদাদের খুব ভালোবাসতো তারা দুষ্টু হওয়া সত্ত্বেও ।
কিন্তু তার চেয়েও বেশী ভালবাসত তার মাকে ।
সেবারের সবচেয়ে ছোট হওয়ায় কোনো ভাইয়েরা তার কোন কথায় গুরুত্ব দিত না । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )

এভাবে কাটতে লাগল তাদের জীবন । একদিন এই সাত ভাই এক বড় ঝামেলায় পড়লো । জঙ্গলে এক বিষধর গাছ ছিল । যা খেলে প্রাণীদের পেট ফুলে যায় । তখন কাঠুরে লোক তার ছেলেদের বলতো কি যাতে খেয়াল রাখতে যাদের তাদের গরু গুলো এই গাছ না খেয়ে ফেলে ?

একদিন সে দুষ্টু ছেলেরা সেই গাছের পাতাগুলো তুলে নিয়ে তাদের বাড়ির গৃহপালিত পশুদের খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে দেয় ।
তাদের মধ্যে এক ভাই বলল আমি দেখতে চাই কিভাবে গরু ছাগলের পেট ফুলে যায় । তখন রোগা হওয়ার বদলে তারা ফুলে ঢোল হয়ে যাবে । আর তারা এই নিয়ে মজার ছলে হাসতে থাকে ।
ঠিক কিছুক্ষণ পরেই ছাগল ও গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের পেট ফুলে যায় এবং তাদের ব্যাথা শুরু হয়ে যায় । ওরা দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে সব পড়ে যায় । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )

তার কিছুক্ষণ পর তাদের ছোট্ট বোন আছে আর তার মাকে বলে ওমা দেখো সব গৃহপালিত পশুর কেমন চিল্লাচ্ছে আর ওদের পেট গুলো কেমন যেন ফুলে গেছে?
তখন তার মা এসে দেখে চমকে গেল । আহারে বেচারা দেখ কি হয়ে গেল ? এবার আমরা আর দুধ খেতে পাবো না । আর আমরা ঘি মাখন চিজ বানাতে পারবো না ।
তাহলে কি খেয়ে বেঁচে থাকবো মা আমরা ।

read more post – rupkothar golpo all post


এইসব কথা শুনে তার সাত ভাই জোরে জোরে হাসতে থাকে । দেখো দেখো এই প্রাণীদের কেমন মোটা মোটা আর বোকা বোকা দেখাচ্ছে ।
ছেলেরা জোরে জোরে হাসতে থাকে আর কত বড় অন্যায় করেছে তারা ভাবতেও পারে না ।
যতক্ষণ না তাদের মা রেগে গিয়ে কেঁদে উঠে বলে ‌ । আমার ছেলে হওয়ার বদলে তোরা যদি কাঁক তাহলে খুব ভালো হতো ।

যখন সেই কথাটা বলে তখন একটা ঘন কালো মেঘ সূর্যকে ঢেকে দেয় । আচমকাই পরিবেশ বদলে যায় । এবং সাতটা ছেলে কাকে পরিণত হয় । আর কা কা করতে করতে উড়ে যায় । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )

তখন তাদের ছোট বোন দাদা আরে না ।
তখন তার মা খুব চিন্তায় পড়ে গেল এটা আমি কি বললাম হাই ঈশ্বর ? এ আমি কি করলাম । ওই মহিলা এতটাই ভয় পেয়ে যায় যে সে অনুতাপের চাপে প্রায় জ্ঞান হারাতে বসেন ।
তখন তার ছোট্ট বোনটি বলে ওমা এখন আমরা কি করবো ?

ওদের বাবা যখন পরের দিন বাড়ি ফিরেন তখন তখন সে সব সত্যিটা বলে দেয় । এবং সেই ভদ্রলোক কি খুবই হতাশ হয়ে পড়েন । কিন্তু তাও সে বউকে সান্ত্বনা দিতে দিতে বলেন ।
এইরকম বলোনা এতে তোমার কোন দোষ নেই । আমাদের ছেলেরা সত্যি অসভ্য ছিল তাই তোমার মাথা গরম হয়ে গেছিলো তাই এইসব কথা তুমি বলেছিলে ।‌‌ ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


কিন্তু বাড়িতে দুঃখের ছায়া নেমে এসেছে । এভাবে দেখতে দেখতে অনেক দিন কেটে যায় ছোট্ট মেয়েটি একটু বড় হয়ে ওঠে । তার আজও তার দাদাদের কথা মনে পড়ে ।
একদিন সে তার মায়ের কাছে দাদাদের খুঁজতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলো ।
তখন তার মা বললো না সোনা মেয়ে ? আমি তোমাকে আর হারাতে পারবো না ।

সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন


আমি ওদের খুঁজে বের করতে পারবো মনে হচ্ছে আমার যাওয়া উচিত মা ।
ওরা আমার জন্য অপেক্ষা করছে ‌। আমায় যেতে দাও মা আমায় একটু আশীর্বাদ করো যাতে আমি আমার ভাইদের নিয়ে আসতে পারি ।
তখন তার মা বললঃ ও আচ্ছা যাও তবে ।


মা-মেয়েকে আর বাধা দিতে পারলো না তার দুঃখের কথা শুনে ।
অবশেষে বাচ্চা মেয়েটির পুটলি নিয়ে তার দাদাদের খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে ।
সে প্রায় দুদিন জঙ্গলে হাঁটাহাঁটি করতে থাকলো । এবং পাহাড় বেয়ে উপরে উঠতে থাকে । আর জঙ্গলে একটা হাঁক দেয় দাদারা তোমরা কোথায় আছো ?( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


দেখতে দেখতে অনেকদিন কেটে গেল আর তার পটলের খাবার শেষ হতে থাকলো । এই ভাবে দেখতে দেখতে শীঘ্রই খাবার ফুরিয়ে গেল । আর এতটা পাহাড় উঠার সাথে সাথে তার জামা কাপড় ছিড়ে যায় । ওর খুব ঠান্ডা লাগে এবং ও খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ে ।


তৃতীয় দিন সূর্যোদয়ের সময় ওই জঙ্গলের মধ্যে একটা অদ্ভুত একটা বাড়ি দেখতে পাই ।
তার মনে মনে একটা জিজ্ঞাসা এসেছিল কি এই ঘরে কে থাকতে পারে । কিছু একটা ঐ বাড়ির দিকে টেনে নিয়ে যায় তাকে ? ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


এবং বাড়িটা দেখতে প্রায় অন্ধকার এবং ভূতেরো মত । হলেও সে এগিয়ে যাই ।
সে বাড়িতে ঢোকার পর সে বাড়িতে একটা ছোট্ট টেবিল দেখতে পায় ।
যেখানে সাতটা পার্টি রাখা ছিল । এবং ওর মন আনন্দে নেচে ওঠে এই ভেবে হয়তো তার দাদাদের ঠিক জায়গাতেই খুঁজতে এসেছে । এটা হতে পারে ও এখানে কি দাদারা থাকে ।


ও সামনে এগিয়ে গিয়ে দেখে । একটা বড় পাত্রে কম আর জব ফোটানো হচ্ছে । ও খাবার খাবার দেখে তার জিভে জল চলে আসে আর সেই এতক্ষণ ক্লান্ত ছিল তাই তার খিদে পেয়ে গেছে ।
সেই ছোট্ট মেয়েটি খুব খিদে পেয়েছিল তাই সে কিছুটা খাবার একটা ছোট পাত্রে নেই এবং নিশ্চিন্তে খেতে থাকে ।
তারপর সে আবার সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে দেখে যে শোয়ার ঘরে সাতটি বেড রাখা আছে । এবং পতিতা তে আলাদা আলাদা রঙের কম্বল রাখা আছে । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


এই কম্বলগুলো দেখে সেই ছোট্ট মেয়েটি ভাবলো যে কম্বলের রংগুলো আমার প্রত্যেকটা দাদার প্রত্যেক রং পছন্দ । এই ভেবে তার চোখ দিয়ে জল বের হয়ে আসলো । এই ভেবে যে তার দাদাদের অবশেষে খুঁজে পেয়েছে ‌ ।
এতটা হাঁটার পর সেই ছোট্ট মেয়েটি একটা খাটে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে ।
আর বলল আমি বরং ওদের জন্য এখানে অপেক্ষা করি ।


তারপরে কথা করতে করতে তার ভাইয়েরা এসে উপস্থিত হয় । সামনের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে আছে এবং টেবিলের উপরে বসে । এবং তাদের মধ্যে বলে কেউ আমাদের কিছুটা খাবার খেয়ে নিয়েছে দেখেই বোঝা যাচ্ছে ‌ ।
কিন্তু এতো উপরে কি আসতে পারে দাদা । আমাদের আজীবন এই পাহাড় এ বাধ্য হয়ে থাকতে হবে । কেউ আমাদের খুঁজতে এখানে আসবে না । ওদের খাওয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পরে সে তারা তাদের শোয়ার ঘরের দিকে রওনা দিল ।
এবং দেখে যে তাদের ছোট্ট একটা মেয়ে তাদের বেডে শুয়ে আছে । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )

তখন সে কাজগুলো কিছুক্ষণের মধ্যে চিনতে পারে যে হ্যাঁ ঠিক এটা আমাদের বোন ।
আমাদের বোন আমাদেরকে খুঁজতে এসেছে ।
আর ঠিক সেই মুহুর্তে সে বাচ্চা মেয়েটির চোখ খুলে যায় । এবং সে যখন তাকে যে চারপাশে কতগুলো কাক । ও একেবারে ভয় পেয়ে যায় কিন্তু অদ্ভুত পাখিদের মধ্যে একটি পাখির মিষ্টি করে বলে ।
তুমি কি আমাদের বোন । তুমি কি আমাদের বোন ।

তখন মেয়েটি উঠে দাঁড়িয়ে দুহাত মেলে ধরে । দা দাদা আমি তোমাদের খুঁজে পেয়েছি খুঁজে পেয়েছি । অবশেষে আমরা আবার এক হলাম।
তখন সাতটা কাক ওর দিকে দুঃখী মন নিয়ে দাঁড়ায় । আমাদের দেখে তোর ভয় আর বিরক্তি লাগে না । না দাদা আমার কিসের ভয় তোমাদের দেখে ।


তখন মেয়েটি তা সবাইকে বুকে জড়িয়ে ধরে । আমি তোমাদের খুব ভালোবাসি । আর তোমরা কাক হয়ে গেল আজও তোমরা আমার দাদা ।
ওরা এ কথা শোনার পর তারা এগিয়ে যায় এবং কাঁদতে শুরু করে ।
তখন ছোট্ট মেয়েটা বলে কি তোমরা কেঁদো না দাদা এভাবে ।
দেখ বোন আমাদের বাড়ির কথা খুব মনে পড়ছে । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


তোমরা আমার সাথে বাড়ি ফিরছে না কেন দাদা ?
আমরা সবাই চাই ওই বাড়িতে ফেরত যেতে । আর আমরা যা করেছি তার জন্য খুব দুঃখিত কিন্তু এই অবস্থায় আমি মা-বাবার সামনে যাব কি করে ।
মা তোমাদের এই অবস্থাতেই মেনে নেবে । আমি নিশ্চিত জানি না তোমাদের মেনে নেবেই । আর মা তোমাদের সারাদিন তোমাদের কথা ভেবে কাঁদে ।

Sathti kaker Golpo

আমরা যা করেছি তার পরেও ।
হ্যাঁ কারণ উনি তো মা । তোমাদের অভিশাপ দেওয়ার জন্য আজ অব্দি ও নিজেকে ক্ষমা করতে পারেনি। তোমরা এবার ফিরে চলো বাড়ি । মা সত্যি খুবই খুশি হবেন তোমাদেরকে দেখে ।
তখন ছোট্ট মেয়েটির জোর করে তাদেরকে রাজি করিয়ে নেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য ।


ঠিক আছে আমরা তবে বাড়ি ফিরে যাব। এইভাবে তারা হাসিখুশি তাদের নিজের বাড়ির দিকে রওনা দিল ।
চলো তবে যাওয়া যাক । এবং মেয়েটি পাহাড় থেকে নিচে নামতে শুরু । এই পাহাড়ের ওপর নিচ করার কোন দরকার নেই বোন আমরা তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবো ওখানে ?
এক মিনিট দাঁড়াও বোন । আমরা যে এখানে সুন্দর সুন্দর পাথরগুলি জোগাড় করেছি সেগুলি নিয়ে যাব আর মাকে উপহার দেব । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


এগুলো খুব সুন্দর দাদা ।
তোমার পছন্দ হয়েছে?
খুব পছন্দ হয়েছে দাদা ।
তাদের মধ্যে একজন বলল এগুলো দামী পাথর হতে পারে আমরা কাকেরা যখন কিছু ঝলমল করতে দেখি তখন আর থাকতে পারি না । ওগুলো তুলেনিয় । আর তুমি এটা দেখো অন্যগুলো থেকে বেশি ঝলমল । হতে পারে এটা হিরে । হ্যাঁ হয়তো ।


হ্যাঁ দাদা এটা খুব সুন্দর ।
অবশেষে তারা পাহাড়ের এক প্রান্তে এসে দাঁড়াই ।
সেখান থেকে যখন নিচে তাকায় তখন প্রথমে বাচ্চা মেয়েটির ভয় পেয়ে যায় । আমি পড়ে যাব দাদা ।
তুমি চিন্তা করোনা বোন । আমরা তোমায় পড়তে দেব না । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


সবাই মিলে বলল তুমি চিন্তা করো না বোন আমরা তোমায় পড়তে দেব না ।
তখন 7টা কাক শক্ত করে তার হাত ধরে দেয় এবং নিরাপদে নিচে নিয়ে যায় ।
উপর থেকে সব ঝলমাল দেখতে পাই দুটো পাহাড় এবং উপত্যাকা আর সেই ছোট্ট নদী আর ছোট নদীর পাশে ছোট্ট কুটির যেখানে তারা জন্মেছিল ।


বাড়ির উঠোন একেবারে খালি ‌ছিল ।
তখন মেয়েটি তার বাড়ির সামনে এসে নিচে নামার পর বলে তোমরা এখানে দাঁড়াও আমি মাকে গিয়ে ডেকে নিয়ে আসছি ।
আমি মাকে অবাক করে দেব ।
তখন মেয়েটি চুপিচুপি তার মার দিকে রওনা দেয় এবং তার মা টেবিলের উপর মাথা নিচু করে বসে বসে কাঁদছে । তখন সেই মেয়েটি তার মাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলে মা । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


দেখো আমি ফিরে এসেছি । আর তোমার জন্য কিছু নিয়ে এসেছি ।
ও আমার সোনা মেয়ে । তুই ফিরে এসেছিস । আমি তো ভেবেছিলাম আমি তোকে হারিয়ে ফেলবো ।
তার মা এতটাই খুশি হয়ে যায় যে বুঝতেই পারেনা সে হাসবে না কাঁদবে ।


এইভাবে তারা কিছুক্ষণ একজন আরেকজনকে আদর করতে থাকে আর ছোট্ট মেয়েটি তার মা’র চোখের জল মুছে দিতে থাকে । তারপর তার মাকে বাইরের উঠোনে দিকে নিয়ে আসে উঠানে এসে তার মা সাত কাক দেখতে পায় ।
এইতো আমার ছেলেরা । তোদের কথা খুব মনে পড়ে । তোদের এই অভিশাপ দেওয়ার জন্য আমি খুব দুঃখিত । একজন মায়ের তার সন্তানদের এমন কথা কখনোই বলা উচিত নয় । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


তখন তার সাত ছেলে বলল না মা ওটাই আমাদের প্রাপ্য ছিল । আমরা যা করেছি তার জন্য আমরা দুঃখিত । আমরা যে অন্যায় করেছি সত্যিই তার জন্য আমি দুঃখিত ।
ওহ আমার পরিবার আবার একসঙ্গে হয়েছে । প্রত্যেকে আনন্দর কথা ভেবে হাসতে কাঁদতে লাগে ।
আবার সেই আচমকাই পরিবেশ পরিণত হয় আবার সূর্যকে মেঘে ঢেকে নেই আর আচমকাই বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে শুরু করে ।


আবার সেই 7টা কাক 7 ভাই এ পরিণত হয় । আবার তারা তাদের তুলনায় চেহারা ফিরে পায় এবং মানুষ হয়ে যায় ।
হাই ঈশ্বর তোমরা আমাদের কথা শুনেছ ।
দাদা তোমরা আবার মানুষ হয়ে গেছো । ( সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন )


তাদের বাবা এখন এতক্ষণ ভিতরেই ছিল এবার ওদের চিৎকার আর আনন্দ শুনে বাইরে এল ।
ধন্যবাদ প্রভু আমার ছেলে মেয়েকে আবার আমার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ।
বাবা আমরা খুবই দুঃখিত । বাবা আমরা সত্যিই খুবই দুঃখিত ।
তখন ছেলে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে তার বাবা কেদে ফেলে ।


এইভাবে তাদের জীবন সুখের চলতে থাকলো এবার বছরের পর বছর কেটে যায় এবং তার সাথে ছেলে আরো পরিশ্রমই অর দায়িত্ববান হয়ে ওঠে ।
আর জে পাথরগুলো তারা নিয়ে এসেছিল । ওগুলো বহুমূল্যবান হীরে-মুক্তো বেরোয় । আর সেগুলো বিক্রি করে তাদের পরিবার সুখে দিন কাটলো । এভাবে তাদের জীবন কাটতে থাকলো ।

তো বন্ধুরা আজকের মতো এই গল্পটি শেষ করলাম তো আমাদের আজকের সাতটি কাকের গল্প বাংলা কার্টুন কেমন লাগলো অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন আর এই গল্প থেকে আপনি কি শিক্ষা পেলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment