শাকচুন্নির হানিমুন – Shakchunnir Golpo Bangla Story 2022

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে শাকচুন্নির হানিমুন – Shakchunnir Golpo Bangla Story 2022 . তো বন্ধুরা এই পোস্ট টি আপনারা জানতে পারবেন একটি দুষ্টু মিষ্টি শাকচুন্নির গল্প। যেখানে আপনারা জানতে পারবেন কি পরের দিন এসে কখনো লোক করতে নেই । কখনো কারো কথায় হুট করে কোন কাজে হ্যাঁ করা উচিত নয় । তো বন্ধুরা গল্পটি শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন আর নিচে কমেন্ট করে জানাবেন আজকের গল্পটি কেমন হয়েছে ।

Shakchunnir Golpo

shakchunnir golpo, shakchunnir golpo thakurmar jhuli, shakchunnir golpo bangla,শাকচুন্নির গল্প,বাংলা শাকচুন্নির গল্প, শাকচুন্নির কাহিনী,শাকচুন্নির কার্টুন
shakchunnir golpo

শাকচুন্নি বলে দেখো রাজাজি এখন থেকে এই পুরো চাঁদটা তোমার । তুমি এখানের রাজা তুমি যাই বলবে তাই হবে । তুমি যা চাও তা করতে পারো । তখন রাজা ভূত বলল ওরে নির্বোধ শাকচুন্নি আমাদের তিনজনের এই চাঁদে কিছু করার নেই ।
এখানে তোমরা দুজন ভূত ছাড়া আর কেউ নেই । আরে আর আমি এই দুই ভূতের মাঝখানে ফেলে গেলাম রে ।
আরে লালেন ভাই( রাজা ভূত ) ওই দেখো কত হিরে মুক্ত করে আছে । আমরাতো মালামাল হয়ে গেছি ।

হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ ।
আমরা মালামাল হয়ে গেছি তাইনা । আরে মূর্খ এত হিরা মুক্ত এইখানে নিয়ে তুই কি করবি আর থাক আর তাছাড়া তুই ভুলে যাসনা তুই একটা ভূত ।
এখানে চাঁদে সব হিরে পুরো পাথরের মতই । এখানেই হীরের কোন দাম নেই । আমাদের জীবন পুরা অকেজো হয়ে গেছে । আমরা না ঘরের থাকলাম না বাইরে । ( Shakchunnir Golpo )


এদিকে ডক্টর পিটারের j1 যে জাহাজটি চাঁদে চলে গেছে তাতে একটা স্পিকার ট্রান্সমিটার ও ক্যামেরা লাগা ছিল সেখান থেকে ডক্টর পিটার শুনতে পেল যে চাঁদে অনেক হীরে মুক্ত আছে । ডক্টর পিটার ও তাঁর সহকর্মী মিলে যুক্তি করলো যে শাকচুন্নি ও দুই মিলে তাদের সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিল তাই তারা আবার সিদ্ধান্ত নিল যে আবার একটা নতুন বিমান বানিয়ে কাউকে সেখানে পাঠাবে আর সেখান থেকে সব হীরে-মুক্তো নিয়ে আসবে তাদের কাছে । আর তারা শাকচুন্নি দের কথা শুনে একেবারে নিশ্চিত হয়ে গেল যে চাঁদে হিরের ভান্ডার আছে ।

তখন সহকর্মী বলল আমাদের আরো দুটো লোকের দরকার হবে যে আমাদের এই নতুন বিমানে করে চাঁদে পৌঁছাবে । তখন একটা লোক ওই ক্যাম্পের পাশ থেকে যাচ্ছিল ।
তখন ডাক্তার পিটার লোকটিকে বলল কে আপনি এই জঙ্গলে রাস্তা দিয়ে একা একা হেঁটে যাচ্ছ । ( Shakchunnir Golpo )


তখন লোকটি বলল আরে দাদা আমার নতুন বিয়ে হয়েছে তাই বউয়ের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনতে গিয়েছিলাম । এখন আমার নতুন বিয়ে হয়েছোতো তাই জন্যে ।
তখন সহকর্মী বলল আচ্ছা তোমার নতুন নতুন বিয়ে হয়েছে । তখন সহকর্মী মাথায় একটা আই ডি এল কি হ্যাঁ এদেরকে দিয়ে এই কাজটা করা যেতে পারে । তাহলে তো তোমাদের জন্য একটা সুখবর আছে ।

তখন লোকটি বলল কি দাদা তাহলে তাড়াতাড়ি বলেন ।
দেখো ভাই আমরা একটা নতুন বিমান তৈরি করেছি এ বিমানটা তৈরি করেছে আর এই খুশিতে বিনামূল্যে ঘোড়ার সুযোগ দিচ্ছি তোমরা অন্য দেশ থেকে ঘুরে আসতে পারো । ( Shakchunnir Golpo )


হ্যাঁ হ্যাঁ কেন নয় দাদা আমরা যেতে খুব ইচ্ছুক । আমি নিজে স্ত্রীর সাথে এই বিমানে যেতে চলে আসব । আপনি বলুন না আমরা কবে যেতে পারবো ।

তখন ডঃ পিটার বলল দেখো ভাই তোমরা আজ রাতে যেতে পারো ।
তখন লোকটি বলল ঠিক আছে ঠিক আছে আমি আমার বউকে নিয়ে রাতের দিকে চলে আসবো । আমি এক্ষুনি গিয়ে খুশির খবর আমার বউকে দিয়ে আসছি যাতে সে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে থাকে রাতে এখানে আসার জন্য ।
দাদাভাই আমাকে আপনি দু’ঘণ্টা সুযোগ দিন আমি বাড়ি গিয়ে সব আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছি । আমি এই গেলাম আর এই এলাম ।

Shakchunnir Golpo Bangla


তখন লোকটি খুশিতে পাগল হয়ে দৌড়াতে লাগলো আরে বাবা আজ আমরা ঘুরতে যাব নতুন হানিমুন হবে আমাদের । আমার ফ্রীতে লটারি লেগে গেল । আমি বিদেশে যাব এই বলতে বলতে সে লোকটি বাড়িতে চলে এলো ।
ও গিন্নি তুমি কোথায় আছো ? এদিকে এসো । তুমি সব সময় আমাকে বিব্রত করতে যে আমি তোমাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যায় না । তুমি আমাকে হানিমুনে কেন নিয়ে যাওনা ।


দেখো আজ আমি তোমার ইচ্ছে পূরণ করে দেব । শোনো আমি শহর থেকে যখন আসছিলাম তখন রাস্তায় দুটো লোকের সাথে দেখা হল ওরা এক নতুন বিমান তৈরি করেছে । আর আমাদের দুজনকে ওই বিমানে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে । আরে বাবা আজ আমার কত খুশি । তোমার তো ভাগ্য খুলে গেল ভাগ্যবতী । তোমার বংশের তুমি প্রথম মেয়ে হবে যে বিদেশে ঘুরতে যাবে ।( Shakchunnir Golpo )

(লোকটির বউ )তুমি আমার ছাড়ো তোমার পরিবার থেকে কি কেউ বিদেশে ঘুরতে গেছে কখনো । তোমার ঘরের লোকেরাতো আমার বিয়ের সময় পালকি ও পাঠায়নি গরুর গাড়িতে নিয়ে এসেছিল । কিছুতো তোমরা লজ্জা করতে । না হলে ভাড়ার গাড়ি করে নিতে কিপটে কোথাকার ।

লোকটি তখন বলল আরে তুমি এসব কী বেকার কথা নিয়ে বসে গেলে । এসব ছাড়ো আর তাড়াতাড়ি জিনিস গুলো গুছিয়ে নাও আমাদের আজ রাতেই বেরোতে হবে । আমাদের কাছে বেশি সময় নেই আর এক ঘণ্টার মধ্যে আমাদেরকে সেখানে পৌছতে হবে ।

Follow Facebook page – https://www.facebook.com/Chhota-golpo-109362014762389/
Follow instagram – https://www.instagram.com/chhotagolpo/
Follow linkedin page – https://www.linkedin.com/in/mister-sujan-a568a6161


তারপর লোকটির বউ নাম নীলা খুশিতে আত্মহারা হয়ে সব জামা কাপড় গুছিয়ে নিল । তারপর তারা দুজনে সেই জঙ্গলের দিকে বৈজ্ঞানিক দের কাছে যেতে লাগলো । ( Shakchunnir Golpo )

তখন লোকটি সেই বৈজ্ঞানিকদের কাছে এসে বলল আরে দাদা ভাই দেখেন আমরা চলে এসেছি । আমাদের তাড়াতাড়ি বিমানে বসিয়ে দাও । আমরা তো আর অপেক্ষা করতে পারছিনা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না ।
হাহাহাহা…


তখন ডক্টর পিটার বল হ্যাঁ হ্যাঁ নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই ।
চলো আমার সাথে আমি তোমাদেরকে বিমানের কাছে নিয়ে যাচ্ছি ।
তখন লোকটি কে ডক্টর টুইটার বললো-তারপর বলল এই বিমানের সব বোতাম । দেখো এখানে একটা ফোনও আছে । যখনই তোমাদের দরকার হবে তখনই আমাদের কে ফোন করতে পারবে । ( Shakchunnir Golpo )


তখন লোকটি বলল দাদা ভাই এই বিমানের ডাইভার কোথায় ?
এ বিমান ওড়াবে কে ?
তুমি চিন্তা করো না এই বিমান পুরো অটোমেটিক । এর কোন পাইলট এর দরকার নেই । বাস তুমি যাও আর নিজের সিটে গিয়ে বসে পড়ো ।

আর এদিকে বৈজ্ঞানিকরা বিমান থেকে নিচে এসে রকেট লঞ্চের এর বোতামটা টিপে দিল ।
অপরদিকে লোকটির বউ নীলা বললো ওগো আমি দেখো টিভিতে অনেক বিমান দেখেছি । এটাতো কোনো বিমানের মত মনে হচ্ছে না । এটা তো একেবারে অন্য কিছু মনে হচ্ছে । ( Shakchunnir Golpo )


তখন লোকটি বলল বাঁদর কি জানে আচারের স্বাদ । চল পাগলী তুই কখনো কোনদিন বিমান দেখেছিস যে বলতে পারবি বিমান কেমন হয় । এক্ত তোকে বিমানে ঘোরাচ্ছি আর তুই এত খিচ খিচ করছিস ।


এদিকে যখনই রকেটটি চালু হল তখনই খুব জোরে ঘর ঘর আওয়াজ চালু হয়ে গেল যেমনটা হয় ।
লোকটির বউ নীলা বললো আরে মরে গেলাম রে । আমার তো পাক্কা কোন গড়বড় লাগছে । দেখো না এটা কত আওয়াজ করছে আর কত কাঁপছে । আরে বিমান এরকম হয় না গো ।

শাকচুন্নির গল্প

shakchunnir golpo, shakchunnir golpo thakurmar jhuli, shakchunnir golpo bangla,শাকচুন্নির গল্প,বাংলা শাকচুন্নির গল্প, শাকচুন্নির কাহিনী,শাকচুন্নির কার্টুন
শাকচুন্নির গল্প


তখন লোকটি বলল আরে পাগলি কিছু হবে না রে । তুমি একটু অপেক্ষা করো দেখবে ঠিক শান্ত হয়ে যাবে ।
আরে আমরা মরে গেলাম রে ছারখার করে দিল । এ আমাকে কোথায় নিয়ে আসলো । আমি বেশ ঘরে বসে ছিলাম ভালোই । বিনা পয়সায় বিদেশ পড়ার নাম করে তুমি আমাকে মারা চক্করে এই বিমানে চড়ালে আজ আমরা নিশ্চয়ই মরবো । তুমি বাইরে দেখো না এত উপরে উপরে উড়ে যাচ্ছে । আরে মরে গেলাম রে ।


তখন লোকটি বলল আরে ভাগ্যবতী নিচের দিকে তো একবার জানলা দিয়ে দেখো । নিচে তো একেবারে পৃথিবী দেখা যাচ্ছে । এ তো আমাদের পৃথিবী থেকে বাইরে নিয়ে চলে এলো ।
তখন লোকটি রকেটের উদ্দেশ্য কথা বলতে লাগল দেখো ভাই এত উপরে উঠলো না ভাই আমাদের নিচে নিচে উরার আছে । ( শাকচুন্নির গল্প )


এবার দুজনেই ভয় পেতে লাগলো । যখন দেখল যে রকেট টা ওপরে উঠে যাচ্ছে উঠে যাচ্ছে ।
তারপর কিছুক্ষণ পর ওরা দুজনে বিমানের মধ্যে ভাসতে লাগলো কারণ তা আপনারা সবাই জানেন ।


তখন লোকটির বউ তার স্বামীকে বলল আমরা কেন এই হাওয়া তে উঠতে লাগলাম । তখন লোকের বউ বুঝতে পারলো যে এটা কোন হাওয়ায় জাহাজ নয় এটা একটা রকেট ‌। এ তো আমাদের মহাকাশে নিয়ে চলে এসেছে । তুমি তাড়াতাড়ি কিছু করো ।

আরে মরে গেলাম রে । ভাগ্যবতী এদিকে দেখো । পৃথিবীটা কত ছোটটা হয়ে যাচ্ছে ।
লোকটির বউ – তুমি পৃথিবীতে ছেড়ে এখানে দেখো চাঁদটা কত বড় হয়ে গেছে । আমার মনে হচ্ছে ওরা তোমাকে একেবারে বোকা বানিয়েছে । এ কোন বিমান নয় । না এ আমাদের কোন বিদেশযাত্রায় পাটানি । ওরা আমাদের সাথে প্রতারণা করে আমাদেরকে এই রকেটে করে চাঁদে পাঠিয়েছি ‌।


তুমি ওই মোবাইলটা দিয়ে ঐ লোকগুলোর সাথে কথা বলার চেষ্টা করো ।
তখন দেখছি মোবাইলটা নিয়ে দুই বৈজ্ঞানিকদের আবার ফোন করবো । হ্যালো হ্যালো – দাদা কেউ আমাকে শুনতে পাচ্ছো কি । হ্যালো হ্যালো কেউ আছে ‍? ( শাকচুন্নির গল্প )


তখন ডাক্তার পিটার বলল হ্যাঁ ভোলু বল তোমার আওয়াজ আমরা শুনতে পাচ্ছি । বল তোমাদের ওখানে কোন কষ্ট হচ্ছে না তো । দাদাভাই কষ্টই কষ্ট । আপনাদের বিমান আমাদের ভুল করে মহাকাশে নিয়ে এসেছে । আমরা চাঁদের অনেক কাছে পৌছে গেছি । তোমরা কিছু করো । এর দিশা আবার পৃথিবীর থেকে করে দাও ।


তখন ডাক্তার কি বলল দেখা হলো আমরা তোমাদের থেকে একটা কথা লুকিয়ে ছিলাম আমরা ২জনেই বিজ্ঞানিক । আরে এটা কোন বিমান নয় এটা একটা রকেট । আর এটা বিদেশ যাত্রা তো যাচ্ছে । আমরা তোমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য পাঠিয়েছে । তোমাদের আমার একটা কাজ করে দিতে । তবে এ রকেট পৃথিবীতে ফেরত আসবে ।


তখন লোকটির বউ একথা শুনতে পারব কান্নাকাটি শুরু করে দিল আরে মরে গেলাম গো এ আমরা কি করতে এলাম । ভাবতে আমার তো প্রথমেই সন্দেহ হয়েছিল যে এরা কোনো ঠকবাজ হতে পারে । আর যে মানুষ বিয়ের পর নিজের পালকি ভাড়া করতে পারেনা সে আবার জাহাজে করে বিদেশে ঘোরাবে ।

বিয়ের পর নিজের পালকি গরুর গাড়িতে এনেছে সে আমাকে নাকি বিদেশে যাত্রা কোথা থেকে করাবে । আরে আমার তো কপালি পাঠা । যে আমি ওদের কথা এসে গেছি । ভোলা মশাই আসলো আমাকে হানিমুনে নিয়ে যেতে । নাও এবার তুমি চাঁদে বানাও হানিমুন । আরে ছাড় কারক বৈজ্ঞানিকরা তোমরা কি আমাদের কি পেয়েছিলে । ( শাকচুন্নির গল্প )

তখন লোকটি আবার ফোনে বলল বৈজ্ঞানিক দাদা দয়া করে আমাদের আবার পৃথিবীতে নিয়ে আসুন । না হলে আমার বউ আমাকে জ্যান্ত ছাড়বে না। আরে মরে গেলাম রে এখানে মরে গেলাম । আরে বৈজ্ঞানিক দাদা তোমরা আমাদের চাঁদের পাঠিয়ে কি পাবে ।


তখন ডঃ পিটার করল দেখা ভুলু চাঁদে একটা হীরের ভান্ডার আছে । বাস তোমাকে একটা অক্সিজেন মাস্ক পড়ে চাঁদে নামার আছে আর সব হিরে সেখান থেকে নিয়ে এসে আবার রকেটে চড়ে যাবে । তারপর আমরা তোমাকে আবার পৃথিবীতে ফেরত নিয়ে আসবো । ( শাকচুন্নির গল্প )


তারপর দেখতে দেখতে রকেট টি চাদে ল্যান্ড করল ।
এদিকে রকেটের আওয়াজ শুনে দুই ভূত আর শাকচুন্নি উঠে যায় ।
তখন লোকটি তার বউকে বলে দেখো ভাগ্যবান এখন আমরা চাঁদে চলে এসেছি ‌। আমাদের কাছে আর কোন অন্য রাস্তা ও নেই আমাদের এই বৈজ্ঞানিকদের কথা মতো কাজ করে দিতে হবে । না হলে আমরা কখনও পৃথিবীতে যেতে পারব না আর এখানেই মারা যাবো ।


তখন লোকটির বউ একটু চালাক ছিল বলল কি এখন কাজ না ছাড়ো । আর তুমি শুনলে না এখানে বৈজ্ঞানিকরা বলল হীরের ভান্ডার আছে । কিছু হিরে আমাদের জন্য লুকিয়ে দেব । যাতে আমরা মালামাল হয়ে যায় । ভগবান যা করেন ভালোর জন্যই করেন । চলো চলো এবার চলো । ( শাকচুন্নির গল্প )


অপরদিকে শাকচুন্নি ও দুই ভূত। তাড়াতাড়ি বাইরে চলো মনে হয় কেউ চাঁদে এসেছে। তখন রাজা ভূত মশাই আর সঙ্গি রকেট এর কাছে পৌঁছে গেল আর রকেটকে ওখানে দেখে তাদের হাসির সীমানা আর থাকেনা ।
তারপর ভোলা রকেটের জানলা দিয়ে বাইরে থাকে তুই তো ভূত । এটা দেখার পর ভোলার চোখ একেবারে জানাবানা হয়ে যায় ।


তখন রাজাভূত বলল আরে বাবা কয়েক মাস পর এখানে কোন মানুষ এসেছে । আজ তো মজা এসে গেল ।
অপরদিকে ভোলা বলল আরে মরে গেলাম রে এগুলো কে আছে । তখন তার স্ত্রীকে বলল ভাগ্যবান দেখো এদিকে দেখো একবার দুটো ভুত দাঁড়িয়ে আছে । এখন আমি কি করব । তুমি এখানে দাঁড়াও আমি এই ব্যাপারে বৈজ্ঞানিকদের বলি ।


তখন আবার ভোলা এই বৈজ্ঞানিকদের ফোন করলো । বৈজ্ঞানিক দাদা বৈজ্ঞানিক দাদা আমার কথা শুনতে পাচ্ছো একেবারে খুব খারাপ খবর আছে। রকেটের বাইরে তো অনেক ভূত-পেতর দারিয়ে আছে । এ তুমি আমাদের কোথায় পাঠিয়েছো ।

তখন ডঃ পিটার বলল হ্যাঁ ভুলু তোমাদের এখান থেকে বেঁচে সব হিরে ওখান থেকে আনতে হবে ।
কিন্তু বৈজ্ঞানিক দাদা আমি কিভাবে এটা করব । ওই ভূতেরা ওখানে থাকতে আমরা কিভাবে বাইরে যাই ।


তখন ডাক্তার পিটার বলল ওইসব আমরা জানি না তুমি যা পারো তাই করো বাস এই হিরে আমাদের হাতে চাই ।
তারপরে কালিয়া ভূত রকেটের ভিতরে উঁকি মেরে দেখতে লাগে। আর নীলাকে দেখে অবাক হয়ে যায় । ( শাকচুন্নির গল্প )


আরে লাল্লান ভাই এদিকে তাকাও । ভিতরে একটা সুন্দর মহিলা আছে । তখন রাজা ভূত বলে আরে বাবা ।
আমি কখন থেকে নিজেকে একা মনে করছিলাম ‌। এখন আমিও নিজের জীবন সাথী পেয়ে গেছি । আরে এসো আমার রাম পারি। তুমি একটু বাইরে তো এসো ‌।


তখন সুন্দরী বউ মরে গেলে তো আমাকে ওর পেত্নী ভাবছে । নিজের রামপারি ভাবছে আমাকে । নানা ভূত মশাই আমাকে ক্ষমা করে দিন আমি তো আগে থেকেই বিবাহিত।


তখন ভুলু চিৎকার করে উঠল আরে মরে গেলাম গো । এখানে তো 3-3 ভূত আছে। ও গিন্নি এখন আমরা কি করি বলোতো । আমরা এখানে বেরোলি ওরা আমাদের চিবিয়ে খেয়ে নেবে । আরে মরে গেলাম রে বিদেশযাত্রা লোভ তো আমি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি । ( শাকচুন্নির গল্প )


আরে রাজা ভাই আমার মনে হয় ওই বৈজ্ঞানিক আমাদের মতনই ওদেরকেও এখানে পাঠিয়েছে ‌।

তখন ভুলু সুন্দরী বউ আমাদের কিছু হিরে নিতে দাও না । এখানে তো হীরের ভান্ডার আছে তাই এখানে অনেক হীরে পাওয়া যায় । একটু আমাদের নিতে দাও না ।
তখন কালিয়া ভূত কি বললা তোমরা তোমাদের কে ওই বিজ্ঞানী প্রতারণা করে এখানে পাঠিয়েছে ।

Shakchunnir Golpo Bangla Story

তখন ভুলু সুন্দরী বউ বলল হ্যা ভূত মশাই । তুমি ঠিকই বলেছ । কিন্তু তুমি ওই বৈজ্ঞানিকদের কি করে চিনলে ।
আমরাই ওই তোমাদের মতন মানুষের ছিলাম । কিন্তু ওই বৈজ্ঞানিকরা প্রতারণা করে আমাদের এখানে পাঠিয়ে দিয়েছিল হিরের লোভে । তো আমরা জানি তোমরা যদি হিজড়া না তো তোমরা তোমাদের কে ওরা পৃথিবীতেই নিয়ে যাবে না । শোনো আমার কাছে একটা উপায় আছে । ওই বৈজ্ঞানিকদের মজা দেখানোর ।

তারপর কালিয়া ভুত সবগুলো হীরার এনে ভোলু আর তার বউকে এনে দিয়ে দেয় ।
তখন ভুলু সুন্দরী বউ বললো ভূত জি তোমাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

তোমাদের মনে আছে তো পৃথিবীতে যে কি করতে হবে ।
হ্যাঁ কালিয়া বন্ধু আমার মনে আছে যে আমাদের কি করতে হবে । আমাদের উপায় নিশ্চয়ই কাজ করবে । ( শাকচুন্নির গল্প )


তারপর ওই দু’জন বৈজ্ঞানিক দের ভুলু ও তার বউ হিরে দেখায় আর হিরে দেখে তো ওই দুইজন বৈজ্ঞানিক একেবারে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায় আর তাড়াতাড়ি করে তাদেরকে পৃথিবীতে আনার ব্যবস্থা ।
তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই রকেট পৃথিবীতে চলে আসে । তারপর সেই দুই বৈজ্ঞানিক রকেটের দিকে রওনা দেয় ।


তখন ওই দুই বৈজ্ঞানিক ভুল ও তার বউকে সাবাস বলে তোমরা দুজনে ভালো কাজ করেছো । দাও এবারে হিরে গুলো আমাদের দাও ।
তখন বলব বলে দাদা ভাই তোমাদের হিরে ভিতরে পড়ে আছে । ওই হিরো গুলোর ওজন খুব বেশি তাই আমরা নিয়ে আসতে পারছিনা। তোমরা গিয়ে নিজেই নিয়ে নাও ।


তারপর দুই বৈজ্ঞানিক যখনই ভিতরে যে হিরে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায় । ওই হিরে পেয়ে তাদের খুশির ঠিকানা থাকে না ।

তখন ভুলু ও তার সুন্দরী বউ বলল বাস অনেক হয়ে গেছে তখন তাদের ল্যাবে চলে যায় ল্যাবে সেই যেখান থেকে রকেট চালানো হয় সেই খানে যাই। তখন ভুলু বলে বাস অনেক হয়েছে তোমরা অনেক লোক এদের প্রতারণা করেছ আর নয় । তারপর ভোলা রকেট উরানো বাটন টিপে দেয় । ( শাকচুন্নির গল্প )

তারপর সেই রকেট আবার উড়তে শুরু করে । তখন বৈজ্ঞানিকদের মাথা ঘুরে যায় মরে গেলাম রে ডাক্তার পিটার কে হয়তো ও রকেট টাকে লঞ্চ করে দিয়েছে । এখন আমরা কি করি এ রকেট তো আমাদের চাঁদে নিয়ে যাবে । ভূতেরা তো আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে এখন কি করা যায় ।
তারপর কিছু সময়ের মধ্যে রকেট চাঁদে ল্যান্ডিং করে ।


তারপর কালিয়া ভূত আর ডাক্তারের সামনাসামনি দেখা হয় । এই ভূত গুলো তো এখন বাইরে দাঁড়িয়ে আছে এখন আমরা কি করি ।
তারপর কালিয়া ভূত বলে এসব বৈজ্ঞানিক এসো আমরা তোমাদের জন্যই এখানে অপেক্ষা করছি ।

আজকের মতো এখানে যদি তোমরা এর পরের পর্ব দেখতে চাও তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারো অবশ্যই পরের পর্বটি তৈরি করা হবে ।

গল্প টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন

Leave a Comment